Advertisement

Badrinath Kedarnath Donation Theft: রাম মন্দিরের পর এবার বদ্রীনাথ-কেদারনাথে অনুদান চুরি? শুরু তদন্ত

এবার বদ্রীনাথ মন্দিরের অনুদানে চুরির অভিযোগ সামনে এসেছে। ইতিমধ্যেই তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি মন্দির কমিটির চেয়ারম্যান দিয়েছেন বিবৃতি।

বদ্রীনাথ ও কেদারনাথের অনুদান চুরিবদ্রীনাথ ও কেদারনাথের অনুদান চুরি
Aajtak Bangla
  • দিল্লি,
  • 04 Jul 2026,
  • अपडेटेड 12:51 PM IST
  • এবার বদ্রীনাথ মন্দিরের অনুদানে চুরির অভিযোগ সামনে এসেছে
  • ইতিমধ্যেই তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে
  • মন্দির কমিটির চেয়ারম্যান দিয়েছেন বিবৃতি

এখন শিরোনামে অযোধ্যার রাম মন্দির। এই মন্দিরের অনুদানে তছরুপ বিতর্ক এখনও চলছে। আর এসবের মাঝেই এবার উত্তরাখণ্ডের বদ্রীনাথ ধামেও দানের টাকা চুরির অভিযোগ সামনে এসেছে। এহেন অভিযোগ ঘিরে সোশ্যাল মিডিয়া তোলপাড়।এমনকী তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে শ্রী বদ্রীনাথ-কেদারনাথ মন্দির কমিটি (বিকেটিসি)।

এই বিষয়টা নিয়ে মুখ খুলেছেন মন্দির কমিটির চেয়ারম্যান হেমন্ত দ্বিবেদী। তিনি জানিয়েছেন, নিরপেক্ষ তদন্তের জন্য একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হচ্ছে। পাশাপাশি যেই সব কর্মীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে, তাঁদের কাছ থেকে ব্যাখ্যাও চাওয়া হয়েছে। তদন্তে কেউ দোষী প্রমাণিত হলে নিয়ম অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে দাবি।

গত কয়েকদিন ধরে সোশ্যাল মিডিয়ায় দাবি করা হচ্ছিল, বদ্রীনাথ মন্দিরে ভক্তদের দেওয়া অনুদান ও অন্যান্য দান সামগ্রী গোনার সময় অনিয়ম হয়েছে। আর এই বিষয়টি সামনে আসার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই পদক্ষেপ করেছে মন্দির কর্তৃপক্ষ।

এই প্রসঙ্গে এক ভিডিও বার্তায় হেমন্ত দ্বিবেদী বলেন, 'বদ্রীনাথ-কেদারনাথ ধামে অনুদান ও অন্যান্য সামগ্রী চুরির অভিযোগ রয়েছে। আমরা অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে বিষয়টা দেখছি। গোনার কাজে যুক্ত সমস্ত কর্মী ও আধিকারিকদের ইতিমধ্যেই শোকজ নোটিশ পাঠানো হয়েছে।'

অভিযোগ করে হিন্দু সংগঠন
ভৈরব সেনা নামে একটি হিন্দু সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি সন্দীপ খাত্রির এই বিষয়ে অভিযোগ করেন। তিনি ৩ জুলাই বিকেটিসি-এর সিইও সোহন সিং রঙ্গাড়ের কাছে চিঠি পাঠান।

চিঠিতে দাবি করা হয়, বদ্রীনাথ ধামে অনুদান গোনার সময় বিরাট চুরি হয়েছে। অভিযোগে আরও বলা হয়, চেয়ারম্যানের তথাকথিত ব্যক্তিগত সচিব অনুদানের টাকা সরিয়েছেন। পাশাপাশি গোটা ঘটনায় এফআইআর দায়ের করার ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানানো হয়।

মন্দির কমিটির নথি জানাচ্ছে, প্রমোদ নওটিয়াল নামে এক কর্মীকে ২০২৬ সালের ৯ এপ্রিল মন্দিরের সামগ্রী গণনা কমিটির সদস্য হিসেবে রাখা হয়েছিল। তিনি ২০১৪ সাল থেকে মন্দির কমিটিতে ব্যক্তিগত সহকারী হিসেবে কাজ করছেন।

কীভাবে গোনা হয় অনুদান?
মন্দির কমিটির সূত্রে জানা গিয়েছে, নির্দিষ্ট নিয়ম মেনেই অনুদান ও ভগবানকে উৎসর্গ করা দান সামগ্রী গোনা হয়। অনুদানের ব্যাগ খোলার সময় ঘোষণা করা হয়। সেখানে ব্যাঙ্ক কর্মী, মন্দির কমিটির আধিকারিক, প্রোটোকল অফিসার সহ বেশ কিছু ব্যক্তি উপস্থিত থাকেন।

Advertisement

যদিও অভিযোগে দাবি করা হয়েছে, ২ জুলাই সকাল সাড়ে ৮টা নাগাদ অনুদান গোনার সময় কিছু অদ্ভুত জিনিস চোখে পড়ে।

‘আমার কোনও ব্যক্তিগত সচিব নেই’
সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁর ব্যক্তিগত সচিবের বিরুদ্ধে অভিযোগের প্রসঙ্গে হেমন্ত দ্বিবেদী স্পষ্ট জানিয়েছেন, 'আমার কোনও ব্যক্তিগত সচিব নেই। যাঁর নাম নিয়ে আলোচনা হচ্ছে, তিনি মন্দির কমিটির একজন সাধারণ কর্মী।'

তদন্ত রিপোর্টের অপেক্ষা
বর্তমানে গোটা বিষয়টি নিয়ে তদন্ত হচ্ছে। মন্দির কমিটির দাবি, সিসিটিভি ফুটেজ, নথি, প্রমাণ এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বয়ান খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এরপর তদন্ত কমিটি রিপোর্ট জমা দেবে। তদন্তে অনিয়মের প্রমাণ মিললে শ্রী বদ্রীনাথ-কেদারনাথ মন্দির কমিটি আইন, ১৯৩৯ এবং কর্মচারী আচরণবিধি অনুযায়ী আইনি ও বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

Read more!
Advertisement
Advertisement