Advertisement

Rahul Gandhi: 'পড়ুয়াদের উপর গুলি চালাতে বলেছেন অমিত শাহ', রাহুলের মন্তব্যে উত্তাল সংসদ

রাহুল গান্ধী 'ইডিয়ট' এবং 'অন্ধভক্ত' শব্দদু'টির প্রয়োগ করতেই উত্তাল হয়ে ওঠে সংসদ। এই শব্দপ্রয়োগ অংসসদীয় এবং এটি সরিয়ে নেওয়ার দাবি তোলে ট্রেজারি বেঞ্চ। অমিত শাহকে নিয়েও লোকসভায় বিস্ফোরক দাবি করেন তিনি। রাহুলকে ক্ষমা চাইতে হবে, দাবি ট্রেজারি বেঞ্চের।

Aajtak Bangla
  • নয়াদিল্লি,
  • 29 Jul 2026,
  • अपडेटेड 2:58 PM IST
  • 'ইডিয়ট' এবং 'অন্ধভক্ত' শব্দদু'টির প্রয়োগ রাহুলের
  • অমিত শাহকে নিয়েও লোকসভায় বিস্ফোরক দাবি
  • রাহুলকে ক্ষমা চাইতে হবে, দাবি ট্রেজারি বেঞ্চের

প্রশ্নপত্র ফাঁস বিরোধী বিল নিয়ে রাহুল গান্ধী ভাষণ রাখতে শুরু করতেই হট্টগোল শুরু হয় লোকসভায়। তিনি এক ছাত্রীর সঙ্গে তাঁর কথোপকথন ব্যাখ্যা করতে গিয়ে 'ইডিয়ট' এবং 'অন্ধভক্ত' শব্দদু'টির প্রয়োগ করতেই উত্তাল হয়ে ওঠে সংসদ। তবে তাঁর বক্তব্য, 'শাসক পক্ষের কাউকে সরাসরি ইডিয়ট বলিনি।'

কেন 'ইডিয়ট' বললেন রাহুল?
কংগ্রেস সাংসদের কথায়, 'এক ছাত্রী আমায় জানিয়েছিলেন, এমন একটা গ্রুপ রয়েছে যারা বিশ্বাস করলে তারা সব কিছু জানে। তারা নিজেদের ভগবান মনে করে। ওরা অহংকারী এবং কারও কথা শোনে না। আমি ওই ছাত্রীকে জিজ্ঞাসা করেছিলাম, কাদের কথা বলছো? সে উত্তর দিয়েছিল, ওরকম মানুষদের সে ইডিয়ট মনে করে।'  রাহুলের এই মন্তব্যের পরই হট্টগোল বেঁধে যায়। তাঁর এই শব্দপ্রয়োগ অংসসদীয় এবং এটি সরিয়ে নেওয়ার দাবি তোলে ট্রেজারি বেঞ্চ। 

কাদের অন্ধভক্ত বলেছিলেন রাহুল?
হাঙ্গামার মাঝেই রাহুল নিজের ভাষণ জারি রেখেছিলেন। তিনি বলেন, 'আমি ভাবলাম, একটা ক্যাটাগরি ইডিয়ট, একটা পড়ুয়া, তাহলে ৩ নম্বর ক্যাটাগরি কারা? সে জবাবে জানিয়েছিল, অন্ধভক্তরা ৩ নম্বর ক্যাটাগরিতে পড়ে।'

নিশানায় অমিত শাহ 
আলোচনার সময় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে নিশানা করেও বিস্ফোরক দাবি করেন রাহুল গান্ধী। তাঁর দাবি, দিল্লির যন্তর মন্তরে CJP-র আন্দোলনের সময় ছাত্রদের বিরুদ্ধে বলপ্রয়োগের নির্দেশ দিয়েছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নিজেই। এই মন্তব্য ঘিরে সংসদে তুমুল হইচই শুরু হয়। 

রাহুল গান্ধী বলেন, 'স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আমাদের ছাত্রদের উপর গুলি চালানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন। তাঁদের শরীরে পেলেট ঢুকেছে। ভারতের ছাত্রদের লক্ষ্য করে গুলি চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। এ ধরনের বলপ্রয়োগের অনুমোদন দেওয়ার ক্ষমতা কেবল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বা প্রধানমন্ত্রীরই থাকে।'

রাহুলের এই মন্তব্যের পরই শাসকদলের সাংসদরা তীব্র প্রতিবাদে সরব হন। সংসদীয় বিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজু অভিযোগের পক্ষে প্রমাণ দাবি করেন এবং বলেন, 'কোনও তথ্যপ্রমাণ ছাড়া স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বিরুদ্ধে এত গুরুতর অভিযোগ করা যায় না।' এর পাশাপাশিই NDA-র একাধিক সাংসদ রাহুল গান্ধীর কাছে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানান। লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা হস্তক্ষেপ করেন। তিনি রাহুলকে মনে করিয়ে দেন, সংসদে কোনও গুরুতর অভিযোগ তুলতে হলে তার পক্ষে যথাযথ তথ্যপ্রমাণ থাকা প্রয়োজন।

Advertisement


 

 

Read more!
Advertisement
Advertisement