Advertisement

ফাঁকা ক্লাসে ‘রোম্যান্স পিরিয়ড’, ভিডিও VIRAL হতেই সাসপেন্ড শিক্ষক-শিক্ষিকা 

এক শিক্ষিকা শ্রেণিকক্ষের একটি চেয়ারে বসে রয়েছেন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন এক সহকারী শিক্ষক। প্রথমে তাঁদের কথোপকথন চলছিল। পরে ওই শিক্ষক চারপাশে তাকিয়ে শিক্ষিকার কাছে গিয়ে ঘনিষ্ঠ হওয়ার চেষ্টা করেন। অভিযোগ, সেই দৃশ্যই ক্যামেরাবন্দি হয়ে ভাইরাল হয়েছে।

সেই ভাইরাল ভিডিওর ছবি।-ফাইল ছবিসেই ভাইরাল ভিডিওর ছবি।-ফাইল ছবি
Aajtak Bangla
  • দিল্লি,
  • 15 Jul 2026,
  • अपडेटेड 3:19 PM IST
  • শিশুরা স্কুলে আসে পড়াশোনা করতে, আর শিক্ষক-শিক্ষিকারা আসেন তাদের শিক্ষা দিতে।
  • কিন্তু উত্তরপ্রদেশের কন্নৌজ জেলার একটি সরকারি স্কুলে ঘটে যাওয়া এক ঘটনার ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়ার পর শিক্ষা দফতর নড়েচড়ে বসেছে।

শিশুরা স্কুলে আসে পড়াশোনা করতে, আর শিক্ষক-শিক্ষিকারা আসেন তাদের শিক্ষা দিতে। কিন্তু উত্তরপ্রদেশের কন্নৌজ জেলার একটি সরকারি স্কুলে ঘটে যাওয়া এক ঘটনার ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়ার পর শিক্ষা দফতর নড়েচড়ে বসেছে। শ্রেণিকক্ষের ভিতরে দুই শিক্ষককে আপত্তিকর অবস্থায় দেখা যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ভিডিওটি প্রকাশ্যে আসতেই প্রাথমিক তদন্তের ভিত্তিতে তাঁদের দু'জনকেই সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

তবে শিক্ষা দফতর জানিয়েছে, ভাইরাল ভিডিওটির সত্যতা এখনও চূড়ান্তভাবে যাচাই করা হয়নি। বিভাগীয় তদন্ত শেষ হওয়ার পরই পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

জানা গিয়েছে, ঘটনাটি কন্নৌজ জেলার সৌরিখ ব্লকের একটি সরকারি সমন্বিত প্রাথমিক বিদ্যালয়ের। কয়েক দিন আগে একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে দেখা যায়, এক শিক্ষিকা শ্রেণিকক্ষের একটি চেয়ারে বসে রয়েছেন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন এক সহকারী শিক্ষক। প্রথমে তাঁদের কথোপকথন চলছিল। পরে ওই শিক্ষক চারপাশে তাকিয়ে শিক্ষিকার কাছে গিয়ে ঘনিষ্ঠ হওয়ার চেষ্টা করেন। অভিযোগ, সেই দৃশ্যই ক্যামেরাবন্দি হয়ে ভাইরাল হয়েছে।

শিক্ষা দফতরের প্রাথমিক অনুমান, ভিডিওটি গত শীতকালে রেকর্ড করা হয়েছিল। ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর জেলা বেসিক শিক্ষা আধিকারিক (বিএসএ) সন্দীপ কুমার ঘটনার তদন্তের নির্দেশ দেন।

তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয় সৌরিখের ব্লক শিক্ষা আধিকারিক (বিইও) বিশ্বনাথ পাঠককে। তাঁর প্রাথমিক তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ভিডিওতে ধরা পড়া শিক্ষকদের আচরণ অত্যন্ত অনভিপ্রেত এবং বিদ্যালয়ের পরিবেশের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ। এমন ঘটনা শিক্ষার্থীদের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

এই রিপোর্টের ভিত্তিতেই দুই সহকারী শিক্ষককে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। বরখাস্তের সময় একজনকে গুজরাটপুর ব্লক রিসোর্স সেন্টারে (বিআরসি) এবং অন্যজনকে তালগ্রাম বিআরসিতে সংযুক্ত করা হয়েছে।

শিক্ষা দফতর জানিয়েছে, দুই শিক্ষকের বিরুদ্ধেই বিভাগীয় তদন্ত শুরু হয়েছে। তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হলে সরকারি বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বর্তমানে তাঁরা দু'জনেই সাময়িক বরখাস্ত রয়েছেন এবং তদন্ত প্রক্রিয়া চলছে।

Advertisement

 

Read more!
Advertisement
Advertisement