Advertisement

SBI-এর লকার থেকে গায়েব ৫০ লক্ষের গয়না, ব্রাঞ্চ ম্যানেজারের নামে FIR

পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে ব্যাঙ্কের রেকর্ডে এমন একটি এন্ট্রিও পাওয়া গিয়েছে বলে জানা গিয়েছে, যা থেকে ইঙ্গিত মিলেছে যে ওই মহিলার লকার আগেও অ্যাক্সেস করা হয়েছিল।

ফাইল ছবি ফাইল ছবি
Aajtak Bangla
  • কানপুর ,
  • 11 Aug 2026,
  • अपडेटेड 10:01 PM IST
  • মহিলার অভিযোগ, তিনি ওই লকারে সোনার গয়না এবং অন্যান্য মূল্যবান সামগ্রী রেখেছিলেন
  • সব মিলিয়ে সেই সামগ্রীর মূল্য প্রায় ৫০ লক্ষ টাকা বলে দাবি তাঁর

ব্যাঙ্কের লকারে নিজেদের মূল্যবান সামগ্রী নিরাপদে রাখে বহু মানুষ। কিন্তু সেই ব্যাঙ্ক লকার থেকেই গায়েব হয়ে গেল ৫০ লাখ টাকার গয়না। অভিযোগ, SBI-এর একটি লকার থেকে প্রায় ৫০ লক্ষ টাকা মূল্যের সোনার গয়না ও অন্যান্য মূল্যবান সামগ্রী উধাও হয়ে গিয়েছে। ঘটনায় এক মহিলার অভিযোগের ভিত্তিতে ব্যাঙ্কের ব্রাঞ্চ ম্যানেজার-সহ একাধিক কর্মীর বিরুদ্ধে FIR দায়ের করেছে পুলিশ।

ঘটনাটি কানপুরের স্বরূপ নগর এলাকার SBI শাখার। অভিযোগকারী মহিলার দাবি, ২০০৩ সালে তৎকালীন স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ত্রাভাঙ্কোর (SBT)-এর স্বরূপ নগর শাখায় তিনি একটি লকার নিয়েছিলেন। পরে ব্যাঙ্কের সংযুক্তিকরণের পর ওই শাখা স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া বা SBI-এর অধীনে চলে আসে।

মহিলার অভিযোগ, তিনি ওই লকারে সোনার গয়না এবং অন্যান্য মূল্যবান সামগ্রী রেখেছিলেন। সব মিলিয়ে সেই সামগ্রীর মূল্য প্রায় ৫০ লক্ষ টাকা বলে দাবি তাঁর। ব্যাঙ্কের লকারে রাখা থাকায় সেগুলি নিরাপদেই রয়েছে বলে এতদিন বিশ্বাস করেছিলেন তিনি।

মহিলা জানিয়েছেন, তাঁর স্বামীর মৃত্যুর পর তিনি লখনউয়ে চলে যান। ফলে কানপুরের ওই ব্যাঙ্কে তাঁর যাতায়াত অনেকটাই কমে যায়। নিয়মিত লকার পরীক্ষা করাও সম্ভব হত না। তবে তাঁর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে লকারের চার্জ নিয়মিত কেটে নেওয়া হচ্ছিল। তাই তাঁর ধারণা ছিল, লকারটি সক্রিয় রয়েছে এবং ভিতরে রাখা সমস্ত সামগ্রীও সুরক্ষিত আছে।

সম্প্রতি তিনি ব্যাঙ্কে গিয়ে নিজের লকার খোলার চেষ্টা করেন। অভিযোগ, প্রথমে তাঁকে জানানো হয়, ব্যাঙ্কের সংযুক্তিকরণের পর তাঁর লকার সংক্রান্ত পুরনো রেকর্ড তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যাচ্ছে না। এরপর ব্যাঙ্কের তরফে রেকর্ড খোঁজা শুরু হয়। পরে লকারের তথ্য পাওয়া গেলে তাঁকে সেটি খোলার অনুমতি দেওয়া হয়।

কিন্তু লকার খুলতেই কার্যত মাথায় হাত পড়ে মহিলার। তাঁর দাবি, লকারের ভিতরে কোনও গয়না বা মূল্যবান সামগ্রীই ছিল না। সম্পূর্ণ খালি ছিল লকার। এরপরই তিনি অভিযোগ করেন, লকারে রাখা প্রায় ৫০ লক্ষ টাকা মূল্যের সোনার গয়না এবং অন্যান্য সামগ্রী উধাও হয়ে গিয়েছে।

Advertisement

এরপরই পুলিশের দ্বারস্থ হন মহিলা। তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতে কানপুরের স্বরূপ নগর থানায় SBI-এর ব্রাঞ্চ ম্যানেজার এবং কয়েকজন কর্মীর বিরুদ্ধে FIR দায়ের করা হয়েছে।

পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে ব্যাঙ্কের রেকর্ডে এমন একটি এন্ট্রিও পাওয়া গিয়েছে বলে জানা গিয়েছে, যা থেকে ইঙ্গিত মিলেছে যে ওই মহিলার লকার আগেও অ্যাক্সেস করা হয়েছিল। ফলে এখন তদন্তকারীদের মূল নজর, লকারটি আগে কবে খোলা হয়েছিল, কারা সেটি অ্যাক্সেস করেছিলেন এবং সেই সময় ব্যাঙ্কের নিয়ম অনুযায়ী কী প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়েছিল।

ঘটনার তদন্তে ব্যাঙ্কের লকার অ্যাক্সেস রেজিস্টার, CCTV ফুটেজ এবং অন্যান্য নথি খতিয়ে দেখছে পুলিশ। পুরনো রেকর্ডও পরীক্ষা করা হচ্ছে। লকারে শেষবার কবে প্রবেশ করা হয়েছিল এবং সেই সময় কারা উপস্থিত ছিলেন, তা জানার চেষ্টা চলছে।

পুলিশ ইতিমধ্যেই মামলা দায়ের করে তদন্ত শুরু করেছে। ব্রাঞ্চ ম্যানেজার এবং ব্যাঙ্কের কর্মীদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এই ঘটনায় ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষের বক্তব্য এখনও পাওয়া যায়নি।

Read more!
Advertisement
Advertisement