Advertisement

Jagannath Temple Ratna Bhandar: পুরীর জগন্নাথ মন্দিরে রত্মভাণ্ডারে কত সম্পদ? ভিডিওগ্রাফি, 3D ম্যাপিং শুরু

পুরীর জগন্নাথ মন্দিরের রত্ন ভাণ্ডারের সামগ্রী গণনার কাজ শুরু হয়েছে। ৪৮ বছর পর এই রত্ন ভাণ্ডার থেকে কী কী অলঙ্কার পাওয়া যাবে, তা জানতে মুখিয়ে রয়েছেন ভক্তরা। কড়া নিরাপত্তার ঘেরাটোপে চলছে গোটা প্রক্রিয়া। করা হচ্ছে ভিডিওগ্রাফি এবং 3D ম্যাপিং।

Puri Ratna Bhandar Puri Ratna Bhandar
Aajtak Bangla
  • পুরী ,
  • 26 Mar 2026,
  • अपडेटेड 10:04 AM IST
  • জগন্নাথ মন্দিরের রত্ন ভাণ্ডারের সামগ্রী গণনার কাজ
  • এই রত্ন ভাণ্ডার থেকে কী কী অলঙ্কার পাওয়া যাবে?
  • করা হচ্ছে ভিডিওগ্রাফি এবং 3D ম্যাপিং

৪৮ বছর পর জগন্নাথ মন্দিরের রত্ন ভাণ্ডারের তালিকা তৈরির কাজ শুরু হয়েছে। প্রথমবারের মতো এই রত্ন ভাণ্ডারে ভিডিওগ্রাফি, ফটোগ্রাফি এবং 3D ম্যাপিং ব্যবহার করা হচ্ছে। 

ওড়িশার আইনমন্ত্রী তথা রত্ন ভাণ্ডারের তদারকির দায়িত্বপ্রাপ্ত পৃথ্বীরাজ হরিচন্দন জানিয়েছে, এই প্রক্রিয়ায় আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা হচ্ছে। মন্দিরের অলঙ্কার ও মূল্যবান সামগ্রী সঠিক ভাবে নথিভুক্ত করা হবে বলেও আশ্বাস দিয়েছেন তিনি। 

পৃথ্বীরাজ হরিচন্দন বলেন, 'এই প্রথমবারের মতো রত্ন ভাণ্ডারের তালিরা তৈরিতে রত্ন বিশেষজ্ঞ, রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার কর্তারা এবং অভিজ্ঞ স্বর্ণকারেরা অংশ নেবেন।' তবে তিনি স্পষ্ট করে দেন, এই প্রক্রিয়ায় কোনও মূল্য নির্ধারণ করা হবে না। শুধু যাচাই ও নথিভুক্তির কাজই করা হবে।'

মন্দির কর্তৃপক্ষের প্রস্তুতি পর্যালোচনা করার পর মন্ত্রী আরও জানান, পুরো কাজটি যেন সুশৃঙ্খল, নিরাপদ ও স্বচ্ছ ভাবে সম্পন্ন হয়। সে বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। একইসঙ্গে তিনি নির্দে দেন, যেন দৈনন্দিন পুজোপার্বণ ব্যাহত না হয় এবং নির্ধারিত SOP কঠোর ভাবে মেনে চলা হয়। 

রত্ন ভাণ্ডার কমিটির চেয়ারম্যান বিচারপতি বিশ্বনাথ রথ, শ্রী জগন্নাথ টেম্পল অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের প্রধান প্রশাসক অরবিন্দ পাধী সহ অন্যান্য কর্মকর্তারা একটি বৈঠক করেন। প্রথমে বাহার ভাণ্ডারের (বাইরের কক্ষ) অলঙ্কারের তালিকা তৈরি হবে। তারপর ভিতরের কক্ষের (ভিতর ভাণ্ডার) সামগ্রী নথিভুক্ত করা হবে। 

সরকারি নির্দেশিকা অনুযায়ী, শুধুমাত্র অনুমোদিত ব্যক্তিরাই এই প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে পারবেন। উৎসব, বিশেষ দিন বা ভিড় বেশি থাকলে কাজ সাময়িক ভাবে বন্ধ রাখা হবে। 

নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে এবং প্রতিদিনের কাজ শেষে রত্ন ভাণ্ডারের চাবি জেলা ট্রেজারিতে জমা রাখা হবে। তবে ভক্তরা বাইরে থেকে দর্শন করতে পারবেন। 

আইনমন্ত্রী আরও জানান, এবার সংগৃহীত তথ্য ১৯৭৮ সালের শেষ তালিকার সঙ্গে মিলিয়ে দেখা হবে। উল্লেখ্য, ১৯৭৮ সালের তালিকায় ১২৮.৩৮ কেজি ওজনের ৪৫৪টি সোনার মিশ্র ধাতুর সামগ্রী এবং ২২১.৫৩ কেজি ওজনের ২৯৩টি রুপোর সামগ্রীর সহ বহু মূল্যবান রত্ন নথিভুক্ত হয়েছিল। 

Advertisement

কর্তৃপক্ষের মতে, আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের ফলে প্রায় এক মাসের মধ্যেই এই সম্পর্ণ প্রক্রিয়া শেষ করা সম্ভব হবে। 

 

Read more!
Advertisement
Advertisement