Advertisement

Falhari Maharaj: প্রেমানন্দ মহারাজের পাশে দাঁড়ালেন সাধুসন্তরা, বৃন্দাবনে মিটিং করে ফলহারি মহারাজকে বয়কট ঘোষণা

Premanand Maharaj Vs Falhari Maharaj: প্রেমানন্দ মহারাজের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে সরব হয়েছিলেন দীনেশ ফলহারি ওরফে দীনেশ শর্মা। এবার সেই ফলহারি মহারাজের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিল সন্ত সমাজ।

প্রেমানন্দ মহারাজের বিরুদ্ধে অভিযোগে ক্ষুব্ধ সাধু সন্তরাপ্রেমানন্দ মহারাজের বিরুদ্ধে অভিযোগে ক্ষুব্ধ সাধু সন্তরা
Aajtak Bangla
  • মথুরা,
  • 23 Oct 2026,
  • अपडेटेड 10:30 AM IST
  • দীনেশ ফলহারি ওরফে দীনেশ শর্মা, ফলহারি মহারাজের বিরুদ্ধে কড়া সিদ্ধান্তের ঘোষণা করল সাধু-সন্ত সমাজ।
  • সভায় দীনেশ ফলহারির বিরুদ্ধে নিন্দা প্রস্তাব পাস করা এবং সামাজিক ও ধর্মীয়ভাবে তাঁকে বয়কট করার ঘোষণা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
  • সন্ত সমাজের মর্যাদা এবং সনাতন ধর্মের সম্মান নিয়ে কাউকে ছিনিমিনি খেলতে দেওয়া যায় না।

এবার দীনেশ ফলহারি ওরফে দীনেশ শর্মা, ফলহারি মহারাজের বিরুদ্ধে কড়া সিদ্ধান্তের ঘোষণা করল সাধু-সন্ত সমাজ। বৃহস্পতিবার সিদ্ধপীঠ হনুমান টেকরি আশ্রমে সন্ত সমাজের একটি বিশাল সভার আয়োজন করা হয়। সেই সভাতে প্রেমানন্দ মহারাজ, ধর্মাচার্য, এবং ব্রজবাসীদের বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন অভিযোগ তোলা এবং সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে তাঁদের ভাবমূর্তি নষ্ট করার প্রতিবাদে কড়া অবস্থান নিল সন্ত সমাজ। সভায় দীনেশ ফলহারির বিরুদ্ধে নিন্দা প্রস্তাব পাস করা এবং সামাজিক ও ধর্মীয়ভাবে তাঁকে বয়কট করার ঘোষণা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

ধর্মসভায় গীতা মনীষী স্বামী জ্ঞানানন্দ মহারাজ এবং পিপাদ্বাচার্য স্বামী বলরাম দেবাচার্য মহারাজ বলেন, সন্ত সমাজের মর্যাদা এবং সনাতন ধর্মের সম্মান নিয়ে কাউকে ছিনিমিনি খেলতে দেওয়া যায় না।

হনুমান টেকরির মহন্ত দশরথ দাস মহারাজ এবং ভাগবত নিবাসের মহন্ত যুগল চরণ দাস বলেন, দীনেশ ফলাহারি ক্রমাগত বিশিষ্ট সন্ত ও ধর্মাচার্যদের বিরুদ্ধে পর্যাপ্ত প্রমাণ ছাড়াই গুরুতর অভিযোগ করে চলেছেন। এমন ব্যক্তিকে সমাজ থেকে বয়কট করাই উপযুক্ত।

চতুঃসম্প্রদায়ের মহন্ত ফুলদোল বিহারী দাস মহারাজ এবং মহামণ্ডলেশ্বর স্বামী রামস্বরূপ দাস মহারাজ বলেন, ক্ষমা চাওয়ার পরেও দীনেশ ফলাহারি প্রেমানন্দজি মহারাজের বিরুদ্ধে অন্য ব্যক্তিদের অর্থ দেওয়ার বিষয়ে নতুন অভিযোগ করেছেন।

মহামণ্ডলেশ্বর স্বামী ডক্টর আদিত্যনন্দ গিরি মহারাজ এবং স্বামী কৃষ্ণানন্দ মহারাজ বলেন, সোশ্যাল মিডিয়ায় কিছু ব্যক্তির দ্বারা সন্তদের পুরনো ভিডিয়ো প্রচার করার ঘটনাও সামনে আসছে। তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। আবার আচার্য মৃদুল কান্ত শাস্ত্রী এবং সুভাষ গৌড় লালা বলেন, যে কোনও ব্যক্তির প্রমাণের ভিত্তিতে প্রশ্ন তোলার অধিকার রয়েছে। কিন্তু প্রমাণ ছাড়াই প্রকাশ্যে অভিযোগ তুলে কারও সুনাম নষ্ট করা গ্রহণযোগ্য নয়।

স্বামী গোবিন্দানন্দ তীর্থ মহারাজ এবং মহামণ্ডলেশ্বর স্বামী সুন্দর দাস মহারাজ বলেন, এই বিষয়টি কোনও এক জন সন্ত বা আশ্রমের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। বরং এটি সমগ্র সন্ত সমাজের সম্মান, মর্যাদা এবং সনাতন ঐতিহ্যের প্রতিষ্ঠার সঙ্গে যুক্ত। আবার, স্বামী অতুলকৃষ্ণ দাস মহারাজ এবং আচার্য জ্ঞানেশ মহারাজ বলেন, আজকের ধর্মসভায় দীনেশ ফলাহারির কুকর্মের নিন্দা করে তাঁকে সমগ্র সমাজ থেকে বয়কট করার যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, তা প্রশংসনীয়।

Advertisement

 

Read more!
Advertisement
Advertisement