
অনেক দিন ধরেই জল্পনা চলছিল। আজ অর্থাত্ মঙ্গলবার সব বিতর্কের অবসান। কংগ্রেসেই যোগ দিলেন বামপন্থী ছাত্র নেতা কানহাইয়া কুমার। কানহাইয়ার সঙ্গেই কংগ্রেসে যোগ দিলেন গুজরাতের বিধায়ক জিগনেশ মেওয়ানি। কানহাইয়া ও জিগনেশের দলে যোগদান নিয়ে কংগ্রেসের মধ্যে বিবাদ শুরু হয়ে গিয়েছে। একদিকে কানহাইয়ার যোগদানের বিরোধিতা করছেন প্রবীণ কংগ্রেস নেতা মণীশ তিওয়ারি আবার অন্যদিকে টার্গেট করেছে বিজেপি-ও।
আজই কংগ্রেসে আনুষ্ঠানিক ভাবে যোগ দিলেন কানহাইয়া। ইতিমধ্যেই কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপি-তে যোগ দিয়েছেন একাধিক নেতা। আবার কংগ্রেসে যোগও দিচ্ছেন বেশ কয়েকজন।
কানহাইয়াকে স্বাগত জানাতে ইতিমধ্যেই দিল্লিতে কংগ্রেসের সদর দফতরে সাজো সাজো রব। রাহুল গান্ধীর সঙ্গে কানহাইয়ার ছবি দিয়ে হোর্ডিং লাগানো হয়েছে।
প্রশ্ন তুললেন মণীশ তিওয়ারি
কংগ্রেস সাংসদ তথা প্রবীণ নেতা মণীশ তিওয়ারি কানহাইয়ার যোগদানে প্রশ্ন তুলেছেন। ট্যুইটারে তিনি কানহাইয়াকে কটাক্ষ করে লিখেনে, 'কিছু কমিউনিস্ট নেতার কংগ্রেসে যোগ দেওয়ার জল্পনা চলছে। ১৯৭৩ সালের সেই বই, কমিউনিস্টস ইন কংগ্রেস পড়ে আসা উচিত। বিষয় যত বদলায় ততই একই রকম লাগে।'
জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের জনপ্রিয় ছাত্রনেতা
২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে বিহারের বেগুলরাই কেন্দ্র থেকে প্রার্থীও হয়েছিলেন কানহাইয়া। কিন্তু জিততে পারেননি। তার পর থেকে তাঁকে সেভাবে সক্রিয় রাজনীতিতে দেখা যায়নি। তিনি একসময় দিল্লির জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদের সভাপতি ছিলেন। সেই সময় ওই বিশ্ববিদ্যালয়ে দেশবিরোধী স্লোগান দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে কানহাইয়ার বিরুদ্ধে। তবে কানহাইয়া কুমার জাতীয় স্তরে বেশ জনপ্রিয় রাজনীতিক। অন্যদিকে ২০১৭ সালে গুজরাতের ভোট সংরক্ষিত ভদগাম কেন্দ্র থেকে কংগ্রেসের সমর্থনে রাষ্ট্রীয় দলিত অধিকার মঞ্চের তরফে বিধায়ক হয়েছিলেন জিগ্নেশ মেভানি। নিজের কংগ্রেসে যোগদানের খবর আগেই নিশ্চিত করেছেন তিনি।
যুবনেতা টানতে মরিয়া কংগ্রেস
জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া, সুস্মিতা দেব, জিতিন প্রসাদ এবং প্রিয়াঙ্কা চতুর্বেদীর মতো যুব নেতা, নেত্রীরা ইতিমধ্যেই কংগ্রেস ত্যাগ করেছেন। হাইকম্যান্ডের আশা, কানহাইয়া, জিগনেশের মতো যুব নেতারা এসে সেই শূন্যস্থান ভরিয়ে দেবেন। তাঁরা দলে এলে সংগঠন পোক্ত হবে। দলের যুব কর্মীরা বিশেষ করে উৎসাহিত হবেন।