Advertisement

India Today Conclave 2026: খামেনেই বাঙ্কারে যাননি কেন? সত্যিটা জানালেন ইরানের সুপ্রিম লিডারের সহকারী

India Today Conclave 2026: মৃত্যুর মুখে দাঁড়িয়েও আশ্রয় নেননি বাঙ্কারে। নিজের বাড়ি ছেড়ে নিরাপদ জায়গায় যেতে অস্বীকার করেছিলেন আয়াতোল্লাহ খামেনেই(Ayatollah Ali Khamenei)।

আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি জটিল হচ্ছিল, তখনও নিজের বাসভবন ছেড়ে অন্য কোথাও যেতে রাজি হননি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা।আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি জটিল হচ্ছিল, তখনও নিজের বাসভবন ছেড়ে অন্য কোথাও যেতে রাজি হননি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা।
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 14 Mar 2026,
  • अपडेटेड 8:47 PM IST
  • নিজের বাড়ি ছেড়ে নিরাপদ জায়গায় যেতে অস্বীকার করেছিলেন আয়াতোল্লাহ খামেনেই।
  • কেন এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা?
  • সেই প্রশ্নেরই উত্তর দিলেন তাঁর ঘনিষ্ঠ সহযোগী।

India Today Conclave 2026: মৃত্যুর মুখে দাঁড়িয়েও আশ্রয় নেননি বাঙ্কারে। নিজের বাড়ি ছেড়ে নিরাপদ জায়গায় যেতে অস্বীকার করেছিলেন আয়াতোল্লাহ খামেনেই(Ayatollah Ali Khamenei)। কেন এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা? সেই প্রশ্নেরই উত্তর দিলেন তাঁর ঘনিষ্ঠ সহযোগী। সম্প্রতি নয়াদিল্লিতে আয়োজিত India Today Conclave এ বক্তব্য রাখতে গিয়ে খামেনেইকে নিয়ে একাধিক অজানা তথ্য তুলে ধরলেন তাঁর প্রতিনিধি আবদুল মজিদ হাকিম ইলাহি। তিনি জানান,  যখন তেহরানে ঘিরে উত্তেজনা বাড়ছিল এবং আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি জটিল হচ্ছিল, তখনও নিজের বাসভবন ছেড়ে অন্য কোথাও যেতে রাজি হননি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা।

ইলাহির কথায়, খামেনেইর নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন তাঁর ঘনিষ্ঠ মহল। কারণ তাঁর অফিস ও বাসভবনের অবস্থান বহু মানুষের জানা ছিল। তাই নিরাপত্তা বাহিনী তাঁকে অন্য কোনও শহরে বা সুরক্ষিত স্থানে সরিয়ে নেওয়ার প্রস্তাব দেয়। কিন্তু সেই প্রস্তাব সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেন তিনি।

ইলাহি বলেন, 'আমি তাঁর নিরাপত্তা আধিকারিকদের জিজ্ঞেস করেছিলাম, কেন তাঁকে নিরাপদ জায়গায় সরানো হচ্ছে না। তখন তারা জানায়, খামেনেই নিজেই যেতে অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেছিলেন; যদি তোমরা তেহরানের ৯ কোটি মানুষের জন্য নিরাপদ আশ্রয়ের ব্যবস্থা করতে পারো, তবেই আমি নিজের বাড়ি ছেড়ে অন্যত্র যেতে রাজি।'

শুধু তাই নয়, তাঁর জন্য বিশেষ বাঙ্কার তৈরি করার প্রস্তাবও নাকচ করে দেন খামেনেই। ইলাহি জানান, নিরাপত্তা আধিকারিকরা প্রস্তাব দিয়েছিলেন যে অন্তত তাঁর বাসভবনের নীচে একটি বাঙ্কার তৈরি করা হোক। কিন্তু সেখানেও একই যুক্তি দেন ইরানের নেতা। তাঁর বক্তব্য ছিল, 'যদি ৯ কোটি ইরানির জন্য ৯ কোটি বাঙ্কার তৈরি করা যায়, তবেই আমার জন্য একটি বাঙ্কার তৈরি করা যেতে পারে।'

খামেনেইর পরিবার সূত্রেও একই মনোভাবের কথা জানা যায়। পরিবারের সদস্যদের উদ্ধৃত করে ইলাহি বলেন, খামেনেই মনে করতেন একজন প্রকৃত নেতা কখনও সাধারণ মানুষের থেকে আলাদা জীবনযাপন করতে পারেন না। তিনি বলতেন, 'আমি যদি নিজের জন্য আলাদা নিরাপদ জীবন বেছে নিই, তাহলে আর এই দেশের নেতা থাকার নৈতিক অধিকার থাকবে না।'

Advertisement

এখানেই শেষ নয়। ইলাহির দাবি, খামেনেই বহুদিন ধরেই শহিদ হওয়ার ইচ্ছার কথা বলতেন। ইসলাম ধর্মে শহিদত্বকে অত্যন্ত সম্মানের বলে মনে করা হয়। সেই প্রসঙ্গেই তিনি জানান, কয়েক মাস আগে খামেনেই একাধিকবার বলেছিলেন; তিনি বৃদ্ধ হয়ে গিয়েছেন এবং আশঙ্কা করছেন, হয়তো হাসপাতালের বিছানায় বা কোনও সাধারণ কারণে তাঁর মৃত্যু হতে পারে। কিন্তু তিনি তা চাননি। বরং তিনি শহিদ হতে চেয়েছিলেন।

শেষ পর্যন্ত সেই আশঙ্কাই সত্যি হয়। চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের(Iran) রাজধানীতে তাঁর সরকারি কমপাউন্ডে ভয়াবহ হামলা চালানো হয়। অভিযোগ, যৌথভাবে ওই হামলা চালায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েল। বাঙ্কার-ধ্বংসী বোমা ব্যবহার করে চালানো সেই বিমান হামলাতেই প্রাণ হারান খামেনেই।

Read more!
Advertisement
Advertisement