Advertisement

Indian Navy Rafale Marine: সমুদ্রে কয়েকগুণ শক্তি বাড়ছে ভারতের, এবার ভারত মহাসাগরে দাপাবে রাফাল, ঠিক কী প্ল্যান নৌবাহিনীর?

অপারেশন সিঁদুরে পাকিস্তানকে বোকা বানানো রাফাল যুদ্ধবিমানের সামুদ্রিক সংস্করণের পরীক্ষা শুরু হয়েছে। ভারতীয় নৌবাহিনী সম্প্রতি গোয়ায় রাফাল মেরিন যুদ্ধবিমানের ফ্লাইট ট্রায়াল শুরু করেছে। এই ট্রায়ালগুলির প্রাথমিক উদ্দেশ্য হলো আইএনএস বিক্রান্তের মতো দেশীয় বিমানবাহী রণতরীতে মোতায়েনের জন্য বিমানটিতে প্রয়োজনীয় পরিবর্তনগুলি যাচাই করা।

সাগরে এবার INS বিক্রান্ত ও রাফালের যুগলবন্দিসাগরে এবার INS বিক্রান্ত ও রাফালের যুগলবন্দি
Aajtak Bangla
  • দিল্লি,
  • 22 Oct 2026,
  • अपडेटेड 1:38 PM IST

অপারেশন সিঁদুরে পাকিস্তানকে বোকা বানানো রাফাল যুদ্ধবিমানের সামুদ্রিক সংস্করণের পরীক্ষা শুরু হয়েছে। ভারতীয় নৌবাহিনী সম্প্রতি গোয়ায় রাফাল মেরিন যুদ্ধবিমানের ফ্লাইট ট্রায়াল শুরু করেছে। এই ট্রায়ালগুলির প্রাথমিক উদ্দেশ্য হলো আইএনএস বিক্রান্তের মতো দেশীয় বিমানবাহী রণতরীতে মোতায়েনের জন্য বিমানটিতে প্রয়োজনীয় পরিবর্তনগুলি যাচাই করা। ভারতীয় নৌবাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত করার আগে বিমানটির রণতরী-ভিত্তিক সক্ষমতা যাচাই এবং এর ব্যবহারযোগ্যতা নিশ্চিত করার জন্য এই ট্রায়ালগুলি পরিচালনা করা হচ্ছে।

ভারতের সামুদ্রিক নিরাপত্তা জোরদার করার ক্ষেত্রে এই পদক্ষেপটি তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। ভারত ২০২৫ সালে ২৬টি রাফাল মেরিন বিমানের জন্য ফ্রান্সের সঙ্গে  চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। এর মধ্যে রয়েছে ২২টি এক-আসনের যুদ্ধবিমান এবং চারটি দুই-আসনের প্রশিক্ষণ বিমান। এই চুক্তির মোট ব্যয় আনুমানিক ৬৩,০০০ থেকে ৬৪,০০০ কোটি টাকা হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এর মধ্যে শুধু বিমানটিই নয়, বরং প্রশিক্ষণ, সিমুলেটর, অস্ত্রশস্ত্র, সংশ্লিষ্ট সরঞ্জাম এবং লজিস্টিক সহায়তাও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। প্রতিরক্ষা আধিকারিকদের মতে, ২০২৮ সালের শেষের দিকে বা ২০২৯ সালের শুরুর দিকে বিমানগুলোর সরবরাহ শুরু হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই সময়সীমাটি ভারতীয় নৌবাহিনীর আধুনিকীকরণ কর্মসূচির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। ‘অপারেশন সিঁদুর’-এ রাফাল যুদ্ধবিমানে লাগানো ডিকয় সিস্টেমের মাধ্যমে পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীকে বোকা বানানো হয়েছিল। তারা রাফাল ভূপাতিত করার দাবি করেছিল, কিন্তু সেটি ছিল ফ্রান্স থেকে আমদানি করা একটি ডিকয় সিস্টেম।

পরীক্ষাগুলোর গুরুত্ব ও প্রযুক্তিগত দিক
রাফাল মেরিন হলো ফরাসি কোম্পানি দাসো এভিয়েশন দ্বারা নির্মিত একটি সামুদ্রিক সংস্করণ। এটি স্থলভিত্তিক রাফাল থেকে ভিন্ন, কারণ এতে বিমানবাহী জাহাজে অবতরণ ও উড্ডয়নের জন্য কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে, যেমন—শক্তিশালী ল্যান্ডিং গিয়ার, ফোল্ডিং ডানা এবং কোরোজেন-রোধী প্রলেপ।

গোয়ায় এই টেস্ট ভারতীয় পরিস্থিতিতে এই পরিবর্তনগুলোকে যাচাই করছে। আইএনএস বিক্রান্ত-এ পরিচালনার জন্য বিমানটিকে ভারতীয় নৌবাহিনীর প্রয়োজন অনুযায়ী অভিযোজিত করা হচ্ছে। এই পরীক্ষাগুলো সফল হলে, বিমানটি শীঘ্রই নৌবহরে অন্তর্ভুক্ত হবে, যা ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে ভারতের আকাশ ও সামুদ্রিক শক্তি বৃদ্ধি করবে।

Advertisement

এই চুক্তিটি শুধু একটি ক্রয় নয়, বরং  কৌশলগত অংশীদারিত্বের অংশ। ফ্রান্সের সঙ্গে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা ইতিমধ্যেই শক্তিশালী। ভারতীয় বিমান বাহিনীতে ইতোমধ্যে ব্যবহৃত রাফাল বিমানের অনুরূপ হওয়ায় রাফাল মেরিন বিমানটির রক্ষণাবেক্ষণ ও প্রশিক্ষণ সহজতর হবে। বিমানটি অত্যাধুনিক সেন্সর, ক্ষেপণাস্ত্র এবং ইলেকট্রনিক যুদ্ধ সক্ষমতায় সজ্জিত, যা আধুনিক যুদ্ধের চাহিদা পূরণ করে। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন যে এই বিমানগুলো নৌবাহিনীর নাগাল এবং আঘাত হানার ক্ষমতাকে উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করবে।

সরবরাহ শুরু না হওয়া পর্যন্ত ভারতীয় নৌবাহিনীকে প্রশিক্ষণ ও পরিকাঠামো প্রস্তুত করতে হবে। গোয়া ট্রায়ালগুলো এই প্রস্তুতিরই একটি অংশ। সময়মতো সরবরাহ এবং প্রযুক্তি হস্তান্তরের মতো বিষয়গুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ থাকবে। সার্বিকভাবে, রাফাল মেরিনসের আগমন ভারতীয় নৌবাহিনীকে একবিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জের জন্য আরও ভালোভাবে প্রস্তুত করবে এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা ভারসাম্যে ভারতের ভূমিকাকে শক্তিশালী করবে।

Read more!
Advertisement
Advertisement