Advertisement

ISI Spying Network India: দিল্লি-হরিয়ানা-পঞ্জাবে লাগানো CCTV-র ফুটেজ যাচ্ছে পাকিস্তানে! নেপথ্যে চিন?

ISI Spying Network India: নয়াদিল্লির স্পেশাল সেল এবং গাজিয়াবাদ পুলিশ পৃথক অভিযানে পাঞ্জাব ও দিল্লি থেকে ১১ জন এজেন্টকে হাতে-নাতে ধরেছে। এদের মধ্যে ৮ জন পাঞ্জাবের এবং ৩ জন দিল্লির বাসিন্দা। উদ্ধার হয়েছে ৯টি সোলার সিসিটিভি ক্যামেরা, বেশ কিছু আগ্নেয়াস্ত্র ও কার্তুজ।

ভারতের শহরে লাগানো সিসিটিভির ফুটেজ যাচ্ছে পাকিস্তানেভারতের শহরে লাগানো সিসিটিভির ফুটেজ যাচ্ছে পাকিস্তানে
Aajtak Bangla
  • নয়াদিল্লি,
  • 13 Apr 2026,
  • अपडेटेड 4:02 PM IST

ISI Spying Network India: সীমান্তের ওপার থেকে ষড়যন্ত্র এবার আরও গভীর হচ্ছে। সশরীরে অনুপ্রবেশ করে নয়, বরং চিনা প্রযুক্তিতে ভর করে ভারতের অন্দরমহলে নজরদারি চালাচ্ছে পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই। দিল্লি, হরিয়ানা ও পাঞ্জাবের মতো কৌশলগত এলাকায় বিশেষ সোলার-পাওয়ার্ড সিসিটিভি ক্যামেরা বসিয়ে সরাসরি পাকিস্তানে ভিডিও ফুটেজ পাঠানোর এক ভয়াবহ ছক ফাঁস করল ভারতের নিরাপত্তা সংস্থাগুলি। গোয়েন্দা সূত্রে খবর, এই কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে চিনা সংস্থা 'EseeCloud'-এর ক্যামেরা। ইতিমধ্যেই এই চক্রের সঙ্গে জড়িত ১১ জনকে গ্রেফতার করেছে দিল্লি পুলিশ।

কীভাবে চলত এই ‘ডিজিটাল’ গোয়েন্দাগিরি?
‘অপারেশন সিন্দুর’-এর পর ব্যাকফুটে চলে যাওয়া আইএসআই নতুন উদ্যমে ঘর গোছাতে শুরু করেছে। বিএসএফ-এর ‘জি ব্রাঞ্চ’ প্রথম সতর্কবার্তা দিয়েছিল যে, উত্তর ভারতে জাল ছড়িয়েছে পাক গুপ্তচররা। শুধু সাধারণ ক্যামেরা নয়, এগুলি চলে সৌরশক্তিতে এবং এর ভেতরে থাকে ডেটা সিম কার্ড। ফলে বিদ্যুৎ সংযোগ না থাকলেও দিনরাত সরাসরি লাইভ ভিডিও পৌঁছে যাচ্ছিল করাচি বা লাহোরে। জলন্ধর, পটিয়ালা, আম্বালা সহ একাধিক স্পর্শকাতর সামরিক এলাকার গতিবিধির ওপর নজর রাখাই ছিল এদের প্রধান লক্ষ্য।

পুলিশি অভিযানে পর্দাফাঁস
নয়াদিল্লির স্পেশাল সেল এবং গাজিয়াবাদ পুলিশ পৃথক অভিযানে পাঞ্জাব ও দিল্লি থেকে ১১ জন এজেন্টকে হাতে-নাতে ধরেছে। এদের মধ্যে ৮ জন পাঞ্জাবের এবং ৩ জন দিল্লির বাসিন্দা। উদ্ধার হয়েছে ৯টি সোলার সিসিটিভি ক্যামেরা, বেশ কিছু আগ্নেয়াস্ত্র ও কার্তুজ। জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যেই দিল্লি ক্যান্টনমেন্ট এবং সোনিপত রেলওয়ে স্টেশনে বসানো ক্যামেরা থেকে ১৫ দিন ধরে লাইভ স্ট্রিমিং হয়েছে পাকিস্তানের হ্যান্ডলারদের কাছে। মূলত সেনার কনভয়, অস্ত্রবাহী ট্রেন এবং কৌশলগত ঘাঁটিগুলোর ছবি পাচার করাই ছিল এদের টার্গেট।

উদ্বেগ বাড়াচ্ছে চিনা কানেকশন
গোয়েন্দাদের কপালে ভাঁজ ফেলেছে একটি বিশেষ তথ্য। যদিও ভারতীয় আধাসামরিক বাহিনী বা সিএপিএফ-এর ভেতরে ‘মেড ইন ইন্ডিয়া’ ক্যামেরা ব্যবহার করা হয়, কিন্তু সেনানিবাসের ঠিক বাইরে সাধারণ মানুষের ব্যবহৃত চিনা ক্যামেরার মাধ্যমেই জাসুসি চালানো হচ্ছে। ইজরায়েল-ইরান সংঘর্ষে যেভাবে সিসিটিভি ফুটেজকে হাতিয়ার করা হয়েছে, সেই একই ছকে ভারতকে বিপদে ফেলতে চাইছে পাকিস্তান। বর্তমানে দিল্লি জুড়ে থাকা সমস্ত নজরদারি ক্যামেরার নেটওয়ার্ক খতিয়ে দেখার কাজ শুরু করেছেন কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা।

Advertisement

 

Read more!
Advertisement
Advertisement