
দিল্লিতে আটক মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শনিবার সাউথ অ্যাভিনিউয়ে বাসস্ট্যান্ডের সামনে ধর্না দিচ্ছিলেন মমতা-সহ ৪ সাংসদ। তাঁদের হাতে ছিল নির্বাচন কমিশন জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে পোস্টার। সেই সময় সেখানে পুলিশ পৌঁছায়। জানানো হয়, ১৬৩ ধারা চলছে। তাই ধর্না দেওয়া যাবে না। কিন্তু মমতা এবং তাঁর সঙ্গে থাকা সাংসদেরা জানান, তাঁরা শান্তিপূর্ণ ভাবে অবস্থান করছেন। এর পরেই তাঁদের আটক করে পুলিশ।মমতার সঙ্গে ছিলেন তৃণমূলের চার সাংসদ। আটক হওয়া সাংসদের মধ্যে রয়েছেন ডেরেক ও’ব্রায়েন, দোলা সেন, প্রতিমা মণ্ডল, সামিরুল ইসলাম এবং সাকেত গোখলে। তাঁদের কোথায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে, তা প্রতিবেদন লেখার সময় পর্যন্ত জানা যায়নি।
দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালকেও এদিন আটক করা হয়েছে। ত্রিপুরার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার এবং কেরলের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়নের বিরুদ্ধেও পুলিশি পদক্ষেপ করা হয়েছে। সেই হিসেবে চার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে আটক করা হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।
আটক ছাত্রনেত্রী নেহা বোরাও
পুলিশের হাতে আটক হয়েছেন অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন (আইসা)-এর কেন্দ্রীয় সভাপতি নেহা বোরাও। তাঁকে একটি পুলিশ বাসে আটক রাখা হয়।
এর আগে এক্সে একটি পোস্টে নেহা জানিয়েছিলেন, প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলনের জায়গা বদল করা হয়েছে। নয়াদিল্লির যন্তর মন্তরের পরিবর্তে দিল্লি হাটে কর্মসূচি সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার কথা জানানো হয়েছিল। সেই ঘোষণার পরেই তাঁকে আটক করা হয়।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন ঘিরে বিরোধী রাজনৈতিক শিবির ক্রমেই চাপ বাড়াচ্ছে। দিল্লির এই পরিস্থিতিকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক চাপানউতর আরও বাড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।