Advertisement

NEET Paper Leak Protest: 'ওরা কেউ 'দুষ্কৃতী' নয়, সাধারণ ছাত্র-জনতা', ধর্মতলাকাণ্ডে জামিনে মুক্ত ১৬ জনের পাশে SFI

যদি এই ১৬ জন দুষ্কৃতীই হতেন, তাহলে এঁদের জামিন কেন দিল আদালত? এমনটাই প্রশ্ন তুলছে SFI। ধর্মতলার মিছিলে বিশৃঙ্খলা ছড়ানো ও সাংবাদিকদের গায়ে হাত তোলার অভিযোগে ১৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। তাঁরা জামিন পেতেই ফুল মালা পরিয়ে বরণ করা হল।

জামিনে মুক্ত ১৬ জনজামিনে মুক্ত ১৬ জন
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 29 Jul 2026,
  • अपडेटेड 1:59 PM IST
  • জামিনে মুক্ত ১৬ জন দুষ্কৃতী নন
  • এমনটাই দাবি করল SFI
  • তাঁরা প্রত্যেকেই ছাত্র-জনতা বলে দাবি

কলকাতায় নিট প্রশ্ন ফাঁসে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে ডাকা মিছিলে অশান্তির ঘটনায় গ্রেফতার করা হয়েছিল ১৬ জনকে। তাঁদের বিরুদ্ধে পুলিশকে লক্ষ্য করে বোতল ছোড়া, সাংবাদিকদের নিগ্রহ করার অভিযোগও ছিল। তাঁদের বিরুদ্ধে গুন্ডাদমন আইন লাগু করার কথাও জানিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। কিন্তু মঙ্গলবারই ৫০০ টাকার বন্ডে প্রত্যেকের জামিন মঞ্জুর করে মুখ্য জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত। জামিনের আবেদনের বিরোধিতাও করেননি সরকার পক্ষের আইনজীবী। নেপথ্যে, ককরোচদের দেওয়া আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে FIR প্রত্যাহার করে নেওয়ার কেন্দ্রীয় প্রতিশ্রুতি। জামিনের মুক্তদের এরপর মালা পরিয়ে বরণ করে নিতে দেখা যায়, তাঁদের সমর্থনে ওঠে স্লোগানও। সেক্ষেত্রে দুষ্কৃতি-বহিরাগত ঢুকে মিছিল বাঞ্চাল করার অভিযোগ তোলা SFI-এর কী প্রতিক্রিয়া? অভিযুক্ত ১৬ জনের জামিন সমর্থন করছে বাম ছাত্র সংগঠনগুলি?  

১৬ জনের মুক্তি সমর্থন করছে SFI?
SFI-এর রাজ্য সাধারণ সম্পাদক দেবাঞ্জন দে বলেন, 'ওঁরা কোনও দলের কর্মী, এ কথা আমরা আগে তো বলিনি। ছাত্রদের সমর্থনেই ওঁরা ওখানে গিয়েছিলেন। সমস্ত অংশের মানুষেরাই অংশগ্রহণ করেছিলেন, সকলকেই আহ্বান জানানো হয়েছিল। কিন্তু তাঁদের উপর মিথ্যা মামলা চাপানো হয়।' তাঁর আরও সংযোজন, 'যদি এঁরাই তাঁরা হতো, যাঁরা বিশৃঙ্খলা করেছিল বা সংবাদমাধ্যমের কর্মীদের গায়ে হাত তুলেছিল, তাহলে এঁরা নিশ্চয়ই জামিন পেত না।'

কেন্দ্রের সঙ্গে ককরোচ জনতা পার্টির বৈঠকের পর দেওয়া প্রতিশ্রুতির ভিত্তিতেই এই ১৬ জনকেও মুক্তি দেওয়া হয়েছে, এ কথা মানতে নারাজ SFI। দেবাঞ্জনের কথায়, 'সরকারি বিজ্ঞপ্তি কোথায়? বিহার তো সরকারি বিজ্ঞপ্তি বের করেছে।' তবে কি এই ১৬ জন বহিরাগত বা দুষ্কৃতি নয়? SFI-এর সাধারণ সম্পাদকের জবাব, 'তেমনটাই তো দাঁড়াচ্ছে, অন্তত আদালত তো তাই বলছে।'

ধর্মতলায় জমায়েত হওয়ার পর একটা সময়ে SFI সহ বাম ছাত্র সংগঠনগুলির হাত থেকে নিয়ন্ত্রণ চলে যায় ভিড়ের। অভিযোগ ওঠে, পুলিশের দিকে বোতল-ইট ছোড়া হয়। ভিড়ের একটা অংশ সাংবাদিকদের গায়েও হাত তোলে। মিছিল শেষে ছাত্রনেতাদের পক্ষ থেকে বিশৃঙ্খলার নিন্দা জানিয়ে বলা হয়, কিছু বহিরাগত এবং দুষ্কৃতী ইচ্ছাকৃত ভাবে জমায়েতের মধ্যে ঢুকে এইসব কাণ্ড ঘটিয়েছে। দাবি করা হয়, তাঁরা কেউই বাম ছাত্র সংগঠনগুলির সঙ্গে জড়িত নন। সেক্ষেত্রে যাঁদের দুষ্কৃতী বা বহিরাগত বলা হল, তাঁদেরই মালা পরিয়ে বরণ করা হল? 

Advertisement

দেবাঞ্জন দে-এর কথায়, 'এই প্রশ্ন উদ্ভট এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে আমাদের করা হচ্ছে। যেদিন এঁদের প্রথম কোর্টে তোলা হয়েছিল, আমরা উপস্থিত ছিলাম। এঁরা প্রত্যেকেই সাধারণ ছাত্র-জনতা। ইচ্ছাকৃত ভাবে সাম্প্রদায়িক উস্কানিমূলক উদ্দেশ্য থেকে গ্রেফতার করা হয়। আমাদের আইনজীবীরা এঁদের হয়ে লড়েছে।'

তবে যাঁরা বোতল ছুড়ল, সাংবাদিকদের মারল, তাঁরা কারা? SFI নেতা মনে করছেন, 'পুলিশ খুঁজে বের করুক। তদন্ত হোক। আমাদের সাহায্য চাইলে, আমরাও করব।'

 

Read more!
Advertisement
Advertisement