
Mal River Accident: জলপাইগুড়ির মালবাজারে মাল নদীতে বিসর্জনের সময় হড়পা বানে ভেসে প্রাণ হারান ৮ জন,বাড়তে পারে মৃতের সংখ্য়া। রাতভর বৃষ্টি হওয়ার কারণে জলস্তর বেড়েছে নদীতে। ফলে ব্যাহত হয় উদ্ধারকাজ। তবে ফের উদ্ধারকাজ শুরুর প্রস্তুতি হচ্ছে। এখনও নিখোঁজ বহু। যাঁদের মৃতদেহ উদ্ধার হয়েছে তার মধ্যে এক শিশু, একজন বালিকা ও এক বৃদ্ধও রয়েছেন। আহতরা মালবাজারের হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, প্রশাসনের তরফে মৃতদের নামের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। এদের মধ্যে তপন অধিকারী, বয়স ৭২, ১৩ বছর বয়সী ঊর্মি সাহা, বছর আটের আনস পণ্ডিত, রুমুর সাহা (৪২), শুভাশিস রাহা (৬৩), বিভা দেবী (২৮), সুস্মিতা পোদ্দার (২২) এবং শোভনদ্বীপ অধিকারী (২০)।
এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় রাতেই শোকপ্রকাশ করে ট্যুইট করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ক্ষোভ প্রকাশ করে লেখেন, ‘‘জলপাইগুড়িতে প্রতিমা নিরঞ্জনের সময় যে দুর্ঘটনা ঘটেছে আমি তাতে ক্ষুব্ধ। দুর্ঘটনায় যাঁরা মারা গিয়েছেন, তাঁদের পরিবারের প্রতি গভীর শোকপ্রকাশ করছি।’’
প্রসঙ্গত, বুধবার সন্ধ্যায় দুর্গাপ্রতিমা বিসর্জন চলছিল মাল নদীতে। আচমকা বিপর্যয় ঘটে। তীব্র গতিতে ধেয়ে আসে নদীর জল। চোখের নিমেষে ভেসে যান অনেকে। জলের মাঝে আটকে পড়ে গাড়িও।
দুর্ঘটনার খবর পেয়ে শোকপ্রকাশ করে ট্যুইট করেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীও। ঘটনার পর আহতদের দেখতে হাসপাতালে যান রাজ্যের মন্ত্রী ও স্থানীয় তৃণমূল বিধায়ক। দুর্গতদের পাশে দাঁড়ানোর বার্তা দিয়েছে বামেরাও।
বিসর্জনের সময় উদ্ধারকারী দল ছিল না বলেও অভিযোগ করেন প্রত্যক্ষদর্শীদের একাংশ। এক সিভিল ডিফেন্স কর্মী বলেন, ‘‘জলস্তর বাড়ছে এ কথা ঘোষণা করা হয়েছিল। কিন্তু প্রতিমা নির়ঞ্জন নিয়ন্ত্রণ করা হয়নি।’’ তবে, স্থানীয় প্রশাসনের তরফে যথাযথ ভূমিকা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ জানাচ্ছে বিরোধী দল।