
কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রী কে হবেন? তা নিয়ে জলঘোলা কম হয়নি। তারই মধ্যে এল বড় আপডেট। বৃহস্পতিবারই নয়া মুখ্যমন্ত্রীর নাম ঘোষণা করতে পারেন কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খার্গ। সূত্রের খবর, সিদ্দারামাইয়া কর্ণাটকের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী। বৃহস্পতিবার মধ্যাহ্নভোজের পর শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। শোনা যাচ্ছে, সিদ্দারামাইয়া একাই শপথ নেবেন।
এছাড়াও, কংগ্রেস বিধায়ক দলের সভা বৃহস্পতিবার কান্তিরাভা স্টেডিয়ামে বিকেল সাড়ে তিনটের দিকে ডাকা হবে।
কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রীর অন্যতম দাবিদার ছিলেন ডি কে শিবকুমার। সূত্রের খবর, শিবকুমারকে পোর্টফোলিও সহ ডেপুটি সিএম পদের প্রস্তাব দেওয়া হতে পারে। তবে সেই প্রস্তাবে তিনি রাজি হবেন কি না তা নিয়ে এখনও স্পষ্ট করে কোনও ইঙ্গিত মেলেনি।
কংগ্রেস নেতা ডি কে শিবকুমার এবং সিদ্দারামাইয়া মুখ্যমন্ত্রী পদের দুই প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন। তাঁরা দুজনই মঙ্গলবার দিল্লিতে দলের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে দেখা করেন। মঙ্গলবার রাহুল গান্ধী কংগ্রেস প্রধান মল্লিকার্জুন খাড়গের সঙ্গে বৈঠক করেন। সেই বৈঠকে রণদীপ সুরজেওয়ালাও উপস্থিত ছিলেন।
১৩ মে কর্ণাটক বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা হয়। কংগ্রেস নির্বাচনে জয় পায়। ২২৪ আসনের মধ্যে কংগ্রেস ১৩৫ আসন পায়। যেখানে বিজেপি এবং জনতা দল (সেক্যুলার) যথাক্রমে ৬৬ এবং ১৯ আসন পায়। নির্বাচনের আগে মুখ্যমন্ত্রীর মুখ ঘোষণা করেনি কংগ্রেস। এই পরিস্থিতিতে, নির্বাচনের পর প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া এবং কংগ্রেসের রাজ্য সভাপতি ডি কে শিবকুমার মুখ্যমন্ত্রী পদের দাবি করে বসেন। এরপর হাইকমান্ড দুই নেতাকে দিল্লিতে ডেকে পাঠায়। বেশ কয়েক দফা আলোচনার পরও নামের বিষয়ে কোনও ঐক্যমতে পৌঁছানো যায়নি বলে খবর। তবে সিদ্দারামাইয়া দৌড়ে এগিয়ে ছিলেন প্রথম থেকেই। তিনিই আসনে বসতে পারেন।
কংগ্রেস সূত্রে খবর, শিবকুমার বিভ্রান্ত। সিদ্দারামাইয়ার সঙ্গে তাঁর দূরত্ব বেড়েছে। তবে দলীয় হাইকমান্ড তাঁদের দুইজনের সঙ্গে কথা বলে সমস্যার সমাধান করবে।