Advertisement

থানার ভেতরেই যুবককে চড়, বিজেপি নেত্রীর ভিডিও VIRAL হতেই অ্যাকশন পুলিশের

অভিযোগ, গত ৮ জুলাই ব্যবসার কাজে বেরিয়েছিলেন সুলতানপুরের কোতোয়ালি নগর এলাকার বাসিন্দা অরুণ কুমার কোরি। তিনি মুরারি দাস গলির সাহারা ট্রেডিং কোম্পানিতে কর্মরত। শাহগঞ্জ মোড়ের কাছে পূজা কাসোধান ও তাঁর ছেলে তাঁকে পথ আটকে দাঁড় করান। অভিযোগ, তাঁরা অরুণকে জাতিগত বিদ্বেষমূলক মন্তব্য করেন, চাকরি ছেড়ে দেওয়ার জন্য চাপ দেন এবং পরে মারধর শুরু করেন।

থানায় সেই বিজেপি নেত্রী।-ফাইল ছবিথানায় সেই বিজেপি নেত্রী।-ফাইল ছবি
Aajtak Bangla
  • দিল্লি,
  • 09 Jul 2026,
  • अपडेटेड 6:58 PM IST
  • উত্তরপ্রদেশের সুলতানপুরে এক বিজেপি নেত্রী এবং তাঁর ছেলের বিরুদ্ধে থানার ভেতরে এক যুবককে মারধরের অভিযোগ ঘিরে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।
  • অভিযুক্ত বিজেপির জেলা কোষাধ্যক্ষ পূজা কাসোধান এবং তাঁর ছেলে রৌনক কাসোধান।

উত্তরপ্রদেশের সুলতানপুরে এক বিজেপি নেত্রী এবং তাঁর ছেলের বিরুদ্ধে থানার ভেতরে এক যুবককে মারধরের অভিযোগ ঘিরে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। অভিযুক্ত বিজেপির জেলা কোষাধ্যক্ষ পূজা কাসোধান এবং তাঁর ছেলে রৌনক কাসোধান। ঘটনার ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়ার পর পুলিশ সুপারের নির্দেশে মামলা দায়ের হয়েছে এবং দায়িত্বে থাকা পুলিশ আধিকারিকের বিরুদ্ধেও বিভাগীয় তদন্ত শুরু হয়েছে।

অভিযোগ, গত ৮ জুলাই ব্যবসার কাজে বেরিয়েছিলেন সুলতানপুরের কোতোয়ালি নগর এলাকার বাসিন্দা অরুণ কুমার কোরি। তিনি মুরারি দাস গলির সাহারা ট্রেডিং কোম্পানিতে কর্মরত। শাহগঞ্জ মোড়ের কাছে পূজা কাসোধান ও তাঁর ছেলে তাঁকে পথ আটকে দাঁড় করান। অভিযোগ, তাঁরা অরুণকে জাতিগত বিদ্বেষমূলক মন্তব্য করেন, চাকরি ছেড়ে দেওয়ার জন্য চাপ দেন এবং পরে মারধর শুরু করেন।

প্রাণ বাঁচাতে অরুণ শাহগঞ্জ থানায় আশ্রয় নেন। কিন্তু অভিযোগ, অভিযুক্তরা সেখানেও পৌঁছে যান। থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক অবিনাশ চন্দ্রের সামনেই পূজা কাসোধান অরুণকে চড় মারেন, তাঁর মোবাইল ফোন কেড়ে নিয়ে পরীক্ষা করেন এবং প্রাণনাশের হুমকিও দেন বলে অভিযোগ। ভুক্তভোগীর দাবি, তাঁকে বলা হয়, "সরকার ও প্রশাসন আমাদের নিয়ন্ত্রণে। তোমাকে মেরে ফেললেও কেউ প্রশ্ন করবে না।"

এই ঘটনার ভিডিও প্রকাশ্যে আসতেই ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়। ভাইরাল ভিডিওতে থানার ভেতরে এক যুবককে মারধরের দৃশ্য ধরা পড়েছে। এরপর পুলিশ সুপারের নির্দেশে কোতোয়ালি নগর থানায় প্রাসঙ্গিক ধারায় মামলা দায়ের করা হয়।

সিটি সার্কেল অফিসার রাঘবেন্দ্র সিং জানান, ঘটনায় উপস্থিত পুলিশ আধিকারিকের ভূমিকা খতিয়ে দেখতে বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ভুক্তভোগীর অভিযোগের ভিত্তিতে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

তবে পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে, অভিযুক্ত ও অভিযোগকারীর মধ্যে পুরনো জমি-সংক্রান্ত বিবাদের জেরে এই সংঘর্ষের সূত্রপাত হতে পারে। ভাইরাল ভিডিওতে বিজেপি নেত্রীকে ওই যুবকের বিরুদ্ধে তাঁকে অনুসরণ করার অভিযোগ তুলতেও দেখা গিয়েছে।

Advertisement


 

Read more!
Advertisement
Advertisement