Advertisement

Delhi Mosque Case: মোদীর বাসভবনের সামনেই ১০০ বছরের প্রাচীন মসজিদের ইলেক্ট্রিক, জল বন্ধ করা হল, কেন?

দিল্লিতে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন সংলগ্ন মসজিদ উচ্ছেদ ঘিরে চলছে জোর আলোচনা। ১৯ অক্টোবর একটি নোটিশ জারি করে মসজিদ কর্তৃপক্ষ। ৬ দিনের মধ্যে এই জায়গাটি খালি করার জন্য একটি নোটিশ দেওয়া হয়েছে

প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের কাছেই ১০০ বছরের পুরনো মসজিদ উচ্ছেদের নোটিশপ্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের কাছেই ১০০ বছরের পুরনো মসজিদ উচ্ছেদের নোটিশ
Aajtak Bangla
  • দিল্লি,
  • 22 Oct 2026,
  • अपडेटेड 2:13 PM IST
  • প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের কাছে অবস্থিত ১০০ বছরেরও বেশি পুরোনো ঐতিহাসিক রেসকোর্স মসজিদও।
  • মসজিদ সহ সংলগ্ন এলাকায় উচ্ছেদ অভিযানের অংশ হিসেবে, বড় ধরনের ব্যবস্থা নিল প্রশাসন।
  • মসজিদসহ বেশ কয়েকটি সম্পত্তিতে জল ও বিদ্যুৎ সরবরাহ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়েছে

দিল্লিতে চলছে উচ্ছেদ অভিযান। আর এই উচ্ছেদ অভিযানের আওতায় এসেছে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের কাছে অবস্থিত ১০০ বছরেরও বেশি পুরোনো ঐতিহাসিক রেসকোর্স মসজিদও। এই মসজিদ সহ সংলগ্ন এলাকায়  উচ্ছেদ অভিযানের অংশ হিসেবে, বড় ধরনের ব্যবস্থা নিল প্রশাসন।  এই এলাকায় উচ্ছেদের নোটিশ জারি করেছে নয়াদিল্লি পুরসভা (NDMC)। ইতিমধ্যেই মসজিদ ও  সংলগ্ন এলাকার বিদ্যুৎ ও জল সরবরাহ সম্পূর্ণভাবে বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

NDMC-র উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা জানাচ্ছেন, ভূমি ও উন্নয়ন দফতর (ল্যান্ড অ্যান্ড ডেভলপমেন্ট অথরিটি) -এর আদেশ এবং আদালতের নির্দেশে এই ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। গত ১৯ অক্টোবর একটি নোটিস জারি করে মসজিদ কর্তৃপক্ষকে আগামী ৬ দিনের মধ্যে এই জায়গাটি খালি করার জন্য একটি নোটিশ দেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক NDMC-র আধিকারিক জানিয়েছেন, "আদালতের নির্দেশে এলাকাটিতে উচ্ছেদ অভিযান চলছে। এলডিও-র নির্দেশের পর মসজিদসহ বেশ কয়েকটি সম্পত্তিতে জল ও বিদ্যুৎ সরবরাহ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়েছে।"

নোটিশে বলা হয়েছে, জমিটি কেন্দ্রীয় সরকারের শিক্ষা ও উন্নয়ন (L&D) বিভাগের অধীনে পড়ে এবং এর উপর নির্মাণকাজটি অননুমোদিত ও দখলীকৃত। সরকারি নথিপত্র অনুযায়ী জমিটি সরকারি সম্পত্তি। যদিও স্বাধীনতার আগে নির্মিত এই ঐতিহাসিক মসজিদটি এনডিএমসি-র ঐতিহ্য তালিকায় 'গ্রেড-২' স্মৃতিস্তম্ভ হিসেবে লিস্টেড রয়েছে। 

উল্লেখ্য বিষয় হল, এই এলাকায় উচ্ছেদ অভিযানের ফলে প্রায় ৭০০ পরিবার বাস্তুহারা হতে পারে বলে দাবি করা হচ্ছে। আধিকারিকদের অবশ্য সাফ দাবি, বাসিন্দাদের ওই স্থান খালি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, ওই এলাকা থেকে অল্প দূরেই তাদের জন্য বিকল্প আবাসনের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। 


 

 

Read more!
Advertisement
Advertisement