Advertisement

TMC Symbol: 'লড়াইটা ওঁর একার নয়...' মমতার পাশে দাঁড়ালেন রাহুল, কমিশনের তীব্র নিন্দা কংগ্রেসের

তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতীক ও নাম ফ্রিজ করার সিদ্ধান্ত নিয়ে নির্বাচন কমিশনকে একহাত নিলেন রাহুল গান্ধী। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশে তিনি রয়েছে, তা বুঝিয়ে দেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা। তিনি বলেন, 'ভোট চুরির পর এবার পার্টি চুরি।'

তৃণমূলের লোগো ফ্রিজ নিয়ে মমতার পাশে রাহুলতৃণমূলের লোগো ফ্রিজ নিয়ে মমতার পাশে রাহুল
Aajtak Bangla
  • নয়াদিল্লি,
  • 18 Sep 2026,
  • अपडेटेड 12:08 PM IST
  • তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতীক ও নাম ফ্রিজ করার সিদ্ধান্ত
  • নির্বাচন কমিশনকে একহাত নিলেন রাহুল গান্ধী
  • তিনি বলেন, 'ভোট চুরির পর এবার পার্টি চুরি'

তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতীক ও নাম ফ্রিজ করার সিদ্ধান্ত নিয়ে নির্বাচন কমিশনকে একহাত নিলেন রাহুল গান্ধী। এক্স হ্যান্ডলে একটি পোস্ট করে কংগ্রেস নেতা লেখেন, 'ভোট চুরি, সরকার চুরির পর এবার পার্টি চুরি। গণতন্ত্রিক অবক্ষয়ের প্রমাণ এগুলো।'

লোকসভার বিরোধী দলনেতার অভিযোগ, নির্বাচন কমিশন এবং BJP যৌথ ভাবে শক্তি প্রয়োগ করে রাজনৈতিক দলগুলিতে ২ টুকরো করছে। তারপর তাদের নির্বাচনী প্রতীকও কেড়ে নেওয়া হচ্ছে। শিবসেনা এবং জাতীয় কংগ্রেসের ক্ষেত্রেও এই একই প্যাটার্নে কাজ করেছে ওরা। 

রাহুল বলেন, 'যখন একটা গোটা দল চুরি করে নেওয়া হয়, তাহলে আশ্চর্য হওয়ার কিছু নেই, লক্ষ লক্ষ মানুষের ভোটও চুরি করা হয় এভাবেই।' নির্বাচন কমিশনের প্রাথমিক কর্তব্য সাংবিধানিক অধিকার রক্ষা করা, বদলে তারা জনমত পাল্টে দেওয়ার চেষ্টা করছে। এমনই দাবি কংগ্রেস নেতার। 

রাহুল আরও বলেন, 'এই লড়াইটা শুধু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নয়। এটা প্রত্যেকটা রাজনৈতিক দলের, প্রত্যেক ভোটারের লড়াই। যাঁরা অবাধ এবং সুষ্ঠু নির্বাচন চান।'

উল্লেখ্য, একই দলের নাম ও প্রতীক দাবি করে প্রতিদ্বন্দ্বী শিবিরের প্রার্থীরা আসন্ন উপনির্বাচনের জন্য মনোনয়ন জমা দেওয়ায় জটিলতার সৃষ্টি হয়। তাই দলের নাম ও প্রতীক ফ্রিজ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন। হাতছাড়া হয়েছে 'অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস' নামটিও। আপাতত নির্বাচনে লড়তে গেলে অন্য প্রতীক এবং নাম বেছে নেওয়া ছাড়া উপায় নেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের।

প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি এ প্রসঙ্গে বলেন, 'নির্বাচন কমিশন ইচ্ছাকৃতভাবে টালবাহানা করে রেজিনগর এবং নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনের মনোনয়ন পর্ব শেষ হয়ে যাওয়ার পর, যেদিন স্ক্রুটনির প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলো, সেদিন তাঁরা তাঁদের সিদ্ধান্ত ঘোষণা করলেন এবং প্রতীক ফ্রিজ করে দিলেন। এর উদ্দেশ্য নিয়ে গভীর সন্দেহের অবকাশ থাকে। আমরা দেখলাম, মহারাষ্ট্র মডেলে যেভাবে শিবসেনার প্রতীক নিয়ে ছিনিমিনি খেলা হয়েছিল, ঠিক একই কায়দায় পশ্চিমবঙ্গেও তৃণমূলের প্রতীক বিতর্কে নির্বাচন কমিশন অত্যন্ত ন্যক্কারজনক ভূমিকা গ্রহণ করল।' 
 

Advertisement

 

Read more!
Advertisement
Advertisement