Advertisement

Maharashtra Politics: বাংলার পর মহারাষ্ট্রেও সাংসদ-বিদ্রোহ? ৯ MP-এর মধ্যে উদ্ধবের সঙ্গ ছাড়তে পারেন ৭

পশ্চিমবঙ্গের পর এবার মহারাষ্ট্রেও সাংসদদের ঘর বদল? উদ্ধব ঠাকরের শিবসেনা (UBT)-র ৯ জন সাংসদের মধ্যে ৭ জনই নাকি একনাথ শিন্ডে শিবিরের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন। এমনই দাবি তুলল শিন্ডে গোষ্ঠী।

উদ্ধব ঠাকরের শিবসেনা (UBT)-র ৯ জন সাংসদের মধ্যে ৭ জনই নাকি একনাথ শিন্ডে শিবিরের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন।উদ্ধব ঠাকরের শিবসেনা (UBT)-র ৯ জন সাংসদের মধ্যে ৭ জনই নাকি একনাথ শিন্ডে শিবিরের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন।
Aajtak Bangla
  • কলকাতা ,
  • 16 Jun 2026,
  • अपडेटेड 8:07 PM IST
  • ৭ জনই নাকি একনাথ শিন্ডে শিবিরের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন।
  • এমনই বিস্ফোরক দাবি করল শিন্ডে গোষ্ঠী।
  • মহারাষ্ট্রেও 'বিদ্রোহী' সাংসদদের খবর নিঃসন্দেহে তাৎপর্যপূর্ণ। 

Maharashtra Politics: ফের উত্তাল মহারাষ্ট্রের রাজনীতি। উদ্ধব ঠাকরের শিবসেনা (UBT)-র ৯ জন সাংসদের মধ্যে ৭ জনই নাকি একনাথ শিন্ডে শিবিরের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন। এমনই বিস্ফোরক দাবি করল শিন্ডে গোষ্ঠী। পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতি বর্তমানে TMC সাংসদদের 'বিদ্রোহ' নিয়ে সরগরম। এহেন আবহে মহারাষ্ট্রেও 'বিদ্রোহী' সাংসদদের খবর নিঃসন্দেহে তাৎপর্যপূর্ণ। শিন্ডে গোষ্ঠীর বিধান পরিষদ সদস্য কৃপাল তুমানে সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, উদ্ধবের দলের ৭ জন সাংসদ তাঁদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন। বাদল অধিবেশন শুরুর আগেই তাঁরা শিবির বদল করতে পারেন বলেও দাবি তাঁর। সূত্রের খবর, ৭ জুন দিল্লিতে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রতাপরাও যাদবের বাসভবনে শিন্ডে শিবির এবং ইউবিটি-র কয়েক জন সাংসদের মধ্যে বৈঠকও হয়েছিল। যদিও সেই বৈঠক নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি।

শিন্ডে শিবিরের দাবি, দলবদল করলে সংশ্লিষ্ট সাংসদদের ভবিষ্যতে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা সম্প্রসারণে সুযোগ এবং গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে। যদিও এই বিষয়ে কোনও সরকারি ঘোষণা হয়নি।

উল্লেখ্য, এই নিয়ে মুম্বইয়ের 'মাতোশ্রী' নিবাসে দলের সাংসদ এবং বিধায়কদের নিয়ে জরুরি বৈঠক ডাকেন উদ্ধব ঠাকরে। বৈঠকে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, কেউ দল ছাড়তে চাইলে তাঁকে আটকানো হবে না। তবে কঠিন সময়ে দল ছেড়ে গেলে ভবিষ্যতে তার ফল ভোগ করতে হতে পারে বলেও ইঙ্গিত দেন তিনি।

এ দিকে, ইউবিটি নেতা সঞ্জয় রাউত শিন্ডে শিবিরের দাবি সম্পূর্ণ উড়িয়ে দিয়েছেন। তাঁর কথায়, 'আমাদের সংসদীয় দল সম্পূর্ণ ঐক্যবদ্ধ। সব সাংসদই উদ্ধবজির নেতৃত্বে আস্থা রেখেছেন।' তিনি আরও দাবি করেন, কয়েকদিন আগেই অনুষ্ঠিত বৈঠকে সব সাংসদ উপস্থিত ছিলেন এবং দল ছাড়ার কোনও প্রশ্নই ওঠে না।

বিতর্কের মাঝে ইউবিটি সাংসদ সঞ্জয় দেশমুখের সঙ্গে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রতাপরাও যাদবের সাক্ষাৎ নিয়েও জল্পনা তৈরি হয়েছে। যদিও সেই সাক্ষাৎ ব্যক্তিগত কারণে হয়েছিল বলে ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে। সঞ্জয় রাউতের দাবি, এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হচ্ছে।

Advertisement

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এহেন দাবিতে সিঁদুরে মেঘ দেখাটাই স্বাভাবিক। অনেকের মনেই এটি ২০২২ সালের সেই ঐতিহাসিক শিবসেনা ভাঙনের স্মৃতি ফের উসকে দিয়েছে। সে সময় ৫৫ জন বিধায়কের মধ্যে ৪০ জন একনাথ শিন্ডের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন। পরবর্তী সময়ে শিন্ডে মুখ্যমন্ত্রী হন এবং নির্বাচন কমিশন শিবসেনার 'ধনুক-তীর' প্রতীকও তাঁর গোষ্ঠীকে দিয়ে দেয়।

এ বার যদি সত্যিই ইউবিটি-র একাধিক সাংসদ শিবির বদল করেন, তা হলে মহা বিকাশ আঘাড়ি জোটের জন্য বড় ধাক্কা হতে পারে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। যদিও আপাতত শিন্ডে শিবিরের দাবি এবং ইউবিটি-র পাল্টা বক্তব্যের মধ্যেই পুরো বিষয়টি সীমাবদ্ধ রয়েছে। বাস্তবে কত জন সাংসদ শিবির বদল করেন, এখন সেদিকেই নজর মহারাষ্ট্রের রাজনৈতিক মহলের।

Read more!
Advertisement
Advertisement