Advertisement

haryana mob lynching: 'গোমাতার সঙ্গে আবেগ জড়িত', গণপিটুনিতে বাঙালি শ্রমিকের মৃত্যুতে ব্যাখ্যা হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রীর

হরিয়ানার চরখি দাদরি জেলার বাধরা গ্রামে পশ্চিমবঙ্গের এক পরিযায়ী শ্রমিককে পিটিয়ে খুন করা হসেছে। বিফ খাওয়ার সন্দেহে গোরক্ষা গোষ্ঠীর লোকজন তাঁকে মারধর করে বলে অভিযোগ। তাতেই সাবির মালিক নামের ওই শ্রমিকের মৃত্যু হয়।

'গোমাতার সঙ্গে আবেগ জড়িত', গণপিটুনিতে বাঙালি শ্রমিকের মৃত্যুতে ব্যাখ্যা হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রীর'গোমাতার সঙ্গে আবেগ জড়িত', গণপিটুনিতে বাঙালি শ্রমিকের মৃত্যুতে ব্যাখ্যা হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রীর
Aajtak Bangla
  • চণ্ডীগড়,
  • 31 Aug 2024,
  • अपडेटेड 5:56 PM IST
  • সাবির মালিককে ২৭ অগাস্ট খুন করা হয়
  • গোরক্ষা গোষ্ঠীর ৭ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ

হরিয়ানার চরখি দাদরি জেলার বাধরা গ্রামে পশ্চিমবঙ্গের এক পরিযায়ী শ্রমিককে পিটিয়ে খুন করা হসেছে। বিফ খাওয়ার সন্দেহে গোরক্ষা গোষ্ঠীর লোকজন তাঁকে মারধর করে বলে অভিযোগ। তাতেই সাবির মালিক নামের ওই শ্রমিকের মৃত্যু হয়। গোরক্ষা গোষ্ঠীর ৭ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ঘটনাটি ঘটেছে ২৭ অগাস্ট। চরখি-দাদরির এই ঘটনা নিয়ে হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রী নয়াব সিং সাইনির বক্তব্যও সামনে এসেছে। তিনি বলেন, আমরা গোমাতার রক্ষায় কঠোর আইন করেছি। এর জন্য কোনও আপোষ করা যাবে না। গোমাতার প্রতি মানুষের আস্থা আছে। তাদের অনুভূতি যুক্ত। এমন তথ্য এলে (বিফ খাওয়ার) গ্রামের মানুষরা প্রতিক্রিয়া জানায়। সিএম সাইনি আরও জানান যে আমি স্পষ্ট করে বলতে চাই যে লিঞ্চিংয়ের মতো ঘটনা দুর্ভাগ্যজনক এবং হওয়া উচিত নয়।

একজন সিনিয়র পুলিশ অফিসার জানিয়েছেন, সাবির মালিককে ২৭ অগাস্ট খুন করা হয়। অভিযুক্তরা হল অভিষেক, মোহিত, রবিন্দর, কমলজিৎ এবং সাহিল। তারা খালি প্লাস্টিকের বোতল বিক্রির অজুহাতে সাবির মালিককে একটি দোকানে ডেকে নিয়ে বেধড়ক মারধর করে। কিছু লোক এ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করলে অভিযুক্তরা সাবিরকে অন্য জায়গায় নিয়ে গিয়ে আবারও মারধর করে, ফলে তাঁর মৃত্যু হয়।

সাবিক বান্ধরা গ্রামের কাছে একটি ঝুপড়িতে থাকতেন। জীবিকার জন্য বর্জ্য এবং খালি বোতল সংগ্রহ করতেন। অভিযুক্ত অভিষেক, মোহিত, রবিন্দর, কমলজিৎ এবং সাহিল সন্দেহ করেছিল যে সাবির গরুর মাংস খেয়েছিলেন। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা (বিএনএস) এর অধীনে একটি মামলা রুজু করা হয়েছে। ২ নাবালক সহ ৭ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মামলার বিষয়ে পুলিশ সক্রিয়ভাবে কাজ করছে, ধৃতদের পুলিশি রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

Read more!
Advertisement
Advertisement