Advertisement

NAG MK-2 Missile: শত্রুদের ঘুম উড়বে! ট্যাঙ্ক, গাড়ি তাড়া করে গুঁড়িয়ে দেবে এই নতুন মিসাইল

আরও শক্তি বাড়তে চলেছে ভারতীয় সেনার। ট্যাঙ্ক ধ্বংসকারী NAG MK-2 অ্যান্টি-ট্যাঙ্ক গাইডেড মিসাইল আসতে চলেছে জওয়ানদের হাতে। DRDO-র তৈরি এই মিসাইল। পোখরান ফিল্ড রেঞ্জে সফল ট্রায়ালের পর NAG MK-2-কে অপারেশনাল ব্যবহারের ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে।

পোখরান ফিল্ড রেঞ্জে সফল ট্রায়ালের পর NAG MK-2-কে অপারেশনাল ব্যবহারের ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে।পোখরান ফিল্ড রেঞ্জে সফল ট্রায়ালের পর NAG MK-2-কে অপারেশনাল ব্যবহারের ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে।
Aajtak Bangla
  • কলকাতা ,
  • 14 Sep 2026,
  • अपडेटेड 7:31 PM IST
  • আরও শক্তি বাড়তে চলেছে ভারতীয় সেনার।
  • ট্যাঙ্ক ধ্বংসকারী NAG MK-2 অ্যান্টি-ট্যাঙ্ক গাইডেড মিসাইল আসতে চলেছে জওয়ানদের হাতে।
  • পোখরান ফিল্ড রেঞ্জে সফল ট্রায়ালের পর NAG MK-2-কে অপারেশনাল ব্যবহারের ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে।

আরও শক্তি বাড়তে চলেছে ভারতীয় সেনার। ট্যাঙ্ক ধ্বংসকারী NAG MK-2 অ্যান্টি-ট্যাঙ্ক গাইডেড মিসাইল আসতে চলেছে জওয়ানদের হাতে। DRDO-র তৈরি এই মিসাইল। পোখরান ফিল্ড রেঞ্জে সফল ট্রায়ালের পর NAG MK-2-কে অপারেশনাল ব্যবহারের ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে।

NAG MK-2 ভারতের থার্ড জেনারেশনের ‘ফায়ার অ্যান্ড ফরগেট’ অ্যান্টি-ট্যাঙ্ক মিসাইল। অর্থাৎ, একবার টার্গেট সিলেক্ট করে দিলেই হল। এই মিসাইল ঠিক নিজেই সেই টার্গেট ফলো করে আঘাত করতে পারে। আধুনিক ট্যাঙ্কের পাশাপাশি বিস্ফোরক রিঅ্যাকটিভ আর্মার বা ERA লাগানো সাঁজোয়া যানও ধ্বংস করে দেবে। 

NAG MK-2-তে ঘুম উড়বে শত্রুদের 
NAG MK-2 আসলে NAG মিসাইলের বেটার ভার্সান। লম্বায় প্রায় ১.৮৩ মিটার। ব্যাস ১৫০ মিলিমিটার। ওজন প্রায় ৪২ কিলোগ্রাম।

এই মিসাইলে রয়েছে ট্যান্ডেম হিট ওয়ারহেড। এর ওজন প্রায় ৮ কিলোগ্রাম। এই প্রযুক্তির সাহায্যে প্রথমে ট্যাঙ্কের বিস্ফোরক রিঅ্যাকটিভ আর্মার ভেদ করে ফেলে। তার পর মূল ওয়ারহেড ট্যাঙ্কের ভিতরের শক্ত বর্মে আঘাত হানে।

NAG MK-2-তে ইমেজিং ইনফ্রারেড বা IIR সিকার রয়েছে। এটি প্যাসিভ হোমিং প্রযুক্তি ব্যবহার করে। ফলে লক্ষ্যবস্তুর তাপের সাহায্যে সেটিকে চিহ্নিত করে ফেলে। দিন বা রাত, বিভিন্ন আবহাওয়াতেও সমানভাবে কাজ করে।

মিসাইলটির মিনিমাম রেঞ্জ ৫০০ মিটার। সর্বোচ্চ রেঞ্জ ৭ থেকে ১০ কিলোমিটার। স্পিড প্রায় ২২০ থেকে ২৩০ মিটার প্রতি সেকেন্ড। জেট ভেন কন্ট্রোল সিস্টেম থাকায় আকাশে মিসাইলের গতিপথ নিয়ন্ত্রণও আগের চেয়ে বেটার হয়েছে।

ট্যাঙ্কের দুর্বল জায়গায় আঘাত
NAG MK-2-এর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হল ‘টপ অ্যাটাক’ ক্ষমতা। সাধারণত ট্যাঙ্কের উপরের অংশের বর্ম তুলনামূলক ভাবে পাতলা থাকে। মিসাইলটি উপর দিকে উঠে সেই দুর্বল অংশে আঘাত করতে পারে।

‘ফায়ার অ্যান্ড ফরগেট’ প্রযুক্তির আরও একটি বড় সুবিধা রয়েছে। মিসাইল ছোড়ার পর সেনাকে একই জায়গায় দাঁড়িয়ে থাকতে হয় না। ফলে আক্রমণের পর দ্রুত নিরাপদ জায়গায় সরে যাওয়ার সুযোগ থাকে।

এই মিসাইল NAMICA MK-2 গাড়িতে ব্যবহার করা যায়। এই গাড়িটি BMP-2-এর উপর ভিত্তি করে তৈরি। এর পাশাপাশি জোরাওয়ার লাইট ট্যাঙ্কেও NAG MK-2-এর সফল পরীক্ষা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

Advertisement

সেনার কী লাভ হবে?
NAG MK-2 ভারতীয় সেনার অ্যান্টি-ট্যাঙ্ক ক্ষমতা আরও শক্তিশালী করবে। এত দিন এই ধরনের অস্ত্রের ক্ষেত্রে পুরনো প্রযুক্তির কিছু মিসাইল এবং বিদেশি ব্যবস্থার উপর নির্ভর করতে হত। দেশীয় NAG MK-2 সেই নির্ভরতা কমাতে সাহায্য করবে।

বিশেষ করে সীমান্ত এলাকায় আধুনিক ট্যাঙ্কের মোকাবিলায় এই মিসাইল গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। NAMICA-এর মতো মোবাইল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে সেনা দ্রুত এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় এই অস্ত্র নিয়ে যেতে পারবে।

এই প্রকল্পের আর একটি বড় দিক হল ‘আত্মনির্ভর ভারত’। দেশেই মিসাইল তৈরি হওয়ায় বিদেশ থেকে অস্ত্র কেনার উপর নির্ভরতা কমবে।   

Read more!
Advertisement
Advertisement