Advertisement

স্ত্রী, দুই মেয়েকে খুন করে আত্মঘাতী, সুইসাইড নোটে লেখা 'শেষ ইচ্ছে'

কর্নাটকের মাইসুরু জেলার হুনসুর শহরে একই পরিবারের চার সদস্যের মৃত্যুকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। অভিযোগ, এক ব্যক্তি প্রথমে তাঁর স্ত্রী ও দুই মেয়েকে শ্বাসরোধ করে খুন করেন। এরপর নিজেই গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মঘাতী হন। বুধবার নিউ মারুতি লেআউট এলাকা থেকে এই মর্মান্তিক ঘটনার খবর সামনে আসে।

স্ত্রী ও কন্যাদের খুনের পর আত্মঘাতী ব্যক্তি।-ফাইল ছবিস্ত্রী ও কন্যাদের খুনের পর আত্মঘাতী ব্যক্তি।-ফাইল ছবি
Aajtak Bangla
  • দিল্লি,
  • 22 Jul 2026,
  • अपडेटेड 11:23 AM IST
  • কর্নাটকের মাইসুরু জেলার হুনসুর শহরে একই পরিবারের চার সদস্যের মৃত্যুকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।
  • অভিযোগ, এক ব্যক্তি প্রথমে তাঁর স্ত্রী ও দুই মেয়েকে শ্বাসরোধ করে খুন করেন।

কর্নাটকের মাইসুরু জেলার হুনসুর শহরে একই পরিবারের চার সদস্যের মৃত্যুকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। অভিযোগ, এক ব্যক্তি প্রথমে তাঁর স্ত্রী ও দুই মেয়েকে শ্বাসরোধ করে খুন করেন। এরপর নিজেই গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মঘাতী হন। বুধবার নিউ মারুতি লেআউট এলাকা থেকে এই মর্মান্তিক ঘটনার খবর সামনে আসে।

পুলিশ জানিয়েছে, মৃত ব্যক্তির নাম হরিশ (৪৯)। তাঁর স্ত্রী নিশ্চিতা (৩৬) এবং দুই মেয়ে নেক্সা (১৩) ও রক্ষা (৬)-র দেহও বাড়ি থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, হরিশ প্রথমে স্ত্রী ও দুই মেয়ের মুখ আঠালো টেপ দিয়ে বেঁধে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন। এরপর বাড়ির প্রথম তলার একটি ঘরে গিয়ে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মঘাতী হন।

ঘটনাস্থল থেকে একটি সুইসাইড নোটও উদ্ধার হয়েছে। নোটের শুরুতেই লেখা ছিল, “আমি উপরের ঘরে ঝুলছি।” তার নিচে 'My Last Wishes' শিরোনামে তাঁর কয়েকটি শেষ ইচ্ছার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। তবে সেই ইচ্ছাগুলির বিস্তারিত বিষয়বস্তু প্রকাশ করেনি পুলিশ। কেন তিনি এমন ভয়াবহ পদক্ষেপ করলেন, তা এখনও স্পষ্ট নয়। পারিবারিক অশান্তি, আর্থিক সংকট নাকি অন্য কোনও ব্যক্তিগত কারণ এই ঘটনার নেপথ্যে রয়েছে, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।

হুনসুর টাউন থানার পুলিশ অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে। চারটি দেহই ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি পরিবারের সদস্য ও আত্মীয়দের সঙ্গে কথা বলে ঘটনার প্রকৃত কারণ জানার চেষ্টা চলছে। ঘটনার খবর প্রকাশ্যে আসতেই এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। প্রতিবেশীদের দাবি, পরিবারটিকে বাইরে থেকে স্বাভাবিক বলেই মনে হতো। তাই এমন মর্মান্তিক ঘটনার খবর পেয়ে তাঁরাও বিস্মিত ও হতবাক।

 

Read more!
Advertisement
Advertisement