Advertisement

Puri Ratna Bhandar: পুরীর জগন্নাথ মন্দিরের রত্ন ভাণ্ডারে ১১১ রত্ন, রহস্যভেদ? আজও গোনা হবে সম্পদ

অর্ধশতাব্দী পর এই প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে পুরীর জগন্নাথ মন্দিরের রহস্যময় রত্ন ভাণ্ডারের রত্ন গোণার। চলছে দ্বিতীয় দফার গণনা পর্ব। কী কী জানা গেল গণনা থেকে? কত সোনাদানা পাওয়া গেল? জেনে নিন বিস্তারিত...

জগন্নাথ মন্দিরের রত্ন ভাণ্ডারে কত রত্ন? জগন্নাথ মন্দিরের রত্ন ভাণ্ডারে কত রত্ন?
Aajtak Bangla
  • পুরী ,
  • 09 Apr 2026,
  • अपडेटेड 11:24 AM IST
  • যুগ যুগ ধরে গচ্ছিত থাকা রত্নের মূল্য কত?
  • ভাণ্ডারের রত্ন শেষবার গোণা হয়েছিল ১৯৭৮ সালে
  • ভাণ্ডারের তালিকা তৈরির দ্বিতীয় পর্ব শুরু হয়েছে

পুরী মানেই সমুদ্রের ঢেউয়ের শব্গ, শঙ্খধ্বনি আর 'জয় জগন্নাথ'। তবে সম্প্রতি জগন্নাথধামেক সঙ্গে সমার্থক হয়ে গিয়েছে জগন্নাথ মন্দিরের সেই রহস্যময় রত্ন ভাণ্ডারও। প্রায় অর্ধশতাব্দী পর এই প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। ওই ভাণ্ডার যুগ যুগ ধরে গচ্ছিত থাকা রত্নের মূল্য কত, তা জানতে সকাল থেকেই উদগ্রীব হয়ে আছেন ভক্তরা। 

রত্নের ভাণ্ডারে কেবল ভগবান জগন্নাথের অলঙ্কারই নয়, গচ্ছিত রয়েছে রাজার দান এবং অগণিত ভক্তের বিশ্বাস। এই ভাণ্ডারের রত্ন শেষবার গোনা হয়েছিল ১৯৭৮ সালে। তারপর বহু যুগ কেটে গিয়েছে। প্রজন্ম বদলেছে কিন্তু রত্ন ভাণ্ডারের রহস্য অন্ধকারেই রয়ে গিয়েছে। 

সংবাদ সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, মন্দির প্রশাসনের কর্তারা জানিয়েছেন, বুধবার পুরীর জগন্নাথ মন্দিরের রত্ন ভাণ্ডারের তালিকা তৈরির দ্বিতীয় পর্ব শুরু হয়েছে। এটি ১১ এপ্রিল পর্যন্ত চলবে। এক আধিকারিক জানান, তালিকা তৈরির দ্বিতীয় পর্বের প্রথম দিন মোট ৭ ঘণ্টা গণনার কাজ চলেছে। 

রত্ন ভাণ্ডার কমিটির চেয়ারম্যান বিচারপতি বিশ্বনাথ রথ এবং শ্রী জগন্নাথ মন্দির প্রশাসনের প্রধান প্রশাসক অরবিন্দ পধি বলেন, '৯, ১০ এবং ১১ এপ্রিল জিনিসপত্রের তালিকা তৈরির কাজ চলবে এবং এর পরবর্তী পর্যায় ১৩ এপ্রিল এবং ১৬ এপ্রিল থেকে ১৮ এপ্রিল পর্যন্ত চলবে। ৪৮ বছর পর এই প্রক্রিয়া চলছে জগন্নাথ মন্দিরে।'

সোনাদানা কত?
২০২৬ সালে যখন প্রশাসন নতুন প্রযুক্তির সাহায্য এই ঐতিহ্যবাহী স্থানটিকে রক্ষা করার সিদ্ধান্ত নিল তখন কোষাগারের দরজা খুলে দেওয়া হয়। রত্ন ভাণ্ডারে প্রবেশাধিকার সকলের জন্য উন্মুক্ত ছিল না। শুধুমাত্র হাতে গোণা কয়েকজন সেবক, রত্ন বিশেষজ্ঞ, স্বর্ণকার এবং প্রশাসনিক কর্তাদের সেখানে প্রবেশের অনুমতি ছিল। এই দলের নেতৃত্বে ছিলেন বিচারপতি বিশ্বনাথ রথ এবং SJTA-র প্রধান প্রশাসক অরবিন্দ পধি। 

১৯৭৮ সালের তালিকা অনুসারে রত্ন ভাণ্ডারে মোট ১১১টি গয়না রয়েছে। এর মধ্যে ৭৮টি সোনার এবং ৩৩টি রুপোর। কিছু গয়না কোনও রাজা দান করেছিলেন আবার কিছু কোনও ভক্ত মনোবাঞ্ছা পূরণের পর দিয়েছিলেন। প্রতিটি রত্নে, প্রতিটি মণির পিছনে রয়েছে একটি গল্প। যা শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে এই ভাণ্ডারে সংরক্ষিত রয়েছে। 

Advertisement

প্রতিটি অলঙ্কারের ছবি তোলা হচ্ছে, ভিডিও করা হচ্ছে এবং 3D ম্যাপিং চলছে। অর্থাৎ এই অমূল্য সম্পদ এখন ডিজিটাল ভাবে সংরক্ষিত করা হবে। পুরীর গজপতি মহারাদ বিব্যসিংহ দেবও এই ঐতিহাসিক প্রক্রিয়া চলাকালীন উপস্থিত ছিলেন। তিনি বলেন, 'এই প্রক্রিয়ায় কোনও তাড়াহুড়ো করা উচিত নয়। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল নির্ভুল এবং স্বচ্ছতা।'

 

Read more!
Advertisement
Advertisement