Advertisement

Petrol Diesel Crisis: ‘সোনা কম কিনুন, জ্বালানি বাঁচাতে ওয়ার্ক ফ্রম হোম’, দেশবাসীকে বার্তা মোদীর

মধ্যপ্রাচ্যে ইরান-আমেরিকা-ইজরায়েল সংঘাতের জের। আন্তর্জাতিক বাজারে বাড়ছে অপরিশোধিত তেলের দাম। প্রভাব পড়েছে ভারতেও। পেট্রোল-ডিজেলের দাম বৃদ্ধির আবহে এবার দেশবাসীর কাছে বিশেষ আবেদন জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

বিদেশি মুদ্রার উপর চাপ কমাতে সোনা কেনা কমানো এবং জ্বালানি সাশ্রয়ের উপর জোর দেওয়ার বার্তা দিয়েছেন।বিদেশি মুদ্রার উপর চাপ কমাতে সোনা কেনা কমানো এবং জ্বালানি সাশ্রয়ের উপর জোর দেওয়ার বার্তা দিয়েছেন।
Aajtak Bangla
  • কলকাতা ,
  • 10 May 2026,
  • अपडेटेड 8:22 PM IST
  • মধ্যপ্রাচ্যে ইরান-আমেরিকা-ইজরায়েল সংঘাতের জের। 
  • আন্তর্জাতিক বাজারে বাড়ছে অপরিশোধিত তেলের দাম।
  • পেট্রোল-ডিজেলের দাম বৃদ্ধির আবহে এবার দেশবাসীর কাছে বিশেষ আবেদন জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

মধ্যপ্রাচ্যে ইরান-আমেরিকা-ইজরায়েল সংঘাতের জের। আন্তর্জাতিক বাজারে বাড়ছে অপরিশোধিত তেলের দাম। প্রভাব পড়েছে ভারতেও। পেট্রোল-ডিজেলের দাম বৃদ্ধির আবহে এবার দেশবাসীর কাছে বিশেষ আবেদন জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। বিদেশি মুদ্রার উপর চাপ কমাতে সোনা কেনা কমানো এবং জ্বালানি সাশ্রয়ের উপর জোর দেওয়ার বার্তা দিয়েছেন। উল্লেখ্য, এর আগে ২০১৫ সালেও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সাধারণ মানুষকে সোনার বদলে ব্যাঙ্কে বিনিয়োগ করার পরামর্শ দিয়েছিলেন।

সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, করোনা মহামারির সময় ‘ওয়ার্ক ফ্রম হোম’, অনলাইন মিটিং এবং ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মতো ব্যবস্থা চালু হয়েছিল। সেই সময় দেশবাসী এই নতুন ব্যবস্থার সঙ্গে মানিয়েও নিয়েছিলেন। বর্তমান পরিস্থিতিতে আবারও সেই ধরনের ব্যবস্থাকে গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেন। তাঁর কথায়, 'সময়ের দাবি অনুযায়ী যদি আমরা আবার সেই ব্যবস্থাগুলি চালু করি, তাহলে তা দেশের স্বার্থেই হবে।'

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, বর্তমানে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ বিদেশি মুদ্রা সাশ্রয় করা। কারণ আন্তর্জাতিক বাজারে পেট্রল-ডিজেলের দাম অত্যন্ত বেড়ে গিয়েছে। ফলে বিদেশ থেকে জ্বালানি আমদানিতে দেশের বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা খরচ হচ্ছে। তাই সাধারণ মানুষেরও দায়িত্ব রয়েছে জ্বালানির অপচয় কমানোর। তাঁর বক্তব্য, পেট্রল-ডিজেলের ব্যবহার কমাতে পারলে দেশের বিদেশি মুদ্রার ভাণ্ডারের উপর চাপও কিছুটা কমবে।

উল্লেখ্য, এর আগে ২০১৫ সালেও প্রধানমন্ত্রী দেশবাসীকে সোনা কেনার প্রবণতা কমানোর পরামর্শ দিয়েছিলেন। একটি অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মোদী বলেছিলেন, ভারতীয়দের মধ্যে সঞ্চয়ের প্রবণতা রয়েছে। সেটা খুবই ভাল। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে সেই সঞ্চয়ের বড় অংশ সোনা কেনার পিছনে খরচ হচ্ছে। অনেকেই মনে করেন সোনা সবচেয়ে নিরাপদ বিনিয়োগ। তবে এই মানসিকতা বদলানো প্রয়োজন বলেই জানিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী।

তাঁর বক্তব্য ছিল, ব্যাঙ্কিং ব্যবস্থার উপর মানুষের আরও বেশি আস্থা তৈরি করা দরকার। যাতে মানুষ সোনার বদলে ব্যাঙ্কে টাকা রাখতেই বেশি নিরাপদ বোধ করেন। প্রধানমন্ত্রী তখন বলেছিলেন, 'মানুষের মধ্যে এমন বিশ্বাস তৈরি করতে হবে যাতে তাঁরা মনে করেন, ব্যাঙ্কে টাকা রাখলে প্রয়োজনের সময় সহজেই সেই সঞ্চয় ব্যবহার করা যাবে।'

Advertisement

অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারতের মতো দেশে সোনা আমদানির জন্য প্রতি বছর বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা খরচ হয়। অন্য দিকে, অপরিশোধিত তেল আমদানিতেও ভারতের নির্ভরতা অত্যন্ত বেশি। ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বাড়লে তার সরাসরি প্রভাব পড়ে দেশের আমদানি ব্যয় এবং মুদ্রাস্ফীতির উপর। এই পরিস্থিতিতে বিদেশি মুদ্রা সাশ্রয়ের বিষয়টিকে কেন্দ্র সরকার বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে বলেই মনে করা হচ্ছে।

বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, যদি মানুষ অপ্রয়োজনীয় সোনা কেনা কমান এবং জ্বালানির ব্যবহারেও সংযম দেখান, তাহলে দেশের অর্থনীতিতে কিছুটা ইতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। বিশেষ করে বর্তমান আন্তর্জাতিক অস্থিরতার সময়ে আমদানি ব্যয় নিয়ন্ত্রণে রাখা কেন্দ্রের কাছে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছে।  

Read more!
Advertisement
Advertisement