Advertisement

INS Aridhaman Explained: পরমাণু বোমা নিয়ে টহল সমুদ্রের অতলে, Indian Navy-র নতুন সাবমেরিনটি দেখুন

বিশ্ব রাজনীতি টালমাটাল। ঠিক তখনই নিঃশব্দে বড় পদক্ষেপ নিল ভারত। পরমাণু শক্তিচালিত ব্যালিস্টিক মিসাইল সাবমেরিন INS Aridhaman-কে মাঠে(পড়ুন সমুদ্রে) নামাল ভারতীয় নৌবাহিনী।

INS Aridhaman কেন বানাল ভারত?INS Aridhaman কেন বানাল ভারত?
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 11 Apr 2026,
  • अपडेटेड 4:48 PM IST
  • ব্যালিস্টিক মিসাইল সাবমেরিন INS Aridhaman-কে মাঠে(পড়ুন সমুদ্রে) নামাল ভারতীয় নৌবাহিনী।
  • এটি এমন এক সাবমেরিন যা সমুদ্রের গভীরে লুকিয়ে লুকিয়ে পারমাণবিক অস্ত্র বহন করতে পারে।

বিশ্ব রাজনীতি টালমাটাল। ঠিক তখনই নিঃশব্দে বড় পদক্ষেপ নিল ভারত। পরমাণু শক্তিচালিত ব্যালিস্টিক মিসাইল সাবমেরিন INS Aridhaman-কে মাঠে(পড়ুন সমুদ্রে) নামাল ভারতীয় নৌবাহিনী। INS Aridhaman আসলে কী? সহজ ভাষায় বললে, এটি এমন এক সাবমেরিন যা সমুদ্রের গভীরে লুকিয়ে লুকিয়ে পারমাণবিক অস্ত্র বহন করতে পারে। বাইরে থেকে দেখা যায় না। খুঁজে পাওয়া কঠিন। আর এই কারণেই এটি ভারতের নিরাপত্তার ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, কোনও দেশ যদি ভারতকে আক্রমণ করে, তাহলে পাল্টা জবাব দেওয়ার ক্ষমতা যেন সবসময় বজায় থাকে। ডিফেন্সের ভাষায় একেই বলে ‘ডিটারেন্স’।

ভারতের নীতি, আগে থেকে পারমাণবিক হামলা করা হবে না। কিন্তু কেউ আক্রমণ করলে তার জবাব দেওয়া হবে। আর সেই জবাব দেওয়ার জন্যই প্রয়োজন এমন অস্ত্র, যা সহজে ধ্বংস করা যাবে না। INS Aridhaman সেই কাজটাই করবে। সমুদ্রের নিচে দীর্ঘ সময় লুকিয়ে থেকে প্রয়োজন হলে আঘাত হানতে পারবে।

সাধারণ সাবমেরিনের সঙ্গে এর বড় পার্থক্য রয়েছে। সাধারণ সাবমেরিন ডিজেল বা ব্যাটারিতে চলে। ফলে কিছু সময় পর পর জল থেকে উপরে উঠে আসতে হয়। তখন ধরা পড়ার সম্ভাবনা থাকে। কিন্তু পারমাণবিক সাবমেরিনের ক্ষেত্রে সেই সমস্যা নেই। এর ভিতরে ছোট্ট পারমাণবিক রিঅ্যাক্টর থাকে, যা থেকে শক্তি তৈরি হয়। ফলে অনেকদিন জলেই ডুবে থাকতে পারে। 

INS Aridhaman-এর আগে ভারত INS Arihant এবং INS Arighaat তৈরি করেছিল। এই নতুন সংযোজনের ফলে ভারতের শক্তি আরও বেড়ে গেল। এখন একাধিক সাবমেরিন পালা করে সমুদ্রে টহল দিতে পারবে। এতে প্রতিরক্ষা আরও মজবুত হবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, একটানা সমুদ্রে উপস্থিতি বজায় রাখতে গেলে অন্তত তিন থেকে চারটি সাবমেরিন দরকার। সেই দিকেই এগোচ্ছে ভারত।

এই সাবমেরিনের আরেকটি বড় বেনেফিট হল, এটি বেশি সংখ্যক এবং বড় মিসাইল বহন করতে পারে। ফলে আগের তুলনায় অনেক বেশি শক্তিশালী। যদিও এই পুরো প্রকল্প অত্যন্ত গোপন। সরকার খুব বেশি তথ্য প্রকাশ করে না। কিন্তু এতেই বোঝা যায়, বিষয়টি কতটা সংবেদনশীল।

Advertisement

আগামিদিনে আরও উন্নত সাবমেরিন তৈরির পরিকল্পনাও রয়েছে ভারতের। নতুন S5 প্রকল্পের মাধ্যমে আরও বড় এবং শক্তিশালী সাবমেরিন তৈরি হবে বলে মনে করা হচ্ছে। পাশাপাশি, পূর্ব উপকূলে তৈরি হচ্ছে নতুন সাবমেরিন ঘাঁটি INS Varsha, যেখানে এই সব সাবমেরিন নিরাপদে রাখা যাবে। ফলে দক্ষিণ এশিয়ায় নৌবাহিনীর শক্তির দিক থেকে যে ভারত অনেকটাই এগিয়ে গেল, তা বলাই বাহুল্য।  

Read more!
Advertisement
Advertisement