
বিহারের জামুইতে শ্লীলতাহানির মামলায় এবার কড়া পদক্ষেপ নিল বিহার পুলিশের। প্রধান অভিযুক্ত পলাতক নন্দন যাদবের সঙ্গে পুলিশের হাফ এনকাউন্টার হয়েছে বলে খবর মিলেছে। জানা গিয়েছে, হাফ এনকাউন্টের সময় নন্দন যাদবের পায়ে গুলি লাগে। এছাড়া অপর অভিযুক্ত হরেরামের পা ভেঙে গিয়েছে।
এনকাউন্টারের পর দুই অভিযুক্তকেই জামুই সদর হাসপাতালে এনেছে পুলিশ। জানা গিয়েছে, এই দুইজনই শ্লীলতাহানির ঘটনার সঙ্গে জড়িত ছিল।
ইতিমধ্যেই বিষয়টা নিয়ে মুখ খুলেছেন বিহার পুলিশের আইন ও শৃঙ্খলা বিভাগের এডিজি কে এস অনুপম। তিনি বিষয়টা নিশ্চিত করেছেন। পাশাপাশি তিনি জানিয়েছেন, বিহারের জামুইতে ভাইরাল হওয়া ভিডিও মামলায় পুলিশ ইতিমধ্যেই তিন সন্দেভাজনকে গ্রেফতার করেছে।
এডিজি আরও জানিয়েছেন, সংশ্লিষ্ট থানায় বিএনএসএস-এর ১২৮, ৭৪ ও ৭৫ ধারার পাশাপাশি পকসো আইনের ৮ ও ১২ ধারায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। তদন্তের জন্য একটি বিশেষ দল বা সিট গঠন করা হয়েছে। এই তদন্তকারী দলের তত্ত্বাবধানে রয়েছে জামুই জেলার এসডিপিও।
এডিজি আরও জানিয়েছেন, জামুই-লাখিসরাই মেন রোড থেকে প্রায় তিন কিলোমিটার দূরে একটি পাহাড়ি এলাকায় ঘটনাটি ঘটেছে। জানা গিয়েছে, ঘটনাটি সন্ধ্যা ৬.২৫ থেকে ৬.৩০ মিনিটের মধ্যে ঘটেছে। এমন পরিস্থিতিতে এলাকায় টহল বাড়াবে পুলিশ।
ভিডিও হয়েছে ভাইরাল
মাখায় রাখতে হবে, ইতিমধ্যেই ভাইরাল হয়ে গিয়েছে এই ঘটনার ভিডিও। সেখানে কয়েকজন যুবককে এক নাবালক ও এক নাবালিকাকে থামাতে দেখা যায়। তারপর যুবকেরা ছাত্রীটিকে অশালীনভাবে স্পর্শ করে। ছাত্রের উপর হয় আক্রমণ। আর এই ভিডিও ইতিমধ্যেই ভাইরাল হয়ে গিয়েছে। গোটা দেশে ছড়িয়ে পড়েছে ভিডিওটি। তারপরই সোশ্যাল মিডিয়া জুড়ে নিন্দার ঝড় ওঠে। এমন পরিস্থিতিতে বিষয়টা নিয়ে তৎপর হয় পুলিশ-প্রশাসন। তারা তদন্ত শুরু করে।
এরপরই ভিডিও দেখে অভিযুক্তদের শনাক্ত করা হয়। গ্রেফতার করা হয় তিনজনকে। এবার এই ঘটনাতে দুই জনের এনকাউন্টারে খবর মিলছে। তবে এখন ওই দুই অভিযুক্ত কেমন রয়েছে, সেই সম্পর্কে কোনও খবর মেলেনি। এখন দেখার তদন্ত ঠিক কোন দিকে যায়।