Advertisement

Indian Drone: ট্রায়াল সাকসেসফুল, সীমান্তে অ্যাক্টিভ হচ্ছে শত্রুর যম; ইরান-রুশের মতো তৈরি ভারতীয় ড্রোনও

KAL Drone: শত্রুদের জবাব দিতে ভারতীয় সেনার হাতে এল India Made লং রেঞ্জের ড্রোন KAL। এই ড্রোনটি ১,০০০ কিলোমিটার পর্যন্ত নির্ভুল নিশানায় লক্ষ্যতে আঘাত হানতে সক্ষম।

ইরান-রুশের মতো তৈরি ভারতীয় ড্রোনওইরান-রুশের মতো তৈরি ভারতীয় ড্রোনও
Aajtak Bangla
  • দিল্লি,
  • 21 Sep 2026,
  • अपडेटेड 11:53 AM IST
  • লং রেঞ্জের আত্মঘাতী ড্রোনের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ অর্জন করল ইন্ডিয়ান আর্মি।
  • ভারতীয় সেনার হাতে এল ভয়াবহ KAL ড্রোন।
  • লং রেঞ্জের ড্রোনের সাফল্যকে বড়সড় একটি মাইলফলক হিসেবে ধরা হচ্ছে।

আরও শক্তিশালী হল ভারতীয় সেনা। লং রেঞ্জের আত্মঘাতী ড্রোনের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ অর্জন করল ইন্ডিয়ান আর্মি। আইজি ডিফেন্সের দেশীয় নকশা ও ডেভলপমেন্টে তৈরি একটি লং রেঞ্জের আত্মঘাতী ড্রোনের সফল টেস্ট সম্পন্ন করল সেনা। গতকাল, ২০ সেপ্টেম্বর এই KAL ড্রোনের সফল টেস্ট হয় রাজস্থানের পোখরান ফিল্ড ফায়ারিং রেঞ্জে। আধুনিক যুদ্ধের যুগে মানব বিহীন এই লং রেঞ্জের ড্রোনের সাফল্যকে বড়সড় একটি মাইলফলক হিসেবে ধরা হচ্ছে।

বর্তমানে যুদ্ধের যে ট্রেন্ড দেখা যাচ্ছে, তা একমুখী ও লং রেঞ্জের ড্রোনগুলি অন্যতম সম্পদ।  আধুনিক যুদ্ধের ক্ষেত্রে এটি বর্তমানে অপরিহার্য হয়ে উঠেছে।  রুশ-ইউক্রেনীয় যুদ্ধে ইরানের শাহেদ-১৩৬ এবং রাশিয়ার গারান-২-এর মতো ড্রোনের ব্যবহার সারা বিশ্বকে চোখে আঙুল দিয়ে এক সত্যির সামনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। স্বল্প খরচের চালকবিহীন এই ড্রোনগুলিকে দিয়ে রীতিমতো নাস্তানাবুদ করা হচ্ছে বড় শত্রুপক্ষকেও।

ভারতীয় ড্রোন KAL-এর মূল বৈশিষ্ট্য কী কী?

KAL ড্রোনটির পাল্লা ১,০০০ কিলোমিটার। এটি ৭ থেকে ৮ ঘণ্টা উড়তে পারে। ড্রোনটি ৫০ কেজি পর্যন্ত পেলোড, অর্থাৎ একটি ওয়ারহেড বহন করতে সক্ষম। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে এর সর্বোচ্চ উচ্চতা হতে পারে ৫০০০ মিটার বা ৫ কিমি। ড্রোনটি মাল্টি-ব্যান্ড জিএনএসএস এবং ইনার্শিয়াল নেভিগেশন সিস্টেমে সজ্জিত, যা এটিকে বাড়তি অ্যাডভান্টেজ দেয়।

ড্রোন বিশেষজ্ঞদের দাবি, এই ড্রোনটিকে সুনির্দিষ্ট আঘাত হানার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। এটি রাডার সেন্টার, এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম ও অন্যান্য স্ট্র্যাটেজিক লক্ষ্যবস্তুকে টার্গেট করতে সিদ্ধহস্ত। 

পোখরানের এই সফল পরীক্ষা যুদ্ধক্ষেত্রের জন্য ভারতের দেশীয় প্রতিরক্ষা প্রযুক্তির উন্নতির পথে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। এটি দেশের সামরিক সক্ষমতা জোরদার করবে এবং ভবিষ্যতের যুদ্ধে আত্মনির্ভরশীলতা বাড়াবে। একইসঙ্গে ভারতের মিত্র দেশগুলির চাহিদাও পূরণ করতে সক্ষম হবে।


 

Read more!
Advertisement
Advertisement