Advertisement

প্রকাশ্য জায়গায় পর্নোগ্রাফি দেখা নিষিদ্ধের আর্জি, সুপ্রিম কোর্ট বলল, 'আমাদের কাজ নয়'

আবেদনে দেশের জন্য একটি জাতীয় নীতি এবং কর্মপরিকল্পনা তৈরির দাবি জানানো হয়েছিল, যাতে বিশেষ করে অপ্রাপ্তবয়স্কদের পর্নোগ্রাফি দেখার প্রবণতা রোধ করা যায়। প্রকাশ্য স্থানে যে কোনও ধরনের পর্নোগ্রাফিক সামগ্রী দেখা নিষিদ্ধ করা হয়।

সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণ সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণ
Aajtak Bangla
  • দিল্লি ,
  • 13 Jul 2026,
  • अपडेटेड 8:09 PM IST
  • এই জনস্বার্থ মামলা (PIL) দায়ের করেছিলেন সমাজকর্মী বিএল জৈন
  • তাঁর পক্ষে সওয়াল করেন আইনজীবী বরুণ ঠাকুর

প্রকাশ্য জায়গায় পর্নোগ্রাফি দেখা নিষিদ্ধ করার জন্য কেন্দ্রকে নির্দেশ দেওয়ার আবেদন সোমবার খারিজ করে দিল সুপ্রিম কোর্ট। আদালত জানিয়েছে, এটি নীতি-নির্ধারণ সংক্রান্ত বিষয়, আদালতের হস্তক্ষেপের বিষয় নয়। আবেদনকারীকে এ বিষয়ে কেন্দ্র সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন জানানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি ভি. মোহনার বেঞ্চ জানায়, বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হলেও এটি এমন কোনও আইনি প্রশ্ন নয়, যার বিচার সুপ্রিম কোর্টের করা প্রয়োজন।

আবেদনে দেশের জন্য একটি জাতীয় নীতি এবং কর্মপরিকল্পনা তৈরির দাবি জানানো হয়েছিল, যাতে বিশেষ করে অপ্রাপ্তবয়স্কদের পর্নোগ্রাফি দেখার প্রবণতা রোধ করা যায়। প্রকাশ্য স্থানে যে কোনও ধরনের পর্নোগ্রাফিক সামগ্রী দেখা নিষিদ্ধ করা হয়।

তা নিয়ে আদালতের পর্যবেক্ষণ, 'নিঃসন্দেহে বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু এটি এমন কোনও আইনি প্রশ্ন নয়, যার নিষ্পত্তি এই আদালতের করা উচিত। এটি নীতি-সংক্রান্ত বিষয়, যেখানে প্রযুক্তিগত উন্নয়ন এবং বিশেষজ্ঞদের মতামত প্রয়োজন। এই ধরনের বিষয় বিশেষ করে ইলেকট্রনিক্স ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রকের আওতায় পড়ে।' 

এই জনস্বার্থ মামলা (PIL) দায়ের করেছিলেন সমাজকর্মী বিএল জৈন। তাঁর পক্ষে সওয়াল করেন আইনজীবী বরুণ ঠাকুর।

আবেদনে দাবি করা হয়, ইন্টারনেটে পর্নোগ্রাফি দেখার পরিসংখ্যান উদ্বেগজনক। সেখানে বলা হয়, প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৫,০০০টি পর্ন সাইট দেখা হয়। ইন্টারনেটের মাধ্যমে ২ কোটিরও বেশি পর্ন ভিডিও বা ক্লিপ প্রচারিত হচ্ছে।

আবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, তথ্যপ্রযুক্তি আইন, ২০০০-এর ৬৯এ ধারায় কেন্দ্রের কাছে কম্পিউটার রিসোর্সের মাধ্যমে জনসাধারণের জন্য উপলব্ধ কোনও তথ্য ব্লক করার ক্ষমতা রয়েছে।

আবেদনকারীর দাবি, ইন্টারনেটের সহজলভ্যতার ফলে পর্নোগ্রাফিক কনটেন্ট সহজে পৌঁছে যাচ্ছে মানুষের হাতে। এর ফলে অতিরিক্ত ভোগ, আসক্তি এবং যৌন অপরাধ বৃদ্ধির মতো সমস্যাও তৈরি হচ্ছে।

তবে এই মামলায় হস্তক্ষেপ করতে অস্বীকার করে সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, এ ধরনের নীতি প্রণয়নের বিষয়টি সরকারের বিবেচনার আওতায় পড়ে। তাই আবেদনকারী চাইলে এ বিষয়ে সরকারের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রস্তাব বা আবেদন জানাতে পারেন।

Advertisement

 

Read more!
Advertisement
Advertisement