Advertisement

El Nino Forecast: শক্তিশালী এল নিনো অ্যাক্টিভ, বর্ষার শেষে কেমন থাকবে আবহাওয়া? IMD জানিয়ে দিল

ইতিমধ্যেই অ্যাক্টিভ হয়েছে শক্তিশালী এল নিনো। নিউট্রাল আইওডি তৈরি হয়েছে ভারত মহাসাগরে। এর ফলে বর্ষা পরবর্তী আবহাওয়ায় বিরাট প্রভাব পড়তে পারে। এমন পরিস্থিতিতে বৃষ্টি ও শীত নিয়ে বড় আপডেট দিয়েছে আইএমডি।

এল নিনো অ্যাক্টিভ (ছবি: উইন্ডি)এল নিনো অ্যাক্টিভ (ছবি: উইন্ডি)
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 01 Oct 2026,
  • अपडेटेड 4:47 PM IST
  • ইতিমধ্যেই অ্যাক্টিভ হয়েছে শক্তিশালী এল নিনো
  • নিউট্রাল আইওডি তৈরি হয়েছে
  • এই কারণে বর্ষা পরবর্তী আবহাওয়া কেমন থাকবে?

অ্যাক্টিভ হয়েছে শক্তিশালী এল নিনো। যার ফলে আগামী কয়েক মাসে আবহাওয়ার উপর বড় প্রভাব পড়তে পারে বলে মনে করছেন আবহাওয়া বিশেষজ্ঞরা। ভারতীয় আবহাওয়া দফতর (আইএমডি)-এর লেটেস্ট পূর্বাভাস অনুযায়ী, উত্তর-পূর্ব মৌসুমি বায়ু (নর্থইস্ট মনসুন) ইন্ডিয়ান ওশান ডাইপোল বা আইওডি নিউট্রাল থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। ভাবছেন আইওডি নিউট্রিল বিষয়টা আবার কী? এর জন্য বর্ষা শেষের আবহাওয়ার উপর কী প্রভাব পড়বে? শীতের উপরও কি প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে? তাহলে নিবন্ধটি একটু পড়তেই হবে।

৩০ সেপ্টেম্বরের সাংবাদিক বৈঠকে বিষয়টা নিয়ে বিস্তারিত জানিয়েছে আইএমডি। তাদের দাবি, ইতিমধ্যেই বর্তমানে প্রশান্ত মহাসাগরে শক্তিশালী এল নিনো পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। পূর্ব-মধ্য এবং পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগরের সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় অনেকটাই বেড়ে রয়েছে। 

আইএমডি-এর মনসুন মিসন কাপলড ফোরকাস্ট সিস্টেম সহ বিশ্বের অন্যান্য বড় জলবায়ু মডেল এই বিষয়ে পূর্বাভাস দিয়েছে। তাদের দাবি, ২০২৬ সালের শেষ পর্যন্ত এল নিনো আরও শক্তি বাড়িয়ে ফেলতে পারে। আর তাতেই বিপদের আশঙ্কা রয়েছে। আবহাওয়ার উপর পড়তে পারে বিরাট প্রভাব।

নিউট্রাল আইওডি-এর ফলে ভারতের কী হবে?
আইওডি হল ভারত মহাসাগরের একটি স্বাভাবিক জলবায়ু পরিস্থিতি। এর ফলে ক্রান্তীয় ভারত মহাসাগরের পশ্চিম ও পূর্ব অংশের সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রার মধ্যে পার্থক্য করা হয়।

পজিটিভ আইওডি হলে আফ্রিকার কাছাকাছি পশ্চিম ভারত মহাসাগরের জল স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি উষ্ণ হয়। এই সময় ইন্দোনেশিয়ার কাছাকাছি পূর্ব ভারত মহাসাগরের জল তুলনামূলক ঠান্ডা থাকে। পজিটিভ আইওডি বাতাসের গতিপথ ও জলীয় বাষ্পের প্রবাহে পরিবর্তন আনে। সেই সঙ্গে ভারতের কিছু অংশে বৃষ্টির পরিমাণ বাড়াতে সাহায্য করে থাকে।

অন্যদিকে, নেগেটিভ আইওডি-এর পরিস্থিতি মোটামুটি এর উল্টো। এক্ষেত্রে পূর্ব ভারত মহাসাগরের জল বেশি উষ্ণ হয়। আর পশ্চিম অংশ তুলনামূলক ঠান্ডা থাকে। এর ফলে ভারতের কিছু অংশে বৃষ্টি কম হতে পারে।

আর নিউট্রাল আইওডি বলতে বোঝায়, ভারত মহাসাগরের দুই অংশের সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রার মধ্যে খুব একটা পার্থক্য নেই। যার ফলে পজিটিভ বা নেগেটিভ আইওডি হিসেবে ভাগ করা যায় না। ফলে নিউট্রাল আইওডি পরিস্থিতিতে পজিটিভ আইওডি-এর মতো অতিরিক্ত বৃষ্টির পরিস্থিতি তৈরি হয় না।

Advertisement

আইএমডি জানিয়েছে, বর্তমানে ভারত মহাসাগরে নিউট্রাল আইওডি পরিস্থিতি রয়েছে। আর এই পূর্বাভাস এমন সময়ে এসেছে, যখন ভারতের বর্ষা ১৩ শতাংশ ঘাটতি নিয়ে শেষ হয়েছে।

বর্ষার পর কেমন থাকবে আবহাওয়া?
এল নিনো আরও শক্তিশালী হয়েছে। আবার আইওডি নিউট্রাল রয়েছে। আর এই দুই বিষয়ই অক্টোবর থেকে ডিসেম্বরের বর্ষা পরবর্তী সময় গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। 

বিশেষ করে দক্ষিণ ভারতের উপদ্বীপীয় অঞ্চলে উত্তর-পূর্ব মৌসুমী বায়ু অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তামিলনাড়ু, পুদুচেরি এবং অন্ধ্রপ্রদেশ, কেরল ও কর্নাটকের কিছু অংশে বছরের মোট বৃষ্টির একটি বড় অংশ এই বায়ুর কারণে হয়।

আর সবথেকে বড় কথা, এল নিনো প্রশান্ত মহাসাগরের বাইরেও বায়ুমণ্ডলের গতিপথ এবং বৃষ্টির ধরনে প্রভাব ফেলতে পারে। তবে ভারতের সব অঞ্চলে এর প্রভাব একরকম হয় না। এল নিনো থাকলেই যে দেশের প্রতিটি অঞ্চলেই বৃষ্টি হবে না, এমনটা বলা যায় না।

একইভাবে, নিউট্রাল আইওডি-এর অর্থ এই নয় যে এল নিনোর প্রভাব পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যাবে। বরং এর অর্থ হল, ভারত মহাসাগর থেকে পজিটিভ আইওডি-এর মতো অতিরিক্ত বৃষ্টির জন্য সহায়ক কোনও শক্তিশালী প্রভাব নেই। যার ফলে বর্ষা পরবর্তী সময় আবহাওয়ায় বিরাট বদল হতে পারে। এছাড়া শীত আসার ক্ষেত্রেও পরিবর্তন দেখা যেতে পারে। ঠান্ডা পড়ার ক্ষেত্রে সমস্যা হতে পারে। এমনকী বর্ষা পরবর্তী বৃষ্টি কমতে পারে।  

 

Read more!
Advertisement
Advertisement