Advertisement

Manipur: ফের মণিপুর জ্বলছে, ৩ জন সাধারণ নাগরিকের মৃত্যু, বাড়িঘরে আগুন, কী পরিস্থিতি?

মণিপুরের কাংপোকপি জেলায় নতুন করে হিংসা শুরু হয়। হিংসায় কয়েকটি বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই সংঘাতে রাজ্যের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ পুনরায় বাড়িয়ে তুলেছে। ঘটনাটি ঘটে ভোর ৪টা ১০ মিনিটের দিকে।

মণিপুরমণিপুর
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 05 Jun 2026,
  • अपडेटेड 12:09 PM IST

ফের অশান্ত মণিপুর। কাংপোকপি জেলায় নতুন করে হিংসা শুরু। নিহত তিনজন সাধারণ নাগরিককে কেন্দ্র করে শুক্রবার ভোরে অশান্তি শুরু হয়। হিংসায় কয়েকটি বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই সংঘাতে রাজ্যের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ পুনরায় বাড়িয়ে তুলেছে। ঘটনাটি ঘটে ভোর ৪টা ১০ মিনিটের দিকে। ওই এলাকায় গোলাগুলির খবর মেলে। যদিও এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে সংঘর্ষের পরিস্থিতি বা কারা এতে জড়িত তা নিশ্চিত করেনি।

নিহত তিনজন হলেন মাংলুন হাওকিপের ছেলে লেতখোংগাম হাওকিপ, তাঁর স্ত্রী তিনমারি হাওকিপ এবং সেইখোহাও হাওকিপের ছেলে জাংমিনলাল হাওকিপ। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, নিহতরা ওই গ্রামেরই বাসিন্দা ছিলেন। ঘটনাটি কাংপোকপি জেলার নিউ কেইথেলমানবি এলাকার লোইবল খুল্লেন গ্রামে ঘটেছে।

বাসিন্দারা আরও জানিয়েছেন, হিংসার সময় কুকি সম্প্রদায়ের সদস্যদের একাধিক বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। প্রাথমিক স্থানীয় বিবরণ থেকে জানা যায়, অন্তত তিনটি বাড়ি পুড়ে গেছে। তবে, কুকি সম্প্রদায়ের একটি বিশিষ্ট নাগরিক সমাজ সংগঠন, কুকি ইনপি মণিপুর (কেআইএম), এক বিবৃতিতে দাবি করেছে, সাতটি বাড়িতে আগুন লাগানো হয়েছে। সাধারণ মানুষের সম্পত্তির ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।

তাদের বিবৃতিতে, কেআইএম অভিযোগ করেছে ন্যাশনাল সোশ্যালিস্ট কাউন্সিল অফ নাগালিম-ইস্যাক মুইভাহ (এনএসসিএন-আইএম) এবং জেলিয়াংরং ইউনাইটেড ফ্রন্ট (জেডইউএফ-কে)-এর একটি অংশের সশস্ত্র ক্যাডাররা এই হামলার জন্য দায়ী। সংগঠনটি এই ঘটনাকে বেসামরিক নাগরিকদের ওপর হামলা হিসেবে বর্ণনা করেছে। এই হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। যদিও অভিযোগগুলো যাচাই করা হয়নি।

নিহতদের পরিবারের প্রতি কিমের সমবেদনা
এই ঘটনাকে মানবাধিকারের গুরুতর লঙ্ঘন আখ্যা দিয়ে কিম জবাবের দাবি জানিয়েছে। দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য কর্তৃপক্ষকে আহ্বান জানিয়েছে। সংস্থা নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছে। হামলায় যারা ঘরবাড়ি ও সম্পত্তি হারিয়েছেন, সেই বাসিন্দাদের প্রতি সংহতি প্রকাশ করেছে।

কিম ভারত সরকার ও নিরাপত্তা সংস্থাগুলোকে এই ঘটনার পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত করতে, ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করতে এবং এই অঞ্চলের ঝুঁকিপূর্ণ গ্রামগুলোর সুরক্ষা জোরদার করার জন্য আবেদন জানিয়েছেন।

Advertisement

জানা গেছে, হিংসার পর নিরাপত্তা বাহিনী ওই এলাকায় নজরদারি বাড়িয়েছে। কর্মকর্তারা এখনও এই ঘটনা নিয়ে বিস্তারিত বিবৃতি দেননি। তদন্ত চলছে। কর্তৃপক্ষ সরেজমিন পরিস্থিতি মূল্যায়ন করার পর আরও বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

Read more!
Advertisement
Advertisement