Advertisement

India Peanut Export: রফতানিতে ধাক্কা, বাজারে আগুন! চিনেবাদাম সংকটে বাড়তে পারে সাদা তেলের দাম

Peanut Price India: চিনাবাদাম রফতানিতে বড় ধাক্কা। নতুন আমদানি নিয়ম চালু করেছে ইন্দোনেশিয়া। তার জেরেই বাজারে অস্থির পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

নতুন আমদানি নিয়ম চালু করেছে ইন্দোনেশিয়া। তার জেরেই বাজারে অস্থির পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।নতুন আমদানি নিয়ম চালু করেছে ইন্দোনেশিয়া। তার জেরেই বাজারে অস্থির পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 29 Apr 2026,
  • अपडेटेड 5:32 PM IST
  • চিনাবাদাম রফতানিতে বড় ধাক্কা।
  • নতুন আমদানি নিয়ম চালু করেছে ইন্দোনেশিয়া।
  • চিনাবাদামের দাম ৬০ থেকে ৮০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে।

Peanut Price India: চিনাবাদাম রফতানিতে বড় ধাক্কা। নতুন আমদানি নিয়ম চালু করেছে ইন্দোনেশিয়া। তার জেরেই বাজারে অস্থির পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, আগামী ৩ থেকে ৬ মাস সরবরাহে টান পড়তে পারে। ফলে চিনাবাদামের দাম ৬০ থেকে ৮০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে।

ইন্দোনেশিয়ার নতুন নিয়ম অনুযায়ী, চিনাবাদাম আমদানিতে কোটা সিস্টেম চালু করা হয়েছে। সেই সঙ্গে গুণমানের মানদণ্ডতেও কড়াকড়ি করা হয়েছে। সবচেয়ে বড় সমস্যা হল, এই নিয়ম লাগু করতে ব্যবসায়ীদের খুব কম সময় দেওয়া হয়েছে। সাধারণত ৯০ দিন সময় দেওয়া হলেও, এবার মাত্র ১৪ দিনের মধ্যে প্রস্তুতি নিতে বলা হয়েছে। ফলে রফতানিকারকদের কাছে নিঃসন্দেহে এটি একটি বড় চ্যালেঞ্জ বলা যেতে পারে।

এই নতুন নিয়মে সবচেয়ে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে ‘গ্লোবাল GAP’ সার্টিফিকেট। এখন ইন্দোনেশিয়ায় চিনাবাদাম রফতানি করতে গেলে কৃষক ও ব্যবসায়ী; দু’পক্ষকেই এই সার্টিফিকেট নিতে হবে। কিন্তু এই সার্টিফিকেট পেতে ৩ থেকে ৬ মাস সময় লাগে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই আগামী কয়েক মাস ভারত থেকে রফতানি কার্যত থমকে যেতে পারে বলে আশঙ্কা।

রফতানিতে টান পড়লে তার সরাসরি প্রভাব পড়বে বাজারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, সরবরাহ কমে গেলে চিনাবাদামের দাম হু হু করে বাড়তে পারে। ৬০ থেকে ৮০ শতাংশ পর্যন্ত দাম বাড়ার সম্ভাবনার কথা বলা হচ্ছে। কেউ কেউ আবার বলছেন, পরিস্থিতি জটিল হলে দাম দ্বিগুণও হয়ে যেতে পারে।

এই নিয়ম সব দেশের জন্যই প্রযোজ্য হলেও, সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়বে ভারতের উপরই। কারণ, ইন্দোনেশিয়া ভারত থেকেই সবচেয়ে বেশি চিনাবাদাম আমদানি করে। গত কয়েক বছরে ভারতের মোট রফতানির বড় অংশই গেছে এই দেশে। ফলে এই বাজারে ধাক্কা মানেই বড় আর্থিক ক্ষতির সম্ভাবনা।

ভারতে চিনাবাদাম রফতানি বাড়াতে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছে এপেডা (APEDA)। কিন্তু নতুন নিয়মে সেই প্রচেষ্টায় বড় ধাক্কা লাগল। উল্লেখযোগ্য বিষয়, এই নিয়ম খোসা-সহ ও খোসা ছাড়া; দুই ধরনের চিনাবাদামের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। তবে ভাজা চিনাবাদামের উপর এই বিধিনিষেধ নেই।

Advertisement

এর আগেও গুণমানের কারণে ভারতীয় চিনাবাদাম নিয়ে আপত্তি তুলেছিল ইন্দোনেশিয়া। বিশেষ করে 'অ্যাফ্লাটক্সিন' নামের একটি উপাদানের মাত্রা বেশি থাকায় সমস্যা তৈরি হয়েছিল। যদিও ভারতীয় ব্যবসায়ীদের দাবি, ইন্দোনেশিয়ার পরীক্ষার পদ্ধতিতেই ত্রুটি রয়েছে এবং তা আন্তর্জাতিক মানের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়।

পরিসংখ্যান বলছে, ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে ভারত মোট ৭.৪৬ লক্ষ টন চিনাবাদাম রফতানি করেছে। তার মধ্যে প্রায় ২.৭৭ লক্ষ টন গিয়েছে ইন্দোনেশিয়ায়। ফলে এই বাজারে সামান্য পরিবর্তনও বড় প্রভাব ফেলতে পারে।

বর্তমান পরিস্থিতিতে স্পষ্ট, চিনাবাদাম ব্যবসায় অনিশ্চয়তা বাড়ছে। দ্রুত সমাধান না হলে তার প্রভাব পড়বে কৃষক থেকে ব্যবসায়ী; সবার উপরই।   

Read more!
Advertisement
Advertisement