
সাহিত্য আজতকে নেতাজির ঐতিহ্য নিয়ে আলোচনা হয়। আলোচনায় অংশ নেন চন্দ্র কুমার বসু, সাংসদ সুখেন্দু শেখর রায় ও রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞ নীলাদ্রি বন্দ্যোপাধ্যায়।
চন্দ্র কুমার বসু বলেন,'নেতাজি ভারতের প্রতীক। আমি গোটা দেশের মানুষকে বলতে চাই নেতাজির আদর্শকে মেনে চলুন। নেতাজির আদর্শই একমাত্র পারে এটা করতে। তিনিই একমাত্র অনুপ্রেরণা।'
তিনি আরও জানান, নেতাজি রাজনীতি-অর্থনীতি সব কিছুর স্বাধীনতা চেয়েছিলেন। তবে তা হয়নি। তিনি এমন ভারত চাননি। নেতাজি চেয়েছিলেন, কাস্ট সিস্টেম বিলুপ্ত হোক। তিনি ধার্মিক মানুষ ছিলেন। দক্ষিণেশ্বর মন্দিরে যেতেন। নেতাজি ধার্মিক ও আধ্যাত্মিক ছিলেন। তবে তিনি ধর্মকে রাজনীতিতে আনতে চাননি। নেতাজি মহিলাদের স্বীকৃতি দিয়েছিলেন। আজাদ হিন্দ ফৌজের অংশ বানিয়েছিলেন। তা এক ইতিহাস। অথচ সেই মহিলারা এখন ব্রাত্য। এখনও দেশে মহিলারা নিজের অধিকার রক্ষায় লড়াই করছেন।'
তিনি আরও বলেন, 'অনেকে বলেন, নেতাজির পথে চলবেন। কেন্দ্র সরকার একাধিক মূর্তি বসিয়েছে। তবে নেতাজির সঠিক সম্মান দেওয়া তখনই হবে যখন তাঁর আদর্শকে মেনে চলা হবে।'
তিনি আরও বলেন, 'ভারতের ১৩৫ কোটি মানুষকে নেতাজি সম্পর্কে বোঝাতে হবে। নেতাজির সৈন্যবাহিনীতে কেউ হিন্দু-মুসলমান ছিলেন না। তাঁরা সবাই ভারতীয় ছিলেন। সেকুলার শব্দের তাৎপর্য এখন দেশে নেই। সেদিনই সবাই সেকুলার হবে যেদিন সবাই তা মেনে চলবে।'