Advertisement

Prashant Kishor: কমিশন নিরপেক্ষ হলে বাংলায় কত আসন পেত BJP? বিস্ফোরক প্রশান্ত

২০২১ সালের  বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের ভোট বৈতরণী পেরোতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিলেন প্রশান্ত কিশোর। ওই সময় বাংলায় পড়েছিলেন জনসুরজ পার্টির নেতা।

প্রশান্ত কিশোরের বড় দাবিপ্রশান্ত কিশোরের বড় দাবি
Aajtak Bangla
  • কলকাতা ,
  • 01 Oct 2026,
  • अपडेटेड 12:59 PM IST
  • ২০২১ সালের ভোট নিয়ে বড় কথা বললেন প্রশান্ত।
  • তাঁর দাবি, ৫০টা আসন পেত না বিজেপি।

'২০২১ সালে নির্বাচন কমিশন নিরপেক্ষ থাকলে বিজেপি ৭৭ নয়, ৫০টা আসন পেত'। এমনটাই দাবি করলেন তৃণমূলের তৎকালীন ভোটকুশলী বর্তমানে জনসুরজ পার্টির সুপ্রিমো প্রশান্ত কিশোর। তাঁর মতে, যেখানে প্রতিদ্বন্দ্বিতা সমানে-সমানে, সেখানে নির্বাচন কমিশন নিরপেক্ষ না থাকায় বেশিরভাগ ভোটেই জিতছে বিজেপি।    

নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত নিয়ে জ্ঞানেশ কুমার এবং দুই নির্বাচন কমিশনারের মধ্যে মতপার্থক্য তৈরি হয়েছে বলে দাবি করেছে একটি ইংরেজি দৈনিক। তার প্রেক্ষিতে জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফা চেয়েছে বিরোধীরা। বুধবার দিল্লিতে ইন্ডিয়া ব্লকের বৈঠক থেকেও একই দাবি তোলা হয়েছে। কিন্তু জ্ঞানেশের ইস্তফায় সমস্যার সমাধান হবে না বলে মনে করেন প্রশান্ত কিশোর। কেন এমনটা মনে করেন প্রশান্ত কিশোর?  তাঁর যুক্তি,'জ্ঞানেশ কুমার গেলে কোনও রূপেশ কুমার চলে আসবেন। যতক্ষণ না পুরো ব্যবস্থায় বদল আসছে, ততক্ষণ স্বচ্ছ নির্বাচন সম্ভব নয়। কীভাবে নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ হবে, কী কাজ করবেন, এই সংক্রান্ত সংস্কার দরকার। এখন নির্বাচন কমিশন শুধু বিজেপিকে ভোটে জেতানোর কাজটাই করছে'। 

প্রশান্ত যোগ করেন,'মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে দিয়ে এই পচন শুরু হয়নি। এর আগে ছিলেন রাজীব কুমার। অবসর নেওয়ার পর দেশের বৃহত্তম বেসরকারি ব্যাঙ্কের চেয়ারম্যান হন। ভাবুন খালি, ৪-৫ বছর সরকারকে সাহায্য করে নির্বাচন জেতাও আর অবসরের পর ১০ লক্ষ কোটি টাকা বাজারমূল্যের সংস্থার চেয়ারম্যান হও! কোন যোগ্যতায় রাজীব কুমার ওই পদ পেয়েছেন?'

'বাংলায় ৫০ আসন পেত না'

এই প্রসঙ্গেই নিজের বাংলার অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন প্রশান্ত। দাবি করেন, নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে শাসক বিজেপির প্রতি পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তিনিই প্রথম করেছিলেন। তাঁর কথায়,'২০২১ সালে বাংলায় বিধানসভা নির্বাচনের পরেই আমি এই কথা বলেছিলাম। স্পষ্ট জানিয়েছিলাম, নির্বাচন কমিশনের জন্য বিজেপি ৭৭টি আসন জিততে পেরেছে। না হলে আসন সংখ্যা ৫০ পেরোত না। যেখানে বিজেপির সঙ্গে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই, সেখানে কমিশনের পক্ষপাতিত্বের কারণে জিতে যাচ্ছে ওরা। একমাত্র সেই নির্বাচনই বিজেপি হারছে, যেখানে প্রবল বিরোধিতার মুখে পড়তে হচ্ছে'।

Advertisement

বলে রাখি, ২০২১ সালের  বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের বিরুদ্ধে প্রচারে ঝড় তুলেছিল বিজেপি। দলও ভেঙেছিল মমতার। তবে ভোটে তার প্রভাব পড়েনি। দুশোর বেশি আসন নিয়ে সরকারে ফেরেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। টানা তৃতীয়বারের জন্য মুখ্যমন্ত্রী হন। ওই সময় তৃণমূলের ভোট বৈতরণী পেরোতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিলেন প্রশান্ত কিশোর ও তাঁর সংস্থা আইপ্যাক।
 

Read more!
Advertisement
Advertisement