
CJP-র সমর্থনে এবার রাস্তায় বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে আগেই সরব হয়েছে ছাত্র-যুবদের একাংশ। তাঁদের সমর্থনে এবার প্রধানমন্ত্রী মোদীর বাসভবনের বাইরে ধরনাতে বসলেন রাহুল গান্ধী।
এদিন কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গের বাসভবন থেকে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন পর্যন্ত মিছিল করেন কংগ্রেস নেতারা। এরপর প্রধানমন্ত্রী আবাসনের কাছেই রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী-সহ কংগ্রেসের অন্যান্য সাংসদরা ধর্নায় বসেন। প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের সামনে কংগ্রেসের বিক্ষোভ ও ধর্না চলতে থাকে। এই সময় আন্দোলনকারীরা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির পদত্যাগের দাবিতে স্লোগান তোলেন।
বিক্ষোভ চলাকালীন রাহুল গান্ধী সমাজমাধ্যম 'এক্স'-এ পোস্ট করে জানান, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কাছে জবাবদিহি দাবি করতেই তাঁরা প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের উদ্দেশে মিছিল করছেন। তাঁর অভিযোগ, আগের দিন ছাত্রদের উপর নৃশংস আচরণ করা হয়েছে। কিন্তু সরকার তার দায় স্বীকার করতে চাইছে না, এমনকি বিষয়টি নিয়ে সংসদেও আলোচনা করতেও রাজি নয়।
রাহুল গান্ধী পোস্টে লেখেন, 'গতকাল ছাত্রদের সঙ্গে যে নৃশংসতা হয়েছে, তার জবাব চাইতে আমরা প্রধানমন্ত্রী মোদীর বাসভবনের উদ্দেশে মিছিল করছি। সরকার এই নিয়ে কোনও বিবৃতি দিচ্ছে না। সংসদে আলোচনাও করছে না। দেশের যুবসমাজের ভবিষ্যৎ নষ্ট করার জন্য প্রধানমন্ত্রী এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগ করা উচিত।'
বিক্ষোভের সময় কংগ্রেস নেতারা ছাত্রদের বিরুদ্ধে হওয়া পদক্ষেপের নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানান। পাশাপাশি সরকারের বিরুদ্ধে যুবসমাজের কণ্ঠরোধের অভিযোগও তোলেন। তবে এই বিক্ষোভ নিয়ে সরকারের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনও সরকারি প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি।
এদিকে ধর্না শুরু হওয়ার আগে থেকেই সেখানে প্রচুর পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছিল। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত সাংসদদের আটকও করতে পারে পুলিশ।
গতকালই কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে জানিয়েছিলেন, তাঁদের দল ককরোচ জনতা পার্টির সঙ্গে আছে। তাঁদের আন্দোলনকে সমর্থন করেন। সেই একই সুর বজায় রেখে এদিন বলেন, 'কংগ্রেস ছাত্রছাত্রীদের অধিকার এবং তাঁদের ন্যায্য দাবির পাশে রয়েছে। আমরা প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের সামনে ধর্নায় বসেছি। এই ভীতু, স্বৈরাচারী সরকারকে লাঠিচার্জ ও বলপ্রয়োগের জবাব দিতে হবে। মোদী ও শাহ দেশের যুবসমাজের প্রতি অন্যায় করেছেন। তাঁদের পদত্যাগ করতে হবে।'