Advertisement

Amit Shah : 'বন্দে মাতরম' গান 'থামাতে' বলেছিলেন সোনিয়া, অভিযোগ অমিত শাহর; কংগ্রেসকে নির্লজ্জ বলে আক্রমণ

কংগ্রেসের সদর দফতরে স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানের কয়েকটি দৃশ্য প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই এই বিতর্কের সূত্রপাত। সেখানে দেখা যায় 'বন্দে মাতরম' পরিবেশনের সময় দলের কয়েকজন শীর্ষ নেতা নিজেদের মধ্যে কথা বলছিলেন।

অমিত শাহ ও সোনিয়া গান্ধী অমিত শাহ ও সোনিয়া গান্ধী
Aajtak Bangla
  • জয়পুর ,
  • 16 Aug 2026,
  • अपडेटेड 2:52 PM IST
  • শাহ কংগ্রেসের কাছে দেশের মানুষের কাছে এবং 'বন্দে মাতরম'-এর রচয়িতা বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের কাছেও ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানান
  • চিত্তৌড়গড়ে একটি জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে শাহ কংগ্রেসকে তোপ দাগেন

স্বাধীনতা দিবসে 'বন্দে মাতরম' গানে বাধা দেওয়ার চেষ্টার অভিযোগ উঠেছিল কংগ্রেস নেত্রী সোনিয়া গান্ধীর বিরুদ্ধে। সেই ইস্যুতে মুখ খুললেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। কংগ্রেসকে নির্লজ্জ বলে আক্রমণ করলেন তিনি। দিল্লিতে কংগ্রেসের সদর দফতরে 'বন্দে মাতরম'-এর পরিবেশন বন্ধ করার চেষ্টা করা হয়েছিল বলে অভিযোগ করে তিনি বলেন, 'এই পাপ দেশের মানুষ কখনও ক্ষমা করবে না।'

চিত্তৌড়গড়ে একটি জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে শাহ অভিযোগ করেন, স্বাধীনতা দিবসে কংগ্রেসের সদর দফতরে 'বন্দে মাতরম' পরিবেশনের সময় কংগ্রেস নেত্রী সোনিয়া গান্ধী দলের সভাপতিকে জাতীয় গান থামানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন। 

শাহ বলেন, 'ওদের (কংগ্রেসের) নির্লজ্জতা দেখুন। কংগ্রেস পার্টির সদর দফতরে 'বন্দে মাতরম' গাওয়া হচ্ছিল। গানটি চলাকালীন কংগ্রেস নেত্রী সোনিয়া গান্ধী কংগ্রেস সভাপতিকে গান থামিয়ে দিতে বলেছিলেন। আমরা সবাই টিভিতে বসে তা দেখেছি।'

কংগ্রেসের সর্বোচ্চ নেতৃত্বকে আক্রমণ করে বলেন, 'সোনিয়া জি, ১৪০ কোটি মানুষ আপনাকে দেখছে। আপনি যে পাপ করেছেন, দেশের মানুষ আপনাকে কখনও ক্ষমা করবে না। কেউ কীভাবে 'বন্দে মাতরম'-এর মতো জাতীয় গানকে অসম্পূর্ণ রেখে দেওয়ার কথা ভাবতে পারেন? কংগ্রেসের  লজ্জিত হওয়া উচিত।'

শাহ কংগ্রেসের কাছে দেশের মানুষের কাছে এবং 'বন্দে মাতরম'-এর রচয়িতা বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের কাছেও ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানান। তিনি বলেন, 'যদি আপনাদের মধ্যে এতটুকুও লজ্জা অবশিষ্ট থাকে, তাহলে হাতজোড় করে বঙ্কিমবাবুর অমর আত্মার কাছে এবং দেশের মানুষের কাছে ক্ষমা চাওয়া উচিত।' 

কংগ্রেসের সদর দফতরে স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানের কয়েকটি দৃশ্য প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই এই বিতর্কের সূত্রপাত। সেখানে দেখা যায় 'বন্দে মাতরম' পরিবেশনের সময় দলের কয়েকজন শীর্ষ নেতা নিজেদের মধ্যে কথা বলছিলেন। এরপর বিজেপি নেতারা দাবি করেন, ওই আচরণ জাতীয় গানের প্রতি অসম্মান প্রদর্শনের সামিল।

বিজেপি নেতা অমিত মালব্যও সোনিয়া গান্ধীকে নিশানা করেন। তিনি দাবি করেন, সোনিয়া গান্ধী ‘বন্দে মাতরম’-এর সম্পূর্ণ পরিবেশনের বিরোধিতা করেছিলেন। মালব্যর অভিযোগ, প্রথম কয়েকটি স্তবক গাওয়ার পরই সোনিয়া গান্ধী রেগে যান। গানটি থামিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেন। রাহুল গান্ধীকেও গানটি শেষ করে দেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন বলে দাবি করেন তিনি। 

Advertisement

তবে কংগ্রেস এই অভিযোগ খারিজ করেছে। দলের দাবি, সোনিয়া গান্ধীর আচরণের সঙ্গে 'বন্দে মাতরম' থামিয়ে দেওয়ার কোনও সম্পর্ক ছিল না। বরং সোনিয়া নাকি সঠিকভাবে পরিবেশনের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিশ্চিত করার চেষ্টা করছিলেন। 

Read more!
Advertisement
Advertisement