
Dharmendra Pradhan: ইস্তফা দিলেন শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। নিট (NEET) পরীক্ষা বিতর্ক এবং ককরোচ জনতা পার্টির (CJP) লাগাতার আন্দোলনের মুখে শেষ পর্যন্ত পদত্যাগ করলেন। শনিবার সকাল থেকেই ফের রণক্ষেত্রের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল দিল্লি এবং বিহারের পটনায়। একদিকে দিল্লির টলস্টয় মার্গে পুলিশ ও আন্দোলনকারীদের দফায় দফায় সংঘর্ষ। কাঁদানে গ্যাসের সেল। ব়্যাফ। অন্য়দিকে ঠিক তখনই পটনার গান্ধী ময়দানে ছাত্র বিক্ষোভের সমর্থনে নেমে পুলিশের হাতে আটক হলেন বিহারের প্রাক্তন মন্ত্রী তেজপ্রতাপ যাদব। সেই প্রবল চাপের মুখে ইস্তফা দিলেন শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। শনিবার দিল্লির যন্তর মন্তর ও টলস্টয় মার্গ এলাকায় আন্দোলনকারীদের সঙ্গে দিল্লি পুলিশের দফায় দফায় ধস্তাধস্তি ও ইটবৃষ্টির ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে একাধিক কাঁদানে গ্যাসের সেল ফাটাতে বাধ্য হয় পুলিশ ও র্যাফ।
সোশ্যাল মিডিয়ায় 'পাক যোগ' ও ফেক নিউজের অভিযোগ দিল্লি পুলিশের
এদিন গোটা পরিস্থিতি নিয়ে তড়িঘড়ি সাংবাদিক সম্মেলন করেন দিল্লির ডিসিপি (DCP) রোহিত রাজবীর সিং। অভিযোগ করেন, যন্তর মন্তরের আন্দোলনকে উস্কে দিতে সোশ্যাল মিডিয়া, বিশেষ করে ইনস্টাগ্রামকে ব্যবহার করা হচ্ছে। দিল্লি পুলিশের দাবি, আন্দোলনে এক তরুণীর মৃত্যু ও সোনম ওয়াংচুককে নিয়ে একাধিক এআই (AI) ও ‘ডিপফেক’ (Deepfake) ভিডিও ছড়ানো হয়েছে। এর বহু অ্যাকাউন্ট সরাসরি পাকিস্তান থেকে পরিচালিত হচ্ছে বলেও দাবি করেন।
ইতিমধ্যেই প্রায় ৪০০-রও বেশি পাক-কানেক্টেড বিতর্কিত সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট চিহ্নিত করে ব্লক করা হয়েছে বলে জানিয়েছে দিল্লি পুলিশ। পাশাপাশি গুজবে কান না দিতে সাধারণ মানুষকে তথ্য যাচাই (Fact Check) করে পোস্ট করার অনুরোধ জানান। ভুয়ো খবর রুখতে একটি বিশেষ টাস্ক ফোর্স (Special Task Force) গঠনের কথাও ঘোষণা করে প্রশাসন।
পাটনায় আটক তেজপ্রতাপ, উত্তাল গান্ধী ময়দান
অন্যদিকে, দিল্লিতে আন্দোলন যখন তুঙ্গে, তখন একই পরিস্থিতি বিহারেও। প্রশ্নপত্র ফাঁস কাণ্ডে আন্দোলনে নেমেছেন পাটনার বহু পড়ুয়া ও বামপন্থী ছাত্র সংগঠনগুলি। আন্দোলনরত পড়ুয়াদের সমর্থনে পটনার গান্ধী ময়দানে উপস্থিত হতেই লালুপুত্র তেজপ্রতাপ যাদবকে আটক করে গাড়িতে তুলে নিয়ে যায় পুলিশ।
আটক হওয়ার মুহূর্তে তেজপ্রতাপ বলেন, 'আমি দেশের যুবসমাজ ও পড়ুয়াদের পাশে আছি। ওদের সুরক্ষার জন্য এবং ন্যায়ের দাবিতে আমি প্রাণ দিতেও প্রস্তুত।'