
বর্তমানে ১০ ও ২০ টাকার কাগজের নোটের অবস্থা অত্যন্ত খারাপ। এই বিষয়টা মোটের উপর সকলেই জানেন। এমতাবস্থায় খবরটা পৌঁছে গিয়েছে সরকারের উপরের স্তরেও। তাই এবার কাগজের নোটের পাশাপাশি প্লাস্টিকের নোট চালু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে আরবিআই। আর সেই প্রস্তাবে গ্রিন সিগন্যালও দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। তারপর থেকেই সাধারণ মানুষের মনে প্রশ্ন, ঠিক কবে দেশে চালু হয়ে যাবে প্লাস্টিকের নোট বা পলিমারের নোট? আর সেই বিষয়টা নিয়ে মুখ খুলছেন আরবিআই-এর গভর্নর সঞ্জয় মালহোত্রা।
ভারতে প্লাস্টিকের নোট কবে চালু হবে?
আজ এই বিষয়টা সম্পর্কে জানিয়েছেন আরবিআই গভর্নর সঞ্জয় মালহোত্রা। তিনি দাবি করেছেন, ২০২৮ অর্থবর্ষের শুরুর দিকে পলিমার কারেন্সি নোট বা প্লাস্টিক নোট চালুর টার্গেট নেওয়া হয়েছে।
অর্থাৎ মোটামুটি ২০২৭ সালের এপ্রিল মাস নাগাদ প্লাস্টিক নোট চালু হতে পারে বলে ধরে নেওয়া যায়।
কোন কোন টাকার নোট বাজারে ছাড়া হবে?
মোদী সরকার সংসদে পলিমার (প্লাস্টিক) নোট সংক্রান্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ খবর জানিয়েছে। আরবিআই-এর প্রস্তাব অনুমোদন পেয়েছে। সরকার জানিয়েছে, ১০ এবং ২০ টাকার নোটে মোট ১০০ কোটি পলিমার নোটের উপর এই পরীক্ষা চালানো হবে। এই পরীক্ষা সফল হলে, প্লাস্টিকের নোটগুলো নিয়মিতভাবে চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে।
এখনকার টাকাগুলি কি উঠে যাবে?
এখন কাগজের ১০-২০ টাকার নোট চালু রয়েছে। এখন প্রশ্ন হল, যদি প্লাস্টিকের নোট চালু হয়, তাহলে এগুলি কি তুলে নেওয়া হবে? এই বিষয়ে সরকার স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, বর্তমানে প্রচলিত কাগজের নোটগুলোর উপর এর কোনও প্রভাব পড়বে না। এর সহজ অর্থ হল, কাগজের নোট বন্ধ করা হবে না। বরং পলিমার নোটের পাশাপাশি কাগজের নোটও বন্ধ হয়ে যাবে। সরকার জানিয়েছে, বর্তমানে কাগজের নোটকে সম্পূর্ণরূপে পলিমার নোট দিয়ে বদলে ফেলার কোনও প্রস্তাব নেই।
মাথায় রাখতে হবে, প্লাস্টিক নোট অনেক বেশি টেকসই। এটি খুব সহজে নষ্ট নয় না। অন্যদিকে এখনকার কাগজের নোট খুব তাড়াতাড়ি নষ্ট হয়। এগুলি খুব বেশি দিন চলে না। আর ছেঁড়া নোট অন্যরা নিতেও চায় না। যার ফলে সমস্যা বাড়ে। তাই প্লাস্টিকের নোট চালু করার চেষ্টা অনেকদিন ধরেই ছিল। আরবিআই সেই প্রস্তাব দেয় সরকারকে। তারপর সেই বিষয়ে গ্রিন সিগন্যাল দেয় কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদী সরকার।