Advertisement

Neha Bora: 'ককরোচদের ডাকা বিক্ষোভে যাইনি,' হাইকোর্টে বললেন নেহা বোরা

ছাত্রনেত্রী নেহা বোরার আটক এবং তাঁর বিরুদ্ধে দিল্লি পুলিশের ব্যক্তিগত বন্ড জমা দেওয়ার নির্দেশকে সম্পূর্ণ বেআইনি বলে দাবি করলেন তাঁর আইনজীবী। একইসঙ্গে দিল্লি হাইকোর্টকে AISA সভাপতি বলেন, 'আমি CJP-র আন্দোলনের সঙ্গে জড়িত ছিলাম না।'

নেহা বোরা নেহা বোরা
Aajtak Bangla
  • নয়াদিল্লি,
  • 22 Oct 2026,
  • अपडेटेड 4:57 PM IST
  • 'আমি CJP-র আন্দোলনের সঙ্গে জড়িত ছিলাম না'
  • তাঁর বিরুদ্ধে দিল্লি পুলিশের ব্যক্তিগত বন্ড জমা দেওয়ার নির্দেশ বেআইনি
  • জানিয়ে দিলেন AISA সভাপতি নেহা বোরা

ছাত্রনেত্রী নেহা বোরার আটক এবং তাঁর বিরুদ্ধে দিল্লি পুলিশের ব্যক্তিগত বন্ড জমা দেওয়ার নির্দেশকে সম্পূর্ণ বেআইনি বলে দাবি করলেন তাঁর আইনজীবী। বৃহস্পতিবার এই সংক্রান্ত মামলার শুনানি হয় দিল্লি হাইকোর্টে। ১০ হাজার টাকার ব্যক্তিগত বন্ড জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়ে দিল্লি পুলিশের পাঠানো নোটিসকে চ্যালেঞ্জ করে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন নেহা বোরা। একইসঙ্গে AISA সভাপতি বলেন, 'আমি CJP-র আন্দোলনের সঙ্গে জড়িত ছিলাম না।'

আদালতে নেহা বোরার হয়ে সওয়াল করেন প্রবীণ আইনজীবী গোপাল শঙ্করনারায়ণন। তিনি বলেন, 'নেহাকে অল্প সময়ের জন্য আটক করা এবং দিল্লি পুলিশের তরফে তাঁকে যে নোটিস দেওয়া হয়েছে, দু'টিই সম্পূর্ণ বেআইনি।' পাশাপাশি তিনি জানান, কনট প্লেসে CJP-র পৃথক একটি বিক্ষোভ কর্মসূচির সঙ্গে নেহার কোনও যোগ ছিল না।

আইনজীবীর কথায়, 'কনট প্লেসের সেন্ট্রাল পার্কে যে কর্মসূচির ডাক দেওয়া হয়েছিল, তার সঙ্গে তিনি যুক্ত নন। তিনি নিজের কর্মসূচি নিয়ে মান্ডি হাউসে ছিলেন।'

এর আগে নয়াদিল্লির এক পুলিশ আধিকারিক, যিনি স্পেশাল এগজিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট (SEM) হিসেবে নিযুক্ত, নেহা বোরাকে সোমবার তাঁর সামনে হাজির হয়ে ১০ হাজার টাকার ব্যক্তিগত বন্ড জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন। ১৭ অক্টোবর এই নির্দেশ জারি করা হয়। ওই দিনই আটক হওয়ার পর মুক্তি পেয়েছিলেন তিনি।

কেন ব্যক্তিগত বন্ড জমা দেওয়ার নির্দেশ?
নেহা বোরাকে ব্যক্তিগত বন্ড জমা দিতে বলার পিছনে ৩টি কারণ উল্লেখ করেছিল পুলিশ। প্রথমত, ১৬ অক্টোবর মান্ডি হাউসে স্লোগান দেওয়ার অভিযোগ। দ্বিতীয়ত, ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার (BNSS) ১৬৩ ধারা অনুযায়ী, নিষেধাজ্ঞা জারি থাকা সত্ত্বেও যন্তর মন্তরের আশপাশে বারবার বিক্ষোভ কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার অভিযোগ। তৃতীয়ত, ১৬ অক্টোবর কনট প্লেসে বিক্ষোভে অংশ নেওয়ার জন্য মানুষকে উসকানি দেওয়ার অভিযোগ।

আইনজীবী অভীক চিমনির মাধ্যমে আদালতে দায়ের করা আবেদনে নেহা জানিয়েছেন, পুলিশের নোটিসটি প্রাথমিকভাবে অস্পষ্ট, তথ্যগতভাবে ভুল এবং সংবিধানের ১৯ ও ২১ নম্বর অনুচ্ছেদের পরিপন্থী।

Advertisement

আবেদনে আরও বলা হয়েছে, শান্তি বিঘ্নিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে যে দাবি করা হয়েছে, তার সমর্থনে কোনও তথ্যপ্রমাণ বা উপাদান দেওয়া হয়নি। কোন সময়, কোন উপলক্ষ বা কোন কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে শান্তি বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে, তাও নোটিসে স্পষ্ট করা হয়নি।

১৬ অক্টোবর ঠিক কী ঘটেছিল?
CJP-র প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে শুক্রবার সন্ধ্যায় পতাকা মিছিলের ঘোষণা করেন। তার আগে দলের দুই সহ-আহ্বায়ক সৌরভ দাস এবং আশুতোষ রাঙ্কাকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। আগের মঙ্গলবার যন্তর মন্তরে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের অভিযোগে তাঁদের গ্রেফতার করা হয়। পরে তাঁদের ৫ দিনের বিচারবিভাগীয় হেফাজতে পাঠানো হয়।

এরপর ১৬ অক্টোবর বিকেল ৫টা ১৫ মিনিটে AISA কর্মীদের সঙ্গে মান্ডি হাউস থেকে পতাকা মিছিল শুরু করেন নেহা বোরা। সেখান থেকেই তাঁকে আটক করে পুলিশ।

শুক্রবার আটক হওয়ার পর শনিবার সকাল ৬টায় মুক্তি পান নেহা। প্রায় ১২ ঘণ্টা তাঁকে আটক রাখা হয়েছিল। পরে পুলিশের এই পদক্ষেপের সমালোচনা করেন তিনি। রাতভর মানুষকে আটক রাখার আইনি ভিত্তি কী, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছিলেন ছাত্রনেত্রী।

 

Read more!
Advertisement
Advertisement