Advertisement

Puri Jagannath Temple Ratna Bhandar: পুরীর জগন্নাথ মন্দিরের রত্নভাণ্ডার পাহারা দেয় বিষধর সাপেরা? মোতায়েন দক্ষ সাপুড়েদের দল

ওড়িশার জগন্নাথ মন্দির-এর রত্নভাণ্ডার ঘিরে আবারও কৌতূহল বাড়ছে। মন্দিরের সোনা, রুপো, হিরে-সহ বিপুল সম্পদের তালিকা তৈরির কাজ শুরু হতেই সামনে এসেছে একাধিক পুরাণপ্রসিদ্ধ বিশ্বাস ও আচার।

Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 26 Mar 2026,
  • अपडेटेड 1:08 PM IST
  • ওড়িশার জগন্নাথ মন্দির-এর রত্নভাণ্ডার ঘিরে আবারও কৌতূহল বাড়ছে।
  • মন্দিরের সোনা, রুপো, হিরে-সহ বিপুল সম্পদের তালিকা তৈরির কাজ শুরু হতেই সামনে এসেছে একাধিক পুরাণপ্রসিদ্ধ বিশ্বাস ও আচার।

ওড়িশার জগন্নাথ মন্দির-এর রত্নভাণ্ডার ঘিরে আবারও কৌতূহল বাড়ছে। মন্দিরের সোনা, রুপো, হিরে-সহ বিপুল সম্পদের তালিকা তৈরির কাজ শুরু হতেই সামনে এসেছে একাধিক পুরাণপ্রসিদ্ধ বিশ্বাস ও আচার।

বুধবার শুভক্ষণে রত্নভাণ্ডারের সামগ্রী ও পরিমাণ নিরূপণের কাজ শুরু হয়। এই ধনভাণ্ডার বহুদিন ধরেই রহস্য ও আকর্ষণের কেন্দ্র। তবে প্রশ্ন উঠছে, এই বিপুল সম্পদের রক্ষণাবেক্ষণ করেন কে?

দেবী লক্ষ্মীর অধিষ্ঠান
ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, এই রত্নভাণ্ডারের অধিষ্ঠাত্রী হলেন লক্ষ্মী। ‘শ্রীক্ষেত্র’ নামের মধ্যেই রয়েছে তাঁর উপস্থিতির ইঙ্গিত। ভক্তদের মতে, মন্দিরের সমস্ত ধন-সম্পদ তাঁরই আশীর্বাদে সুরক্ষিত।

সাপের পাহারা, পুরাণের ব্যাখ্যা
পুরাণ মতে, এই ধনভাণ্ডারকে রক্ষা করে ঐশ্বরিক সর্প বা ‘নাগ’। বিশ্বাস করা হয়, লক্ষ্মীর দুই অনুচর সর্প, পদ্মা ও মহাপদ্মা, এই সম্পদের পাহারায় নিয়োজিত। এ কারণে অনেকেই মনে করেন, রত্নভাণ্ডারে সাপের উপস্থিতি একেবারেই অস্বাভাবিক নয়, বরং বিশ্বাসেরই অংশ।

লোকনাথ মহাদেবের ভূমিকা
এছাড়া, রত্নভাণ্ডারের রক্ষক হিসেবে মানা হয় লোকনাথ মহাদেব-কে, যিনি ভগবান শিবের এক রূপ। পুরীর পুরুষোত্তম অঞ্চলে তাঁর মন্দিরও রয়েছে। লোকবিশ্বাস, তাঁর আশীর্বাদ ও তত্ত্বাবধানেই এই ধনভাণ্ডার সুরক্ষিত থাকে।

বাস্তব প্রস্তুতি: সাপুড়ে মোতায়েন
তবে শুধুই পুরাণ নয়, বাস্তবিক সতর্কতাও নেওয়া হয়েছে। রত্নভাণ্ডার খোলার সময় ‘স্নেক হেল্পলাইন’-এর প্রশিক্ষিত সাপুড়েদের মোতায়েন করা হয়েছিল, যাতে কোনও সরীসৃপ দেখা দিলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া যায়।

আচার-অনুষ্ঠানের গুরুত্ব
গণনার কাজ শুরু করার আগে নির্দিষ্ট বিধি মেনে জগন্নাথ ও লোকনাথ দেবের অনুমতি নেওয়া হয়। এই আচার মেনে তবেই ধনভাণ্ডারের দরজা খোলা হয়, যা মন্দিরের প্রাচীন রীতিরই অংশ।

সব মিলিয়ে, জগন্নাথ মন্দির-এর রত্নভাণ্ডার শুধু বিপুল সম্পদের ভাণ্ডারই নয়, এটি বিশ্বাস, পুরাণ ও আচার-অনুষ্ঠানের এক অনন্য মেলবন্ধন, যা আজও ভক্তদের মনে রহস্য ও ভক্তিভাব জাগিয়ে রাখে।


 

Read more!
Advertisement
Advertisement