Advertisement

India vs China Economy: গত ৫ বছরে চিনের অর্থনীতিকে টেক্কা দিয়েছে ভারত, সামনে বড় পরিসংখ্যান

সদ্য শেষ হয়েছে ব্রিকস সম্মেলন। আর তারপরই একটা বিশেষ তথ্য সামনে এসেছে। এই তথ্য অনুযায়ী, ২০২০ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে ভারতের অর্থনীতি চিনের থেকে দ্রুত গতিতে বেড়েছে। আসুন সবটা জেনে নেওয়া যাক।

ভারত বনাম চিনের অর্থনীতি (ছবি: পিটিআই)ভারত বনাম চিনের অর্থনীতি (ছবি: পিটিআই)
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 14 Sep 2026,
  • अपडेटेड 1:40 PM IST
  • সদ্য শেষ হয়েছে ব্রিকস সম্মেলন
  • ২০২০ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে ভারতের অর্থনীতি চিনের থেকে দ্রুত গতিতে বেড়েছে
  • তারপরই একটা বিশেষ তথ্য সামনে এসেছে

৫ বছরে ভারতের অর্থনীতি চিনের থেকে দ্রুত গতিতে বেড়েছে। এমনই চমকে দেওয়া তথ্য সামনে এনেছেন অর্থনীতিবিদ সুরজিৎ ভাল্লা। তবে তিনি এটাও জানিয়েছেন যে, অর্থনীতির ভারের হিসেবে ব্রিকসের মধ্যে এখনও অনেক এগিয়ে রয়েছে চিন।

সম্প্রতি ব্রিকস নিয়ে তাৎপর্যপূর্ণ বিশ্লেষণ সামনে এনেছেন অর্থনীতিবিদ সুরজিৎ ভাল্লা। তাঁর হিসেব অনুযায়ী, বিশ্ব মোট আয়ের হিসেবে ব্রিকসের অংশ ২০১১ সালে ২১.৯ শতাংশ ছিল। সেটা ২০২৫ সালে ২৮.৯ শতাংশ হয়েছে। কিন্তু এই হিসেব থেকে যদি চিনকে বাদ দেওয়া হয়, তাহলে বাকি ১০ সদস্যের অংশ ১১.৯ শতাংশ থেকে কমে ১১.৫ শতাংশ হয়েছে। তাঁর বিশ্লেষণ বলছে, এই সময়ে ব্রিকস গোষ্ঠীর আয়ে যতটা বৃদ্ধি হয়েছে, তার ৭২ শতাংশই এসেছে চিন থেকে।

এছাড়া ব্রিকসের অন্দরে চিনের বাড়তে থাকা প্রভাবও তাঁর পরিসংখ্যানে স্পষ্ট। ব্রিকসের মোট আয়ে চিনের অংশ ২০১১ সালের ৪৫.৬ শতাংশ থেকে বেড়ে ২০২৫ সালে ৬০.২ শতাংশ হয়েছে। 

খেলা ঘুরিয়েছে ভারত
যদিও হিসেবটা বদলে যায় শেষ ৫ বছরে। এই ৫ বছরে চিনকে টেক্কা দিয়েছে ভারত। ভাল্লা যে আয়-পরিমাপের অঙ্ক ব্যবহার করেছেন, তাতে চিনের তুলনায় দ্রুত বেড়েছে ভারতের আয়। তবে এখনও চিনের অর্থনীতি ভারতের তুলনায় অনেক বড়।

ভারতের আয় বেড়েছে দ্রুত
ভাল্লা নিজের হিসেবের জন্য বিশ্বব্যাঙ্কের জিএনআই পার ক্যাপিটা, অ্যাটলাস মেথড ব্যবহার করেছেন। জিএনআই বা গ্রস ন্যাশনাল ইনকাম কোনও দেশের বাসিন্দা ও ব্যবসায়িক সংস্থাগুলি বিদেশ থেকে অর্জিত ইনকাম সহ মোট কত আয় করেছে, তা পরিমাপ করে। 

হিসেবের ক্ষেত্রে ভাল্লা মাথাপিছু জিএনআই-কে জনসংখ্যা দিয়ে গুণ করে মোট আয় বা অ্যাগ্রিগেট ইনকাম নির্ণয় করেছেন।

এই হিসেব অনুযায়ী, ২০২০ সালে ভারতের জিএনআই ছিল প্রায় ২.৬৭ ট্রিলিয়ন ডলার। ২০২৫ সালে তা বেড়ে প্রায় ৪.০৪ ট্রিলিয়ন ডলার হয়েছে। অর্থাৎ পাঁচ বছরে জিএনআই বৃদ্ধি পেয়েছে প্রায় ৫২ শতাংশ।

এই হিসেব অনুযায়ী, চিনের জিএনআই ২০২০ সালের প্রায় ১৫.১৫ ট্রিলিয়ন ডলার থেকে বেড়ে ২০২৫ সালে ২০.০২ ট্রিলিয়ন ডলার হয়েছে। অর্থাৎ এই সময় বৃদ্ধি প্রায় ৩২ শতাংশ।

Advertisement

আর এই হিসেবে পরিষ্কার যে ২০২০ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে গ্রোথের হিসেবে ভারত চিনের থেকে এগিয়ে রয়েছে। এক্ষেত্রে মোট জিএনআই বৃদ্ধির হার চিনের তুলনায় প্রায় ২০ শতাংশ পয়েন্ট বেশি।

তবে এই হিসেব দেখে এটা মনে করবেন না যে ভারতের অর্থনীতি এখন চিনের সমতুল্য হয়ে গিয়েছে। বরং হিসেবটা সম্পূর্ণ আলাদা। ২০২৫ সালেও চিনের জিএনআই ভারতের তুলনায় প্রায় পাঁচ গুণ ছিল।

আর একটা বিষয় হল, চিনের অর্থনীতি অনেক বড়। তাই অর্থের হিসেবে ভারতের তুলনায় তাদের বৃদ্ধি অনেক বেশি। ২০২০ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে চিনের জিএনআই বেড়েছে প্রায় ৪.৮৬ ট্রিলিয়ন ডলার। সেখানে ভারতের বৃদ্ধি পেয়েছে ১.৩৭ ট্রিলিয়ন ডলার।

ভারতের সঙ্গে চিনের ব্যবধান কমেছে
এই প্রসঙ্গে একটা ভাল খবরও রয়েছে। ২০২০ সালে ভারতের মোট জিএনআই ছিল চিনের প্রায় ১৮ শতাংশ। ২০২৫ সালে তা বেড়ে প্রায় ২০ শতাংশ হয়েছে। এটি খুব বড় পরিবর্তন নয়। তবে একটা ভাল ইঙ্গিত। এখন দেখার আগামিদিনে পরিস্থিতি ঠিক কোন দিকে যায়। 

 

Read more!
Advertisement
Advertisement