Advertisement

K Annamalai: 'প্রশ্ন করলেই বিদেশি এজেন্ট', CJP নেতাদের গ্রেফতারির প্রতিবাদে সরব একদা মোদীর প্রিয় আন্নামালাই

সোশ্যাল মিডিয়া এক্স-এ আন্নামালাই লেখেন, 'বিজেপির কিছু মানুষকে একটা বিষয় স্পষ্ট করে দিতে চাই। নিজেদের সুবিধামতো ভুলে যাওয়ার অভ্যাস থাকলে এবার আর এই কথাটা ভুলবেন না, আমি ২০২৬ সালের ৫ জুন বিজেপি ছেড়েছি। গতকালও বলেছি, সিজেপির প্রতিবাদের পদ্ধতির সঙ্গে আমি একমত নই। তাদের অনেক পদ্ধতিকেই আমার ভুল বলে মনে হয়। কিন্তু যদি প্রশ্ন করেন, যে বিষয়টিকে তারা গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করে, তা নিয়ে প্রতিবাদ, তর্ক বা লড়াই করার অধিকার তাদের আছে কি না, তা হলে অবশ্যই বলব, হ্যাঁ!'

বিজেপির বিরুদ্ধে সরব কে আন্নামালাইবিজেপির বিরুদ্ধে সরব কে আন্নামালাই
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 22 Oct 2026,
  • अपडेटेड 10:01 AM IST
  • বিজেপির কিছু মানুষকে একটা বিষয় স্পষ্ট করে দিতে চাই
  • সিজেপির প্রতিবাদের পদ্ধতির সঙ্গে আমি একমত নই
  • তাদের অনেক পদ্ধতিকেই আমার ভুল বলে মনে হয়

ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)-র নেতাদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করেছে দিল্লি পুলিশ। গ্রেফতার করা হয়েছিল সংগঠনের শীর্ষ নেতাদের। এবার এই ঘটনায় কেন্দ্রের বিরুদ্ধে সুর আরও চড়ালেন তামিলনাড়ু বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি কে আন্নামালাই। প্রতিরোধমূলক আটক বা প্রিভেন্টিভ ডিটেনশনের এই প্রক্রিয়ার আইনি বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। পাশাপাশি তাঁর অভিযোগ, বিক্ষোভকারীদের প্রশ্নের জবাব দিচ্ছে না সরকার। এর বদলে 'বিদেশি এজেন্ট' তকমা দেওয়া হচ্ছে।

এই বিষয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি বিস্তারিত পোস্ট করেছেন আন্নামালাই। সেখানে তিনি লেখেন, 'গণতন্ত্রে আইনের যথাযথ প্রক্রিয়া লঙ্ঘন নিয়ে প্রশ্ন তুললে আপনাকে নানা নামে ডাকা হয়। এমনকী আপনাকে বিদেশি এজেন্ট তকমা দেওয়া হয়।'

তবে এই প্রথম নয়, এর ঠিক এক দিন আগেই সিজেপি-র বিরুদ্ধে দিল্লি পুলিশের পদক্ষেপকে 'চরম অন্যায়' বলেছিলেন আন্নামালাই। তিনি সিজেপির প্রশ্ন করার ও সমালোচনা করার গণতান্ত্রিক অধিকারের সমর্থন জানিয়েছিলেন।

তবে চুপ করে বসে নেই বিজেপিও। তারা পাল্টা আন্নামালাইয়ের বিরুদ্ধে দ্বিচারিতার অভিযোগ এনেছে। গেরুয়া শিবিরের অভিযোগ, বিজেপি ছাড়ার পর এসআইআর নিয়ে নিজের অবস্থান বদলেছেন তিনি।

প্রসঙ্গত, একদা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর অত্যন্ত পছন্দের মানুষ ছিলেন আন্নামালাই। তবে চলতি বছরের জুন মাসেই বিজেপি ছেড়েছিলেন। তারপর থেকে নানা বিষয়ে সরব হয়েছেন। বর্তমানে তিনি মনে করছেন, সিজেপি-র প্রতিবাদকে দেশবিরোধী তকমা দেওয়া উচিত নয়। বরং সংগঠনটির তোলা প্রশ্নের উত্তর দেওয়া উচিত কেন্দ্রের। 

যদিও সিজেপি-র বিক্ষোভের পদ্ধতির সঙ্গে তিনি একমত নন, এমনওটা স্পষ্ট করেছেন আন্নামালাই। তারপরও সংগঠনটির প্রতিবাদ করার অধিকারকে সমর্থন করেছেন।

সোশ্যাল মিডিয়া এক্স-এ আন্নামালাই লেখেন, 'বিজেপির কিছু মানুষকে একটা বিষয় স্পষ্ট করে দিতে চাই। নিজেদের সুবিধামতো ভুলে যাওয়ার অভ্যাস থাকলে এবার আর এই কথাটা ভুলবেন না, আমি ২০২৬ সালের ৫ জুন বিজেপি ছেড়েছি। গতকালও বলেছি, সিজেপির প্রতিবাদের পদ্ধতির সঙ্গে আমি একমত নই। তাদের অনেক পদ্ধতিকেই আমার ভুল বলে মনে হয়। কিন্তু যদি প্রশ্ন করেন, যে বিষয়টিকে তারা গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করে, তা নিয়ে প্রতিবাদ, তর্ক বা লড়াই করার অধিকার তাদের আছে কি না, তা হলে অবশ্যই বলব, হ্যাঁ!'

Advertisement

কেন্দ্রের কাছে পাঁচটি প্রশ্ন রয়েছে তাঁর
ইতিমধ্যেই কেন্দ্রের কাছে পাঁচটি প্রশ্ন করেছেন আন্নামালাই। সেগুলি হল-

প্রতিবাদস্থল হিসেবে যন্তর মন্তরকে কেন নিষিদ্ধ করা হল?
স্পেশাল এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট (এসইএম) হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী পুলিশ আধিকারিকদের ক্ষমতা কতটা?
১৩ অক্টোবর গ্রেফতার হওয়া সিজেপি-র সদস্যদের জামিনের শুনানি কীভাবে হয়েছিল?
আটজন জামিনদারকে কেন প্রত্যাখ্যান করা হয়েছিল?
নিট বিরোধী বিক্ষোভের সময় পেলেট গান ব্যবহারের অভিযোগ এবং স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিওর (SOP) লঙ্ঘনের অভিযোগের ক্ষেত্রে কী পদক্ষেপ করা হয়েছিল?

পাল্টা আক্রমণ বিজেপির
আন্নামালাইয় নিজের বক্তব্য পেশ করেছেন। সেই মন্তব্যের পর তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে বিজেপি। তামিলনাড়ু বিজেপির প্রধান মুখপাত্র নারায়ণন তিরুপতি তাঁর বিরুদ্ধে এসআইআর নিয়ে অবস্থান বদলের অভিযোগ তুলেছেন।

তিরুপতির দাবি, এর আগে এসআইআর প্রক্রিয়ার পক্ষে সওয়াল করেছিলেন আন্নামালাই। তামিলনাড়ুতে বিপুল সংখ্যক ভুয়ো ভোটার রয়েছে এবং তাঁদের নাম বাদ দেওয়া প্রয়োজন বলেও দাবি করেছিলেন তিনি। পাশাপাশি এই প্রক্রিয়ার বিরোধিতা করায় ডিএমকে-র সমালোচনা করেছিলেন তিনি।


দিল্লি পুলিশের ভূমিকা নিয়ে আন্নামালাইয়ের সমালোচনারও বিরোধিতা করেছে বিজেপি। তিরুপতির যুক্তি, বিক্ষোভকারীরা আইনি সীমা লঙ্ঘন করলে বা সরে যাওয়ার নির্দেশের পরেও বিক্ষোভ চালিয়ে গেলে পুলিশের পদক্ষেপ করা প্রয়োজন।

 

Read more!
Advertisement
Advertisement