
শুক্রবার লোকসভায় নারী সংরক্ষণ বিল সংক্রান্ত সংশোধনী পাশ হয়নি। এই বিষয়ে প্রথমবার মুখ খুললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi)। শনিবার তামিলনাড়ুতে নির্বাচনী প্রচারে জনসভা থেকে বিরোধীদের কড়া আক্রমণ করেন। তাঁর অভিযোগ, কংগ্রেস (Indian National Congress) এবং ডিএমকে (Dravida Munnetra Kazhagam) এই বিল পাশ হতে দেয়নি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিলটি পাস হলে দেশের মহিলারা সরাসরি উপকারিত হতেন। বলেন, 'এই লড়াই এখানেই শেষ নয়। মহিলাদের অধিকার নিশ্চিত করতে বিজেপি এবং এনডিএ জোট ভবিষ্যতেও আন্দোলন চালিয়ে যাবে।'
তামিলনাড়ুর জনসভা থেকে প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'আজ আমি আপনাদের সঙ্গে আমার কষ্ট এবং রাগ ভাগ করে নিতে চাই। ২০২৩ সালে আমরা নারী শক্তি বন্দন আইন পাশ করেছিলাম। আর এই মাসের ১৬ তারিখে সংসদ এবং রাজ্যের বিধানসভাগুলিতে নারী সংরক্ষণ কার্যকর করার লক্ষ্যে এক ঐতিহাসিক পদক্ষেপ নিয়েছিলাম।'
গতকাল লোকসভায় নারী সংরক্ষণ সংক্রান্ত সংশোধনী বিল পাস না হওয়াকে কেন্দ্র করে ক্রমেই বাড়ছে রাজনৈতিক উত্তাপ। বিল পাশ করাতে কেন্দ্রের দরকার ছিল দুই-তৃতীয়াংশ সমর্থন। কিন্তু ভোটাভুটিতে সেই সংখ্যা ছুঁতে পারেনি সরকার। মোট ২৯৮ জন সাংসদ বিলের পক্ষে ভোট দেন। ২৩০ জন বিরোধিতা করেন। ফলে প্রয়োজনীয় ৩২৬ ভোটের থেকে অনেকটাই পিছিয়ে যায় এনডিএ।
এই বিলের লক্ষ্য ছিল নতুন জনগণনা ছাড়াই ডিলিমিটেশন প্রক্রিয়া এগিয়ে নিয়ে গিয়ে সংসদ ও বিধানসভায় মহিলাদের জন্য সংরক্ষণ কার্যকর করা। পরে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী Kiren Rijiju বিলটি প্রত্যাহার করেন এবং জানান, মহিলাদের অধিকার নিশ্চিত করার লড়াই চলবে।
অন্যদিকে বিরোধী শিবিরও এই ইস্যুতে সরব হয়। Rahul Gandhi দাবি করেন, এই বিলের মাধ্যমে সংবিধানকে দুর্বল করার চেষ্টা করা হচ্ছিল।