
সামনেই উত্তরপ্রদেশের হাইভোল্টেজ বিধানসভা নির্বাচন আর তার আগেই দিল্লির রাজনৈতিক অলিন্দে বড়সড় রদবদলের হাওয়া। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তাঁর ক্যাবিনেটে এক অভাবনীয় পরিবর্তন আনতে চলেছেন বলে জানা গিয়েছে। সরকারের পারফরম্যান্স আরও জোরদার করতে এবং উত্তরপ্রদেশের ভোট সমীকরণকে মাথায় রেখে একাধিক হেভিওয়েট মন্ত্রীর দফতর ওলটপালট করা হচ্ছে।
এই রদবদলের মূল লক্ষ্য হলো আসন্ন নির্বাচনের আগে জাতপাত ও আঞ্চলিক ভারসাম্য বজায় রেখে আমজনতার কাছে সরকারের কাজের খতিয়ান আরও ইতিবাচকভাবে পৌঁছে দেওয়া। বেশ কিছু নতুন মুখকে যেমন ক্যাবিনেটে জায়গা দেওয়া হতে পারে তেমনই অনেক পুরনো এবং অভিজ্ঞ মন্ত্রীর মন্ত্রক বদলে বড় দায়িত্ব দেওয়ার পরিকল্পনা চূড়ান্ত হয়ে গিয়েছে।
দিল্লির এই নতুন রাজনৈতিক চালের জেরে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রকের দায়িত্বভার নতুন করে বণ্টন করা হচ্ছে যা নিয়ে ইতিমধ্যেই জোর চর্চা শুরু হয়েছে। রাজনৈতিক মহলের মতে উত্তরপ্রদেশ নির্বাচনকে পাখির চোখ করেই বিজেপির এই মহাপরিকল্পনা সাজানো হয়েছে। মন্ত্রীদের কাজে গতি আনা এবং জনকল্যাণমূলক প্রকল্পগুলি দ্রুত বাস্তবায়িত করার জন্য এই রদবদল অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ হতে চলেছে।
কোন মন্ত্রী কোন নতুন দফতর পাচ্ছেন তা নিয়ে চূড়ান্ত জল্পনার মাঝেই শীর্ষ নেতৃত্বের এই সিদ্ধান্ত বিরোধী শিবিরকেও নতুন করে ভাবিয়ে তুলেছে। সব মিলিয়ে ভোটের মুখে মোদি ক্যাবিনেটের এই খোলনলচে বদলে ফেলার সিদ্ধান্ত দেশের রাজনীতিতে এক নতুন মাত্রা যোগ করতে চলেছে।
৩০ জুন এবং ১ জুলাই রাষ্ট্রপতি আন্ধ্রপ্রদেশ সফরে থাকবেন। ১ জুলাই থেকে ৩ জুলাই পর্যন্ত জাপানের প্রধানমন্ত্রী ভারত সফরে আসবেন। ৪ জুলাই প্রধানমন্ত্রী রাজস্থান সফরে থাকবেন। ৫ জুলাই আপাতত প্রধানমন্ত্রীর সূচিতে কোনও কর্মসূচি নেই। এরপর ৬ জুলাই থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ইন্দোনেশিয়া, অস্ট্রেলিয়া এবং নিউজিল্যান্ডে ছয় দিনের বিদেশ সফরে রওনা হবেন। ১১ জুলাই পর্যন্ত তিনি এই সফরেই থাকবেন।
সেক্ষেত্রে প্রশ্ন উঠছে, ১১ জুলাই সফর শেষে দেশে ফেরার পর কি কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার সম্প্রসারণ হতে পারে। নাকি ৫ জুলাই, যখন প্রধানমন্ত্রীর সূচি তুলনামূলকভাবে ফাঁকা রয়েছে, সেদিনই মন্ত্রিসভার সম্প্রসারণের সম্ভাবনা রয়েছে। আবার এমনও হতে পারে, ১১ জুলাইয়ের পর যে কোনও সময় কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার সম্প্রসারণ করা হতে পারে।