
'ককরোচ জনতা পার্টি' জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে এবং ভিন্নতম নিয়ে সরব হয়েছে, সে কারণেই কি কেন্দ্র দমন নীতি অবলম্বন করল? রাতারাতি লাইমলাইটে আসা এই এক্স হ্যান্ডল বন্ধ হয়ে যেতেই প্রশ্ন তুললেন তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র। সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের করা 'আরশোলা' মন্তব্যের পরই আত্মপ্রকাশ ঘটে এই 'ককরোচ জনতা পার্টি'-র।
নিজের এক্স হ্যান্ডলে মহুয়া মৈত্র লেখেন, 'এটা ফ্যাসিজম, ডেমোক্রেসি নয়। এ দেশের যুব সম্প্রদায়ের থেকে এতটাই ভীত আমাদের কেন্দ্রের সরকার, একটা ভার্চুয়াল আন্দোলনও সহ্য করতে পারছে না। তাহলে ভাবুন বিরোধী হিসেবে আমাদের কী কী সহ্য করতে হয়।'
সংবাদমাধ্যমের রিপোর্ট অনুযায়ী, ককরোচ জনতা পার্টির এক্স অ্যাকাউন্ট ব্লক করে দেওয়া হয়েছে IB ইনপুট পাওয়ার পর। কারণ হিসেবে জানানো হয়েছে, 'জাতীয় সুরক্ষার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ।' ২০০০ সালের IT অ্যাক্ট অনুযায়ী, তথ্য ও প্রযুক্তি মন্ত্রক ৬৯এ ধারায় এই অ্যাকাউন্ট ব্লক করেছে।
আম আদমি পার্টির নেতা এবং দিল্লির প্রাক্তন উপমুখ্যমন্ত্রী মণীশ সিসোদিয়া এই 'ককরোচ জনতা পার্টি'-র প্রশংসা করে তাদের সমর্থনের কথা জানিয়েছেন। বলেছেন, 'বর্তমান সিস্টেম কুমীরে ভর্তি। যখন কুমীর এবং আরশোলার মধ্যে লড়াই হয়, আমি গর্বিত ভাবে ককরোচ জনতা পার্টিকেই সমর্থন জানাব।'
কী এই 'ককরোচ জনতা পার্টি'?
এটি একটি জেন জি ক্যাম্পেন। রাজনৈতিক মিম তৈরির মধ্যে দিয়েই জন্ম হয় এই পার্টির। জন্মদাতা অভিষেক দিপকে। মাত্র কয়েকদিন আগে সোশ্যাল মিডিয়ায় রাজনৈতিক মিম তৈরির মাধ্যমে যে ট্রেন্ড শুরু হয়েছিল, তা চোখের পলকে একটি ডিজিটাল সেনসেশনে পরিণত হয়েছে। বেকারত্ব, পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস, রাজনৈতিক অসন্তোষ এবং রাষ্ট্রকে নানাবিধ বিষয়ের জন্য দায়ী করে কটাক্ষসুলভ মিম তৈরি হচ্ছিল। যেগুলি দেদার শেয়ার করছিল যুব সম্প্রদায়। নাম দেওয়া হয় ককরোচ জনতা পার্টি।