Advertisement

নবম শ্রেণিতে তৃতীয় ভাষা পড়ানো নিয়ে সুপ্রিম কোর্ট কী বলল? পড়ুয়া-অভিভাবকদের জানা জরুরি

মাদ্রাজ হাইকোর্টের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে তামিলনাড়ু সরকারের করা মামলার শুনানিতে বিচারপতি নাগারত্না প্রশ্ন তোলেন, কেন তৃতীয় ভাষা নবম শ্রেণি থেকে চালু করা হবে?

নবম শ্রেণীতে তৃতীয় ভাষা নিয়ে কী বলল সুপ্রিম কোর্ট? নবম শ্রেণীতে তৃতীয় ভাষা নিয়ে কী বলল সুপ্রিম কোর্ট?
Aajtak Bangla
  • দিল্লি ,
  • 16 Jul 2026,
  • अपडेटेड 3:28 PM IST
  • CBSE তাদের পাঠ্যক্রমে নবম শ্রেণি থেকে তৃতীয় ভাষা চালু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে
  • তা নিয়ে প্রশ্ন তুলল সুপ্রিম কোর্ট

CBSE তাদের পাঠ্যক্রমে নবম শ্রেণি থেকে তৃতীয় ভাষা চালু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তা নিয়ে প্রশ্ন তুলল সুপ্রিম কোর্ট। বিচারপতি বি ভি নাগারত্না মন্তব্য করেন, দশম শ্রেণির বোর্ড পরীক্ষার আগে নবম শ্রেণিতে নতুন ভাষা চালু করলে পড়ুয়াদের ওপর অপ্রয়োজনীয় চাপ তৈরি হবে।

একই সঙ্গে আদালত তামিলনাড়ু সরকারকে পরামর্শ দেয়, শুধুমাত্র এটি কেন্দ্রের নীতি বলে বিরোধিতা না করতে। আদালত জানায়, রাজ্যে জওহর নবোদয় বিদ্যালয় স্থাপন নিয়ে কেন্দ্র ও রাজ্যের মধ্যে এখনও আলোচনা চলছে।

'নতুন ভাষা নবমে নয়, ষষ্ঠ শ্রেণি থেকেই শুরু হোক'

মাদ্রাজ হাইকোর্টের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে তামিলনাড়ু সরকারের করা মামলার শুনানিতে বিচারপতি নাগারত্না প্রশ্ন তোলেন, কেন তৃতীয় ভাষা নবম শ্রেণি থেকে চালু করা হবে? বিচারপতি বলেন, 'নবম শ্রেণি খুব চাপের। দশমের বোর্ড পরীক্ষার প্রস্তুতি তখনই শুরু হয়ে যায়। তাই নবমে নতুন ভাষা চালু করা উচিত নয়, ষষ্ঠ শ্রেণি থেকেই তা শেখানো উচিত।'

তিনি কেন্দ্রকে অনুরোধ করেন, CBSE, ICSE বা রাজ্য বোর্ড- সব ক্ষেত্রেই দশম শ্রেণির বোর্ড পরীক্ষার কথা মাথায় রেখে তৃতীয় ভাষা আগে থেকেই চালু করার বিষয়টি বিবেচনা করা হোক।

নিজের স্কুলজীবনের অভিজ্ঞতার কথা স্মরণ

বিচারপতি নাগারত্না জানান, তাঁর স্কুলে আগে থেকেই তৃতীয় ভাষা শেখানো হতো। দ্বিতীয় ভাষার ভিত্তিতে পড়ুয়ারা কন্নড়, হিন্দি বা সংস্কৃত বেছে নিতে পারতেন। তাঁর আরও সংযোজন, 'যত তাড়াতাড়ি শুরু করা যায়, ততই ভালো।'

'NEP-তে কোথাও হিন্দি বাধ্যতামূলক বলা নেই'

শুনানির সময় বিচারপতি নাগারত্না বলেন, জাতীয় শিক্ষানীতিতে কোথাও হিন্দিকে বাধ্যতামূলক তৃতীয় ভাষা হিসেবে উল্লেখ করা হয়নি। তিনি বলেন, 'রাজ্যের ভাষা পড়াতে হবে, ইংরেজি পড়াতে হবে এবং তৃতীয় একটি ভাষা থাকবে। কিন্তু কোথাও বলা নেই যে সেই ভাষা হিন্দিই হতে হবে।' প্রতিপক্ষের আইনজীবীও আদালতকে জানান, NEP-তে স্পষ্ট বলা হয়েছে, কোনও ভাষা কোনও রাজ্যের ওপর চাপিয়ে দেওয়া যাবে না।

Advertisement

এরপর বিচারপতি তামিলনাড়ু সরকারকে প্রশ্ন করেন, 'আপনারা যদি হিন্দি না চান, কিন্তু যদি সংস্কৃত হয়, তাহলে সমস্যা কোথায়?' 


তামিলনাড়ুকে কেন্দ্রের নীতি নিয়ে অযথা বিরোধিতা না করার পরামর্শ

বেঞ্চ পর্যবেক্ষণে জানায়, রাজ্যের নিজস্ব শিক্ষাব্যবস্থা থাকতে পারে, কিন্তু শুধুমাত্র কেন্দ্রের নীতি বলে তা প্রত্যাখ্যান করা উচিত নয়। আদালত বলে, 'আপনাদের নিজস্ব শিক্ষা ব্যবস্থা থাকতে পারে। কিন্তু কেন্দ্রীয় সরকারের স্কুলগুলিকে বাধা দেবেন না। শুধু এটা কেন্দ্রের নীতি বলে বিরোধিতা করার মানসিকতা ঠিক নয়।'


পরবর্তী শুনানি ১১ আগস্ট

তামিলনাড়ু সরকার মাদ্রাজ হাইকোর্টের সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করেছে, যেখানে রাজ্যের প্রতিটি জেলায় জওহর নবোদয় বিদ্যালয় স্থাপনে সহযোগিতা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। তামিলনাড়ু দীর্ঘদিন ধরেই JNV-র তিন-ভাষা নীতির বিরোধিতা করে আসছে। মামলার পরবর্তী শুনানি ১১ অগাস্ট ধার্য করেছে সুপ্রিম কোর্ট।
 

Read more!
Advertisement
Advertisement