Advertisement

নাবালিকাকে মাদক খাইয়ে বার বার ধর্ষণ ও গর্ভপাত, তবুও ধর্ষককেই বিয়ে করতে চায় কিশোরী

ইন্সটাগ্রামে আলাপ করে এক নাবালিকাকে বার বার ধর্ষণ করার অভিযোক উঠল এক যুবকের বিরুদ্ধে। শুধু তাই নয়, একাধিকবার ধর্ষণে এই কিশোরী গর্ভবতী হয়ে পড়লে তাকে জোর করে গর্ভপাত করা হয়। কিন্তু সবাইকে অবাক করে দিয়ে ওই কিশোরী ধর্ষক যুবককেই বিয়ে করতে চায়। ঘটনাটি বিহারের মুজাফফরপুরের। 

Aajtak Bangla
  • দিল্লি,
  • 20 Jun 2026,
  • अपडेटेड 12:46 PM IST
  • ইন্সটাগ্রামে আলাপ করে এক নাবালিকাকে বার বার ধর্ষণ করার অভিযোক উঠল এক যুবকের বিরুদ্ধে।
  • শুধু তাই নয়, একাধিকবার ধর্ষণে এই কিশোরী গর্ভবতী হয়ে পড়লে তাকে জোর করে গর্ভপাত করা হয়।

ইন্সটাগ্রামে আলাপ করে এক নাবালিকাকে বার বার ধর্ষণ করার অভিযোক উঠল এক যুবকের বিরুদ্ধে। শুধু তাই নয়, একাধিকবার ধর্ষণে এই কিশোরী গর্ভবতী হয়ে পড়লে তাকে জোর করে গর্ভপাত করা হয়। কিন্তু সবাইকে অবাক করে দিয়ে ওই কিশোরী ধর্ষক যুবককেই বিয়ে করতে চায়। ঘটনাটি বিহারের মুজাফফরপুরের। 

পুলিশ জানিয়েছে, মেয়েটি জানিয়েছে যে পারিবারিক সীমাবদ্ধতা ও আর্থিক কষ্টের কারণে সে একটি মলে কাজ করত। এবং ইনস্টাগ্রামের মাধ্যমে এলাকারই কাছাকাছি অন্য একটি মলে কর্মরত এক যুবকের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। আলাপের পর দুজনের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা বাড়ে। মেয়েটি তার অভিযোগে জানায় যে, ওই যুবক তাকে তার জন্মদিনের পার্টিতে আমন্ত্রণ জানায়। যেখানে সে তার ঠান্ডা পানীয়তে নেশাজাতীয় দ্রব্য মিশিয়ে দেয়। মেয়েটি জ্ঞান হারানোর পর অভিযুক্ত তাকে ধর্ষণ করে।

ধর্ষিতা নাবালিকা আরও জানিয়েছে, ঘটনার পর অভিযুক্ত যুবক তাকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ব্ল্যাকমেল করতে থাকে। বিয়ের মিথ্যে অজুহাতে অভিযুক্ত ব্যক্তি তাকে ঘন ঘন নিজের বাড়িতে ডাকতে শুরু করে এবং ক্রমাগত ধর্ষণ করে।

একসময় মেয়েটি গর্ভবতী হলে অভিযুক্ত তাকে বেশ কয়েকবার জোর করে গর্ভপাতের বড়ি খাওয়ায়। ভুক্তভোগী মেয়েটি বিয়ের জন্য চাপ দিলে অভিযুক্ত তার প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করে। অভিযোগে বলা হয়েছে, সে শুধু তাকে বিয়ে করতে সরাসরি অস্বীকারই করেনি, বরং মেয়েটিকে ব্ল্যাকমেল ও হয়রানি করতে শুরু করে।

পুলিশকর্তা সুরেশ কুমার বলেন, মেয়েটি এক যুবকের বিরুদ্ধে বিয়ের মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে যৌন শোষণ ও হয়রানির অভিযোগ করেছে। তার অভিযোগে ভুক্তভোগী মেয়েটি অভিযুক্তকে বিয়ে করার দাবিও জানিয়েছে। আবেদনের ভিত্তিতে এফআইআর দায়ের করার প্রক্রিয়া চলছে এবং পুলিশ বিষয়টি তদন্ত চালাচ্ছে।
 

 

Read more!
Advertisement
Advertisement