Advertisement

Muzaffarpur Hospital Fire: বিহারের হাসপাতালে ভয়াবহ আগুন, মৃত ৩, উদ্ধার করা রোগীদের অনেকেই আশঙ্কাজনক

ভয়াবহ আগুনের গ্রাসে বিহারের মুজফ্ফরপুরের ব্রহ্মপুরার প্রসাদ হাসপাতাল। আইসিইউ ওয়ার্ডে লাগে আগুন। তাতে মৃত ৩। আহত ২০ বলে খবর মিলছে।

বিহারের হাসপাতালে আগুনবিহারের হাসপাতালে আগুন
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 04 Jun 2026,
  • अपडेटेड 6:58 AM IST
  • ভয়াবহ আগুনের গ্রাসে বিহারের মুজফ্ফরপুরের ব্রহ্মপুরার প্রসাদ হাসপাতাল
  • আইসিইউ ওয়ার্ডে লাগে আগুন
  • আহত ২০ বলে খবর মিলছে

ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড বিহারের মুজফ্ফরনগরের একটি হাসপাতালে। তাতে মৃত ৩। অন্তত ২০ রোগী গুরুতর আহত বলে খবর মিলছে। 

যতদূর জানা যাচ্ছে, ভোরের দিকে ভয়ঙ্কর আগুন লাগে মুজফ্ফরপুরের ব্রহ্মপুরার প্রসাদ হাসপাতালে। আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। হাসপাতালের পঞ্চম তলে অবস্থিত আইসিইউ ওয়ার্ডেই প্রথম আগুন লাগে। তারপর সেটা ছড়াতে শুরু করে। এরপর গোটা হাসপাতাল কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায়। 

প্রাথমিক রিপোর্টে জানা যাচ্ছে, শর্ট শার্কিটের জন্যই আগুন লেগেছে। এতে ২০ জনের মতো আহত হয়েছে। তাঁদের অবশ্য উদ্ধার করে আনা সম্ভব হয়েছে। যদিও আহতদের মধ্যে অনেকের অবস্থাই আশঙ্কাজনক। তাই মৃতের সংখ্যা বাড়তে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। 

ভোর ৩টে নাগাদ আগুন লাগে
যতদূর খবর, ভোর ৩টে নাগাদ লাগে আগুন। খবর পেয়েই সেখানে পৌঁছে যায় দমকলের ইঞ্জিন। দমকলের ১২টি ইঞ্জিন সেখানে পৌঁছে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে। পাশাপাশি দ্রুত উদ্ধার কাজ শুরু হয়। হাসপাতালের কাচ ভেঙে ভিতরে প্রবেশ করেন দমকলকর্মীরা। তারপর আইসিইউ থেকে বের করে আনা হয় আটকে থাকা রোগীদের। দ্রুত তাঁদের নিরাপদ আশ্রয়ে পৌঁছে দেওয়া হয়। যদিও এখন তাঁদের মধ্যে অনেকের অবস্থাই আশঙ্কাজনক বলে জানা যাচ্ছে।

এই ঘটনা নিয়ে মুখ খুলেছেন দমকলকর্মী আর এন পান্ডে। তিনি বলেন, 'আমরা ভোর ৩টে নাগাদ খবর পাই। আমরা পৌঁছতে পৌঁছতে পরিস্থিতি জটিল দিকে মোড় নিয়েছে। পুরো আইসিইউ ওয়ার্ডে তখন প্রচুর কালো ধোঁয়া।'

তিনি জানান, মোটামুটি ২০ জনকে নিরাপদে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। কিন্তু ১০ জনের মৃত্যুও হয়েছে। 

হাসপাতালের কর্মীরা প্রথমেই পালিয়ে গিয়েছেন বলে অভিযোগ
এই ঘটনা সামনে আসার পরই এলাকার মানুষ এবং রোগীর আত্মীয়েরা ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন। আগুন লাগার সময় সেখানে উপস্থিত মানুষের দাবি, আগুন লাগার পর হাসপাতালের অ্যাডিমিনিস্ট্রেশন নিজেরাই আগে পালিয়ে যায়। তাঁরা রোগীদের বাঁচানোর চেষ্টাই করেনি। 

তাঁদের অভিযোগ, এই ঘটনা ঘটার পরই হাসপাতাল কর্মী থেকে শুরু করে চিকিৎসক, সকলেই রোগীকে ফেলে নিজেরে পালান। এমনকী মৃতদের পরিবারের হাতে দেহ তুলে দেওয়া হয়নি বলেও অভিযোগ রয়েছে। আর এই অভিযোগ স্বীকার করে নিয়েছেন দমকলকর্মীরাও। তাঁদের দাবি, যখন তাঁরা হাসপাতালে আসেন, তখন সেখানে হাসপাতালের অধিকাংশ কর্মীই উপস্থিত ছিলেন না। এখন দেখার পরিস্থিতি ঠিক কোন দিকে যায়। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়ে কি না।  

Advertisement

 

Read more!
Advertisement
Advertisement