Advertisement

IMD Monsoon Forecast 2026: সময়ের আগেই বর্ষা ঢুকছে দেশে, কবে? দিন জানিয়ে দিল IMD

বাংলায় বেজায় গরম। বিশেষত, দক্ষিণবঙ্গের হালই খারাপ। আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি চরমে উঠেছে। তবে শুধু বাংলা নয়, সূর্যের তাপে মোটামুটি পুড়ছে ভারতের একটা বড় অংশ। এমন পরিস্থিতি বর্ষা আগেই ঢুকছে বলে জানাল IMD।

কবে দেশে প্রবেশ করছে বর্ষা?কবে দেশে প্রবেশ করছে বর্ষা?
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 21 May 2026,
  • अपडेटेड 11:18 AM IST
  • বাংলায় বেজায় গরম আবহাওয়া
  • আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি চরমে উঠেছে
  • সূর্যের তাপে মোটামুটি পুড়ছে ভারতের একটা বড় অংশ

বাংলায় বেজায় গরম। বিশেষত, দক্ষিণবঙ্গের হালই খারাপ। আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি চরমে উঠেছে। তবে শুধু বাংলা নয়, সূর্যের তাপে মোটামুটি পুড়ছে ভারতের একটা বড় অংশ। মে ২০, উত্তরপ্রদেশের বান্দায় তাপমাত্রা ছুঁয়ে ফেলে ৪৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এটাই ছিল দেশের সবথেকে উষ্ণতম স্থান। ও দিকে দিল্লিতেও ৪৪-৪৫ ডিগ্রিতে পৌঁছে গিয়েছে তাপমাত্রা। যার ফলে ভারতীয় আবহাওয়া দফতর (IMD) রাজধানীতে বারবার তাপপ্রবাহের সতর্কতা জারি করছে।

একইভাবে রাজস্থান, পাঞ্জাব, হরিয়ানা এবং হিমাচল প্রদেশও তীব্র গরমে পুড়ছে। উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে আসা শুষ্ক ও গরম বাতাস এই পরিস্থিতিকে আরও ভয়াবহ করে তুলেছে। আর এমন পরিস্থিতিতে সকলেরই প্রশ্ন, ঠিক কবে আসবে বর্ষা?

আর সেই প্রশ্নের উত্তরও দিয়েছে হাওয়া অফিস। আইএমডি জানিয়েছে, ভারতের দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু, যা দেশের প্রায় ৭০ শতাংশ বার্ষিক বৃষ্টিপাত নিয়ে আসে, তা স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় প্রায় এক সপ্তাহ আগেই প্রবেশ করছে। আরও নির্দিষ্ট করে বললে, ২৬ মে নাগাদ কেরল উপকূলে পৌঁছাতে পারে বর্ষা। আর মৌসমি বায়ু দেশে প্রবেশের স্বাভাবিক সময় হল ১ জুন।

আর এটা অবশ্যই ভাল খবর। সময়ের আগেই দেশে প্রবেশ করতে চলেছে বর্ষায়। এর ফলে গরম থেকে দ্রুত রেহাই মিলতে পারে

মাথায় রাখতে হবে, কেরলে বর্ষা প্রবেশের পর এটি ধীরে ধীরে দেশের অন্যান্য জায়গায় ছড়িয়ে পড়ে। মহারাষ্ট্র ও মুম্বইতে ২–৫ জুনের মধ্যে বর্ষা পৌঁছনোর সম্ভাবনা রয়েছে। এরপর বর্ষা ধীরে ধীরে উত্তর দিকে অগ্রসর হবে। বর্তমানে তীব্র গরমে ভুগতে থাকা উত্তর ভারতেও বৃষ্টির স্বস্তি নিয়ে আসবে।

বর্ষা কি সত্যিই আগেভাগে আসবে?
কেরলে বর্ষার আগাম আগমন মানেই যে সারা দেশে দ্রুত বা বেশি বৃষ্টি হবে, এমনটা বলা যায় না। আবহাওয়া বিশেষজ্ঞদের মতে, কেরলে বর্ষা নামার পর বঙ্গোপসাগর ও আরব সাগরের বাতাস ও বায়ুর চাপের ওপর নির্ভর করে মৌসমি বায়ুর গতি কখনও ধীর হয়ে যায়। কখনও আবার বেড়ে যায়।

Advertisement

ওদিকে আবার আইএমডি এবং বেসরকারি আবহাওয়া সংস্থা স্কাইমেট ওয়েদার জানিয়েছে, ২০২৬ সালের বর্ষায় স্বাভাবিকের চেয়ে কম বৃষ্টিপাত হতে পারে।

IMD-এর অনুমান, এ বছরের বৃষ্টিপাত দীর্ঘমেয়াদি গড়ের প্রায় ৯২ শতাংশ হতে পারে। অন্যদিকে বেসরকারি আবহাওয়া সংস্থা Skymet-এর পূর্বাভাস অনুযায়ী, বৃষ্টিপাত হতে পারে গড়ের প্রায় ৯৪ শতাংশ।

দুই সংস্থাই জানিয়েছে, ধীরে ধীরে এল নিনো পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। প্রশান্ত মহাসাগরের জলের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেতে পারে। আর এই পরিস্থিতি ভারতের মৌসুমী বায়ুকে দুর্বল করে দেয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, জুলাই-অগাস্টে মৌসুমি বায়ু এগোনোর সঙ্গে সঙ্গে এল নিনোর প্রভাব আরও স্পষ্ট হতে পারে।

 

 

Read more!
Advertisement
Advertisement