Advertisement

Supreme Court Delhi news: 'সাধারণ মানুষের যাতায়াত থামানো যায় না', দিল্লিতে মেট্রো-ট্রেন বন্ধ নিয়ে প্রশ্ন সুপ্রিম কোর্টের

দিল্লিতে ১০ অক্টোবরের বড় আন্দোলন-বিক্ষোভের ডাক দিয়েছে সিজেপি। তার আগে 'নিরাপত্তা'র খাতিরে ট্রেন-মেট্রো চলাচলে কাটছাঁট করেছে প্রশাসন। এবার সেই নীতি নিয়ে প্রশ্ন তুলল সুপ্রিম কোর্ট।

‘পাবলিক ট্রান্সপোর্ট এভাবে বন্ধ করা যায় না’, পর্যবেক্ষণ আদালতের‘পাবলিক ট্রান্সপোর্ট এভাবে বন্ধ করা যায় না’, পর্যবেক্ষণ আদালতের
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 09 Oct 2026,
  • अपडेटेड 6:51 PM IST
  • দিল্লিতে ১০ অক্টোবরের বড় আন্দোলন-বিক্ষোভের ডাক দিয়েছে সিজেপি।
  •  'নিরাপত্তা'র খাতিরে ট্রেন-মেট্রো চলাচলে কাটছাঁট করেছে প্রশাসন।
  • সেই নীতি নিয়ে প্রশ্ন তুলল সুপ্রিম কোর্ট।

দিল্লিতে ১০ অক্টোবরের বড় আন্দোলন-বিক্ষোভের ডাক দিয়েছে সিজেপি। তার আগে 'নিরাপত্তা'র খাতিরে ট্রেন-মেট্রো চলাচলে কাটছাঁট করেছে প্রশাসন। এবার সেই নীতি নিয়ে প্রশ্ন তুলল সুপ্রিম কোর্ট। আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে মেট্রো স্টেশন বন্ধ রাখা, ট্রেন চলাচলে বিধিনিষেধ এবং রাস্তায় ব্যারিকেড বসানোর সিদ্ধান্ত নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করল শীর্ষ আদালত। প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্তের বক্তব্য, নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সরকারের দায়িত্ব। কিন্তু তার জন্য সাধারণ মানুষের যাতায়াত পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়া যায় না। পরিস্থিতি সামলাতে গিয়ে নাগরিকদের দৈনন্দিন জীবন যাতে অচল না হয়ে পড়ে, তা নিশ্চিত করতে হবে।

শুক্রবার এই সংক্রান্ত মামলার শুনানিতে দিল্লির নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে আলোচনা হয়। আদালত সরকারকে বন্ধ রাখা মেট্রো স্টেশনের সংখ্যা কমানোর বিষয়টি বিবেচনা করতে বলেছে। একই সঙ্গে রাস্তায় বসানো ব্যারিকেডগুলিও খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মামলার পরবর্তী শুনানি সোমবার। তার আগে পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে কী পদক্ষেপ করা হচ্ছে, সে দিকেও নজর থাকবে।

'পাবলিক ট্রান্সপোর্ট পুরোপুরি বন্ধ করা যায় না', পর্যবেক্ষণ আদালতের
১০ অক্টোবর দিল্লিতে সিজেপি-র প্রস্তাবিত প্রতিবাদ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে সতর্ক রয়েছে দিল্লি পুলিশ। বিক্ষোভের কারণে যাতে কোনও অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরি না হয়, সে জন্য বিভিন্ন জায়গায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। কয়েকটি মেট্রো স্টেশন বন্ধ রাখা এবং যান চলাচলে নিয়ন্ত্রণের সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে বলে মামলার শুনানিতে জানানো হয়।

কিন্তু নিরাপত্তার ব্যবস্থা করতে গিয়ে সাধারণ মানুষের চলাচল কতটা নিয়ন্ত্রণ করা উচিত, সেই প্রশ্নই তুলেছে সুপ্রিম কোর্ট। প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত জানান, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করা প্রশাসনের কর্তব্য হলেও তার অর্থ এই নয় যে পরিবহণ ব্যবস্থা কার্যত স্তব্ধ করে দেওয়া হবে। সাধারণ মানুষের যাতায়াত যাতে চালু থাকে, তা নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

আদালতের বক্তব্য, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রয়োজনীয় সতর্কতা নেওয়া যেতে পারে। তবে সেই ব্যবস্থা কতটা জরুরি এবং তার ফলে সাধারণ মানুষ কতটা সমস্যায় পড়ছেন, তা বিবেচনা করা দরকার। সেই কারণেই বন্ধ থাকা মেট্রো স্টেশনের সংখ্যা কমানো এবং রাস্তার ব্যারিকেড পর্যালোচনার কথাও বলা হয়েছে।  

Advertisement
Read more!
Advertisement
Advertisement