Advertisement

Indus Water Treaty: সিন্ধুর জল না পেয়েই মরবে পাকিস্তান, ভারতের মাস্টার স্ট্রোকে মহাবিপদে জঙ্গি রাষ্ট্র

গত কয়েক মাসে পাক সেনা ও ইসলামাবাদের রাজনৈতিক নেতৃত্ব লাগাতার ভারতকে হুমকি দিয়ে চলেছে। যুদ্ধের হুমকি। এমনকী পরমাণু হামলারও হুমকি দিচ্ছে। দিল্লিকে ইসলামাবাদের হুমকি হল, গত বছর সিন্ধু জলচুক্তি স্থগিত করার পর যদি দিল্লি সম্পূর্ণভাবে পাকিস্তানে জলপ্রবাহ বন্ধ করে দেয়, তবে তার গুরুতর পরিণতি হতে পারে। এমনকী যুদ্ধ বা পরমাণু অস্ত্র ব্যবহারের সম্ভাবনার কথাও তারা উল্লেখ করেছে।

সিন্ধু জলবণ্টন চুক্তি - ছবিটি প্রতীকীসিন্ধু জলবণ্টন চুক্তি - ছবিটি প্রতীকী
Aajtak Bangla
  • নয়াদিল্লি,
  • 21 Jul 2026,
  • अपडेटेड 9:55 AM IST
  • ভারতকে বারবার যুদ্ধ, পরমাণু অস্ত্রের হুমকি দিচ্ছে পাকিস্তান
  • ভারতের অত্যন্ত কঠোর অবস্থান
  • পাকিস্তান সন্ত্রাসবাদের রাস্তা থেকে সরছে না

সিন্ধুর জল পেতে ভারতের দিকে হা পিত্যেশ করে তাকিয়ে আছে পাকিস্তান। এই  জলচুক্তি নিয়ে সীমান্তে কোলাহল বাড়ছে। এই বিষয়ে ভারত নিজের অবস্থান আরও কড়া করছে। ভারতের বক্তব্য, ৬৫ বছরের পুরনো এই চুক্তি এবার ঢেলে সাজানো দরকার। বর্তমান পরিস্থিতি এই পুরনো জলচুক্তির পরিমার্জন দরকার। মোদী সরকার স্পষ্ট করে দিয়েছে, পাকিস্তানের সঙ্গে ভবিষ্যতে কোনও রকম চুক্তি করতে হলে পাকিস্তানকে প্রমাণ করতে হবে, তারা সীমান্ত সন্ত্রাস বন্ধ করেছে। সন্ত্রাসবাদ ও চুক্তি একসঙ্গে চলবে না।

ভারতকে বারবার যুদ্ধ, পরমাণু অস্ত্রের হুমকি দিচ্ছে পাকিস্তান

গত কয়েক মাসে পাক সেনা ও ইসলামাবাদের রাজনৈতিক নেতৃত্ব লাগাতার ভারতকে হুমকি দিয়ে চলেছে। যুদ্ধের হুমকি। এমনকী পরমাণু হামলারও হুমকি দিচ্ছে। দিল্লিকে ইসলামাবাদের হুমকি হল, গত বছর সিন্ধু জলচুক্তি স্থগিত করার পর যদি দিল্লি সম্পূর্ণভাবে পাকিস্তানে জলপ্রবাহ বন্ধ করে দেয়, তবে তার গুরুতর পরিণতি হতে পারে। এমনকী যুদ্ধ বা পরমাণু অস্ত্র ব্যবহারের সম্ভাবনার কথাও তারা উল্লেখ করেছে।

ভারতের অত্যন্ত কঠোর অবস্থান

সূত্রের খবর,  ভবিষ্যতে সিন্ধু জলবণ্টন চুক্তির বিধান ফের কার্যকর করতে হলে তা সংশোধিত কাঠামোয় নতুন করে আলোচনার মাধ্যমে পুনর্গঠন করতে হবে। তবে এমন কোনও পদক্ষেপ তখনই বিবেচনা করা হবে, যখন ইসলামাবাদ স্থায়ীভাবে ভারতের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবাদে মদত দেওয়া সম্পূর্ণ বন্ধ করবে। এই মুহূর্তে ভারত সিন্ধু জলচুক্তি থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে সরে আসার প্রক্রিয়া শুরু করতে চাইছে না। তবে দেশের স্বার্থবিরোধী বলে প্রমাণিত হলে যে কোনও আন্তর্জাতিক চুক্তি বাতিল করার অধিকার ভারতের রয়েছে।

পাকিস্তান সন্ত্রাসবাদের রাস্তা থেকে সরছে না

সংবাদ সংস্থা PTI জানাচ্ছে, ভবিষ্যতে যদি নদীর জলবণ্টন সংক্রান্ত বিধানগুলি আবার চালু করতে হয়, তবে তা বর্তমান কাঠামোয় নয়, সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি কাঠামোয় করতে হবে। আর সেটাও তখনই সম্ভব, যদি পাকিস্তান সন্ত্রাসবাদকে সম্পূর্ণভাবে ত্যাগ করে। ভারত ভবিষ্যতে এই চুক্তি পুনরুজ্জীবিত করবে কি না, তা সম্পূর্ণভাবে পাকিস্তানের পদক্ষেপের উপর নির্ভর করবে। বিশেষ করে, সীমান্ত পেরিয়ে সন্ত্রাসবাদে মদত দেওয়া পাকিস্তান বন্ধ করে কি না, সেটাই হবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। কিন্তু পাকিস্তান সন্ত্রাসবাদের রাস্তা থেকে সরবে, এমন কোনও সম্ভাবনা বা সদিচ্ছা দেখা যাচ্ছে না এখনও। 

Advertisement

মিথ্যে ন্যারেটিভ তৈরি করছে ইসলামাবাদ

দিল্লির বক্তব্য, সিন্ধু জলচুক্তি স্থগিত রাখার ভারতের সিদ্ধান্তের ফলে পাকিস্তানে জলসঙ্কট তৈরি হয়েছে, এই রকম একটি ভুয়ো ন্যারেটিভ প্রচার করার চেষ্টা চালাচ্ছে ইসলামাবাদ। পাকিস্তানে যে বিপুল পরিমাণ নদীর জল পৌঁছয়, তার বড় অংশই পর্যাপ্ত জলাধার ও সংরক্ষণ পরিকাঠামোর অভাব, ব্যাপক অপচয় ও লিকেজ, এবং প্রদেশগুলির মধ্যে দীর্ঘদিনের জলবণ্টন সংক্রান্ত বিরোধের কারণে নষ্ট হয়ে যায়। ফলে দেশের জলসঙ্কটের জন্য ভারতের সিদ্ধান্তকে দায়ী করা বাস্তবসম্মত নয়।

তাহলে ভারত সিন্ধু জলবণ্টন চুক্তি থেকে বেরিয়ে যেতে পারে? PTI-কে সরকারের এক সূত্র জানিয়েছেন, এটি নির্ভর করছে পাকিস্তানের পদক্ষেপের উপরে। গত বছর এপ্রিলে পহেলগাঁও হামলার পরে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে একাধিক অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক পদক্ষেপ করেছে দিল্লি। সেই পদক্ষেপের আওতাতেই সিন্ধু জলবণ্টন চুক্তি স্থগিত রাখা হয়েছে। 

বিশ্বব্যাঙ্কের মধ্যস্থতায় স্বাক্ষরিত সিন্ধু জলচুক্তি অনুযায়ী, ইরাবতী, বিপাশা ও শতদ্রু, এই তিনটি পূর্বাঞ্চলীয় নদীর উপর ভারতের অধিকার রয়েছে। অন্যদিকে, সিন্ধু, বিতস্তা ও চন্দ্রভাগা, এই তিনটি পশ্চিমাঞ্চলীয় নদীর নিয়ন্ত্রণ পাকিস্তানের হাতে। চুক্তি অনুযায়ী, উভয় দেশই নির্দিষ্ট শর্তসাপেক্ষে একে অপরের নদীর জল ব্যবহারের অধিকার পায়। পাশাপাশি, পশ্চিমাঞ্চলীয় নদীগুলি পাকিস্তানে প্রবেশ করার আগে ভারত সেখানে 'রান অফ দ্য রিভার' ধরনের জলবিদ্যুৎ প্রকল্প নির্মাণ করতে পারে। কিশানগঙ্গা এবং রাটলে জলবিদ্যুৎ প্রকল্প এই ধরনের প্রকল্পেরই উদাহরণ।


Read more!
Advertisement
Advertisement