Advertisement

El Nino 2026: বর্ষাকে গিলে খাবে এল নিনো, বড় আশঙ্কার কথা শোনালেন IMD-র ডিরেক্টর

এ বছর বর্ষাকে গিলে খাবে এল নিনো। এর জেরে দেশে গত ৩ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন বৃষ্টিপাত হতে পারে বলে জানিয়েছেন মৌসম ভবনের ডিরেক্টর ড. মৃত্যুঞ্জয় মহাপাত্র। আসন্ন বর্ষার মরশুমে দেশে স্বাভাবিকের তুলনায় কম বৃষ্টিপাত হতে পারে।

এল নিনো ২০২৬এল নিনো ২০২৬
Aajtak Bangla
  • নয়াদিল্লি,
  • 29 May 2026,
  • अपडेटेड 6:14 PM IST
  • দেশে গত ৩ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন বৃষ্টিপাতের আশঙ্কা
  • আসন্ন বর্ষার মরশুমে দেশে স্বাভাবিকের তুলনায় কম বৃষ্টি
  • এ বছর বর্ষাকে গিলে খাবে এল নিনো

বর্ষার মাঝেই অনাহূত অতিথির মতো এসে হাজির হবে এল নিনো। এর জেরে দেশে গত ৩ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন বৃষ্টিপাত হতে পারে বলে জানিয়েছেন মৌসম ভবনের ডিরেক্টর ড. মৃত্যুঞ্জয় মহাপাত্র। একান্ত সাক্ষাৎকারে ইন্ডিয়া টুডে গ্রুপ-কে তিনি এই আশঙ্কার কথা জানান। 

IMD চলতি বর্ষার মরশুমের পূর্বাভাস দেওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ড. মৃত্যুঞ্জয় মহাপাত্র উদ্বেগজনক তথ্য দিলেন। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আসন্ন বর্ষার মরশুমে দেশে স্বাভাবিকের তুলনায় কম বৃষ্টিপাত হতে পারে। 

এল নিনো হল প্রশান্ত মহাসাগরের জলের তাপমাত্রা পর্যায়ক্রমে বেড়ে যাওয়ার একটি প্রক্রিয়া। যা এশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলের আবহাওয়ার ধরণে বড় প্রভাব ফেলে। পূর্বাভাস অনুযায়ী, এ বছর জুন মাস থেকেই এর প্রভাব শুরু হতে পারে। 

কবে ভারতে প্রভাব ফেলতে শুরু করবে এল নিনো? 
ড. মৃত্যুঞ্জয় মহাপাত্র জানিয়েছেন, জুন মাসে এল নিনো দুর্বল অবস্থায় দেখা দিতে পারে। তবে জুলাইয়ের মাঝামাঝি থেকে অগাস্টের মধ্যে এটি মাঝারি শক্তি অর্জন করবে। সেপ্টেম্বর নাগাদ এল নিনো পূর্ণ শক্তি লাভ করবে। যার প্রভাব শুধু ভারতেই নয়, বিশ্বের বিভিন্ন অংশেও পড়তে পারে। 

এই আশঙ্কা আরও জোরাল হয়েছে আন্তর্জাতিক আবহাওয়া সংস্থাগুলির একাধিক পূর্বাভাসে। 

অস্ট্রেলিয়ার আবহাওয়া দফতর Bureau Of Meteorology সম্প্রতি জানিয়েছে, জুন মাসের মধ্যেই এল নিনো পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। একইসঙ্গে চিনের National Climate Centre-ও জানিয়েছে, প্রশান্ত মহাসাগরের উষ্ণতা ইতিমধ্যেই এল নিনো পর্যায়ে প্রবেশ করেছে এবং আগামী কয়েক মাসে তা আরও শক্তিশালী হবে বলে অনুমান করা হচ্ছে।

উদ্বেগ আরও বাড়িয়েছে NASA-র বিশ্লেষণ করা উপগ্রহ পর্যবেক্ষণ। সেখানে দেখা গিয়েছে, প্রশান্ত মহাসাগরের পৃষ্ঠের নীচে বিশাল পরিমাণ উষ্ণ জল জমা হচ্ছে। বিজ্ঞানীদের মতে, এই ভূগর্ভস্থ উষ্ণ জলের ভাণ্ডার এল নিনো তৈরির একটি গুরুত্বপূর্ণ সঙ্কেত। কারণ ধীরে ধীরে এই তাপ উপরের দিকে উঠে পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগরে ছড়িয়ে পড়ে। 

Advertisement

ভারতের ক্ষেত্রে এই পরিস্থিতি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ, কারণ অতীতে এল নিনোর সঙ্গে দুর্বল বর্ষা, ঘন ঘন তাপপ্রবাহ, কৃষিক্ষেত্রে চাপ বৃদ্ধি এবং জলসম্পদের উপর অতিরিক্ত চাপের সরাসরি সম্পর্ক দেখা গিয়েছে।

বিশ্বজুড়ে একাধিক আবহাওয়া পূর্বাভাস কেন্দ্র এখন এল নিনোর আগমনের ইঙ্গিত দেওয়ায়, দেশের আসন্ন বর্ষার মরশুমে এর প্রভাব নিয়ে ক্রমশ উদ্বেগ বাড়ছে। 

 

Read more!
Advertisement
Advertisement